মান্দায় নির্বাচনী সহিংসতার মামলায় চেয়ারম্যানসহ চারজন কারাগারে

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২২, ৩:২৫ অপরাহ্ণ

মান্দা প্রতিনিধি :


নওগাঁর মান্দায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সহিংসতার মামলায় গনেশপুর ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম বাবুল চৌধুরীসহ চারজনকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

আজ রোববার সকালে সহিংসতা মামলার ৬ আসামী নওগাঁর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত-২ এ আত্মসমর্পন করে জামিন আবেদন করেন।

শুনানী শেষে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম বাবুল চৌধুরীসহ চারজনের জামিন নামঞ্জুর করে বিচারক বিকাশ কুমার বসাক তাঁদের জেলহাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।

এ মামলার অপর দুই আসামী রশিদুল ইসলাম চৌধুরী ও নাজিম উদ্দিন মন্ডলকে জামিন দেওয়া হয়েছে।

আসামী পক্ষের আইনজীবী বিশ্বজিৎ কুমার বলেন, নির্বাচনী সহিংসতার ওই মামলায় এজাহারভ‚ক্ত ৫৪ আসামী একই আদালত থেকে জামিন নিয়েছেন।

বাঁকি ৬ আসামী আজ রোববার আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করেন। এদের মধ্যে গনেশপুর ইউনিয়নের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম বাবুল চৌধুরী, তাঁর ছেলে সাব্বির চৌধুরী, শাহ আলম চৌধুরী বকুল ও মেহেদী হাসান মিঠুনের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান আদালত।

অপর দুই আসামীকে জামিন দেওয়া হয়েছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, পঞ্চম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গত ১২ নভেম্বর প্রতীক বরাদ্দের দিন উপজেলার গনেশপুর ইউনিয়নে দুই প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এতে আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী হানিফ উদ্দিন মন্ডল ও স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী শফিকুল ইসলাম বাবুল চৌধুরীর ৮ কর্মী-সমর্থক আহত হন। এদের মধ্যে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর কর্মী ইমরান হোসেন রানা চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ নভেম্বর রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান।

সংঘর্ষের ওই ঘটনায় নৌকার প্রার্থীর কর্মী আব্দুল হামিদ বাদি হয়ে ১২ নভেম্বর রাতে স্বতন্ত্র প্রার্থী শফিকুল ইসলামসহ ৬০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

অন্যদিকে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী ইমরান হোসেন রানার মৃত্যুর ঘটনায় তাঁর মা রেজিয়া পারভীন বাদি হয়ে নৌকার চেয়ারম্যান প্রার্থী হানিফ উদ্দিন মন্ডলসহ ১০৪ নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ২০০ জনের বিরুদ্ধে মান্দা থানায় মামলা করেন।