মাহ্লে সম্প্রদায়ের জিতিয়া পার্বণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২২, ১০:৫৬ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:


ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির মাহ্লে জাতিসত্তার জিতিয়া পার্বণ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দিনব্যাপি রাজশাহীর গোদাগাড়ীর সুরশুনিপাড়া মিশন স্কুল প্রাঙ্গনে রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি, মাহ্লে ল্যাংগুয়েজ এন্ড ডেভেপম্টে কমিটি, মাসাউস এবং দিঘরী বাইসি পরিষদের আয়োজনে এই কর্মসূচী পালিত হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে র‌্যালি, পুজা পার্বন ও পিঠা বিতরণ করা হয়। এরপর মাহ্লে ল্যাংগুয়েজ এন্ড ডেভেপমেন্ট কমিটি সভাপতি মেরিনা হাঁসদার সভাপতিত্বে আলোচনা সভা শুরু হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানে আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোদাগাড়ী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সবুজ হাসান, রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির কালচারাল একাডেমির নির্বাহী পরিষদের সদস্য চিত্তরঞ্জন সরদার ও সুসেন কুমার শ্যামদুয়ার।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির কালচারাল একাডেমির গবেষণা কর্মকর্তা বেনজামিন টুডু। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মাহ্লে সমাজ ও সংস্কৃতি কর্মী মাইকেল মান্ড্রি। রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির কালচারাল একাডেমির সংগীত প্রশিক্ষক মানুয়েল সরেন এর উপস্থাপনায় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সুরশুনিপাড়া পাল পুরোহিত প্রভু নিবেদন ধর্মপল্লির ফাদার প্রদিপ যোসেফ কস্তা, গোদাগাড়ী উপজেলা পারগানা বাবুলাল মুরমু, দিঘরী প্রধান ও জিতিয়া ঠাকুর সিষ্টি বারে ও মাসাউস এর সভাপতি যাকব হেমরমসহ অন্যান্য মাহ্লে সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ।

প্রধান অতিথি বলেন, নিজেদের সংস্কৃতি নিজেদেরই রক্ষা করতে হবে। অন্যের উপর নির্ভশীল হতে সময়ের বিবর্তনে সংস্কৃতি হারিয়ে যাবে। যেহেতু মাহ্লে সম্প্রদায়ের এটা অনেক বড় একটি উৎসব। সেহেতু আগামীতে আরো বড় আকারে করার পরামর্শ দেন তিনি। আর এই ধরনের উৎসবে উপজেলা প্রশাসন হতে প্রয়োজনে আর্থিক সহযোগিতা করা হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

উপস্থিত অতিথিবৃন্দ আদিবাসীদের জিতিয়া এবং এর তাৎপর্য সম্পর্কে তুলে ধরেন। সেইসাথে তারা আদিবাসীদের হারানো সংস্কৃতি পুণরুদ্ধার ও চর্চা করার বিষয়ে আলোকপাত করেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ