মোহনপুরে মাদ্রাসার অফিসে আগুন

আপডেট: জুলাই ৩, ২০২২, ৯:২১ অপরাহ্ণ

মোহনপুর প্রতিনিধি:


ভোর রাতে দাখিল মাদ্রসার অফিস কক্ষে আগুন। মাদ্রাসার মেইন সুইট বন্ধ; কিন্তু জানালা কাঁচ ভাঙ্গা। তাতেই ডানা মেলেছে সন্দেহ। শুধু তাই নয়, গভীর রাতে বসে মাদকের আসর-এমন অভিযোগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা কমিটির সদস্যের। তবে ফায়ার সার্ভিসের ধারণা বৈদ্যুতিক সর্টসার্কিট থেকে। তবে পুলিশ বলছে, তদন্ত কাজ অব্যাহত রয়েছে।

শনিবার (২ জুলাই) মোহনপুর উপজেলার মৌপাড়া দাখিল মাদ্রাসার অফিসে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মাদ্রাসার কম্পিউটার, ল্যাপটপসহ গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র পুড়েছে। মাদ্রাসা সুপারের দাবি অগ্নিকা-ে তাদের ৮ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভোর রাতে মাদ্রায় আগুন লাগে। এসময় নৈশপ্রহরী মাদ্রাসায় ছিলেন। পরে নৈশপ্রহরী স্থানীয়দের ডেকে আগুন নেভানো চেষ্টায় ব্যর্থ হয়। তাতে মাদ্রাসার অফিসে থাকা কম্পিউটার, ল্যাপটপ, প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ বঙ্গবন্ধু কর্ণারের আসবাবপত্র ও শিক্ষা উপকরণ পুড়ে যায়। খবর পেয়ে পল্লী বিদ্যুত বিভাগের ধোপাঘাটা অভিযোগ কেন্দ্রের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আবুল কাশেম খান জানান, ১৯৮৭ সালে মাদ্রাসাটি প্রতিষ্ঠিত। দীর্ঘদিন ধরে মাদ্রাসার বারান্দায় রাতে নিয়মিত মাদকের আড্ডা বসে। কেউ শোনেনা আদেশ নিষেধ। গতকাল অফিসের জানালার কাঁচ ভাঙ্গা থেকে অনুমান করা হচ্ছে কেউ চক্রান্তমূলক ভাবে আগুন দিয়েছে। সুষ্ঠ তদন্ত দাবি করেন তিনি।

মাদ্রাসার নৈশপ্রহরী আতাউর রহমান জানান, ভোর রাতে হঠাৎ করেই আগুন জ্বলে ওঠে। আমি আতংকিত হয়ে পরি। গ্রামের লোকজনদের নিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে নেভানো সম্ভব হয়নি। ফায়ার সার্ভিসকে ডাকা হয়।

মাদ্রাসা সুপার দেরাজ উদ্দিন জানান, প্রতিদিনের মতো অফিস কক্ষের মেইন সুইচ বন্ধ ছিল। জানালার কাঁচ ভেঙ্গে আগুন দিয়ে কেউ এধরণের ক্ষতিসাধন করেছে বলে ধারনা করেন তিনি। এছাড়াও তিনি আরো জানান, থানা পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস এবং পল্লী বিদ্যুতের লোকজন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে গেছেন। এতে কাগজপত্র ছাড়াও প্রায় ৮ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

মোহনপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তৌহিদুল ইসলাম বলেন- ফায়ার সার্ভিসসহ বিদ্যুত বিভাগের লোকজনদের ডাকা হয়েছিল তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক সর্টসার্কিট হতে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হতে পারে। তদন্ত কাজ অব্যাহত রয়েছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ