মান্দায় মারধরের শিকার আদিবাসী পরিবারের সাথে নেতৃবৃন্দের সাক্ষাত

আপডেট: নভেম্বর ১০, ২০১৯, ১২:৫৩ পূর্বাহ্ণ

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি


মান্দায় মারধরের শিকার আদিবাসী উরাঁও পরিবারের সদস্যদের সাথে সাক্ষাত করেছে জাতীয় আদিবাসী পরিষদ ও আদিবাসী ছাত্র পরিষদের নেতৃবৃন্দ। গতকাল শনিবার দুপুর ১২টায় কালিসফা গ্রামে সরেজমিন পরিদর্শনে যান আদিবাসী নেতৃবৃন্দ। সাক্ষাতকালে আদিবাসী নেতৃবৃন্দ এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের উপযুক্ত বিচার দাবি করেছেন। প্রশাসন গড়িমসি করলে আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষনার কথা বলেন নেতৃবৃন্দ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় আদিবাসী পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বিভূতী ভূষণ মাহাতো, মান্দা উপজেলা সাবেক সাধারণ সম্পাদক অলিপ পাহান, যুগ্ম-আহ্বায়ক যনো উরাঁও, আদিবাসী ছাত্র পরিষদ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি নকুল পাহান, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক দিলীপ পাহান, মান্দা উপজেলা সাধারণ সম্পাদক সৌখিন পাহান প্রমূখ।
ভুক্তভোগিদের সাথে সরাসরি কথা বলে জানা যায়, গত ৯ অক্টোবর সন্ধ্যার সময় ডাল পূজা দেখে বাড়ি ফেরার পথে নাজমুল হক (১৯) নামের বখাটে একজন উরাঁও কিশোরীকে পথ আটকে জাপটে ধরে শীলতাহানির চেষ্টা করে। এই ঘটনায় নাজমুলকে সর্তক করা হলে পরদিন ১০ অক্টোবর সকাল আনুমানিক ১০টায় ৫/৬ জন অতর্কিতভাবে ঐ কিশোরীর পরিবারে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের মারধর করে। হামলাকারীদের এলোপাথারি মারধরে পরিবারের সোনালী উরাঁও ৩২, মিনু রানী উরাঁও ৩৫, শান্ত উরাঁও ১৩, আনন্দ উরাঁও ২২ আহত হয় এবং মান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নেয়। হামলার সময় আশেপাশের লোকজন হামলাকারীদের ৪ জনকে আটক করে পুলিশশের হাতে সোপর্দ করে। পরবর্তীতে আটককৃতরা জামিনে মুক্তি পায়। এ ঘটনায় ১০ অক্টোবর মান্দা থানায় গোপাল উরাঁও বাদি হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ও মারধরের মামলা দায়ের করেছেন। যার মামলা নম্বর- ১২ তারিখ ১০-১০-২০১৯ ইং এ। তারা আরও বলেন, এর আগেও বিভিন্ন সময় বিদ্যালয়ে যাওয়া-আসার পথে গ্রামের অন্যান্য মেয়েদের বিরক্ত করে আসছিল। ভুক্তভোগিরা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন হয়ে গেলেও পুলিশ তেমন কোন তৎপরতা দেখাচ্ছে না এবং অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতার করছেনা। এতে তারা নিরাপত্তাহীনতায় দিন পার করেছে। এছাড়াও তাদের বিভিন্নভাবে হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছে আসামী পক্ষের লোকজন।