মাঝারি গরুতে জমেছে কোরবানির হাট

আপডেট: জুন ১৩, ২০২৪, ১২:১২ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:


রাজশাহীতে জমেছে কোরবানির পশু হাট। হাটে মাঝারি ও ছোট আকারের গরুর চাহিদা বেশি। কোরবানির পশু হাটে মাঝারি আকারের গরু বেশি বিক্রি হচ্ছে। বুধবার (১২ জুন) রাজশাহীর সিটি পশুর হাট ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। তবে দাম নিয়ে পরস্পর বিরোধী মন্তব্য করছে ক্রেতা-বিক্রেতারা। ক্রেতারা বলছেন দাম বেশি। বিক্রেতারা বলছেন, হাটে গরু রয়েছে। তবে ক্রেতারা দাম বলতে চাচ্ছে না। হাটে তুলনামূলক মাঝারি আকারের গরুগুলো বেশি বিক্রি হচ্ছে।

রাজশাহী সিটি পশুর হাটে গিয়ে দেখা গেছে, ছোট ও মাঝারি আকৃতির গরুর মধ্যে দামের দিক থেকে ৭০ থেকে এক লাখ ২০ হাজার টাকা। এমন গরুর চাহিদা বেশি। এরমধ্যে ৬০ হাজার টাকা দামের গরুগুলো একজন বা দুইজনে নিচ্ছেন কোরবানির জন্য। আর ১ লাখ ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা দামের গরুগুলো ৫ থেকে ৭ ভাগে কিনছেন ক্রেতারা।

গরু বিক্রেতা রজব আলী চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে তিনটি গরু সিটি হাটে নিয়ে এসেছেন। তার তিনটি গরুর মধ্যে একটির দাম চাচ্ছেন দেড় লাখ ও দুইটা এক লাখ ৮০ হাজার টাকা করে। এরমধ্যে দুপুরে একটি গরু এক লাখ ৪০ হাজার টাকায় বিক্রি করেন তিনি। দামে না হওয়ায় বড় দুইটি গরু বিক্রি করেননি তিনি।

রজব আলী বলেন, গরুর বাজার ভালো না। বাজারে গরুর গোস্তের দাম বেশি। কিন্তু হাটে গরুর দাম কম। বাজারে গরুর মাংস ৭৫০ টাকা কেজি। সেই হিসেবে একমণ মাংসের দাম পড়ছে ৩০ হাজার। অনেকেই এই টার্গেটের কম দাম বলছেন। গরুর দাম চাইলে ক্রেতারা দাম না বলে চলে যাচ্ছে। তার (রজব আলী) মনে হয়েছে-হাটে গরু কেনাবেচা কম। তার বিক্রি না হলে তিনি আগামী রোববারের শেষ হাটে গরু তুলবেন বলে জানান।

মোহনপুর উপজেলা বাসিন্দা নজরুল ইসলাম দুইটা গরু বিক্রির জন্য নিয়ে আসেছেন। তিনি বলেন, হাটে গত বছরের তুলনায় গরুর দাম কিছুটা কম। তবে গরু বেশি থাকলেও ক্রেতা কম। এখনও কোরবানির কয়টা হাট রয়েছে। অনেকেই শেষ হাটের দিকে গরু কিনবেন।

গরু ক্রেতা মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, হাটে গরুর দাম তুলনামূলক বেশি। এক লাখ ও দেড় লাখ টাকা দামের গরু গুলো বেশি বিক্রি হচ্ছে। ছোট ও মাঝারি আকারের এই গরুগুলোর চাহিদা বেশি। এই গরুগুলো বেশি বিক্রি হচ্ছে।

অপর গরু ক্রেতা সাইদুল ইসলাম বলেন, তারা সাত ভাগে কোরবানি দেবেন। তাই একটা গরু তারা কিনেছেন এক লাখ ৪৫ হাজার টাকায়। গরুটি ওজন হবে প্রায় সাড়ে ৪ মণ।
সিটি হাটের ইজারাদারা বলেন, হাটে মাঝারি গরুর চাহিদা বেশি। হাটে পর্যাপ্ত কোরবানির পশু উঠেছিল। কেনা বেচা ভালো হয়েছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ