মোবাইলে গৃহবধুকে উত্ত্যক্তের জের বড়াইগ্রামে সংঘর্ষ ।। বাড়ি-দোকান ভাঙচুর আহত ২

আপডেট: জুন ১৭, ২০১৭, ১২:৫১ পূর্বাহ্ণ

বড়াইগ্রাম প্রতিনিধি


নাটোরের বড়াইগ্রামে এক গৃহবধুকে মোবাইল ফোনে উত্যক্তের জের ধরে সংঘর্ষে একটি সার-কিটনাশকের দোকনসহ দুটি বাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এসময় ওই গৃহবধুর স্বজনদের প্রহারে দুইজন আহত হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সকালে উপজেলার নগর ইউনিয়নের মশিন্দা গ্রামের এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন মশিন্দা গ্রামের মকবুল হোসেন মাস্টারের ছেলে গোলাম সাকলাইন পায়াস (৩৩) ও তার ভাই তালিম হোসেন (৪০)। তাদের বড়াইগ্রাম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এখন পরিবেশ শান্ত রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোলাম সাকলাইন পায়াস একই গ্রামের এক পুত্রবধূকে মোবাইলে দীর্ঘদিন থেকে উত্যক্ত করে আসছিল। একাধিকবার মৌখিক ভাবে নিষেধ করেও কোন কাজ হয়নি। পায়াস একজন ডেকোরেটরের ব্যবসায়ী। তার দোকানটি কয়েন-বড়াইগ্রাম সড়কে গ্রামের ওই গৃহবধূর বাড়ি সংলগ্ন। পায়াস প্রতিদিন ডেকোরেটরের সাউন্ড বক্সে উচ্চস্বরে অশ্লীল গান বাজাতো সেই সাথে ওই গৃহবধূকে মোবাইলে উত্যক্ত করতো।
গতকাল শুক্রবার সকালে অন্তত এক’শবার ওই পুত্রবধুর মোবাইলে পায়াস ফোন দিলে ফোনটি হাতে নিয়ে তার দোকানে আসেন ওই গৃহবধূর শ্বশুর। এরপর উভয়ের মধ্যে বাকবিতন্ডার এক পর্যায় সংঘর্ষ বাধে। এসময় ওই গৃহবধূর শ্বশুর ও তার সাথের লোকজন পায়াসকে বেদম পিটুনি দেয় এসময় এবং পায়াসকে বাঁচাতে এগিয়ে আসলে পায়াসের ভাই তালিমকেও মারধোর করে। খবর পেয়ে পায়াসের লোকেরা এসে ওই গৃহবধূর শ্বশুরের সার-কিটনাশকের দোকান, বাড়ি এবং ওই গৃহবধূর চাচা শ্বশুর বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পায়াস ও তালিমকে উদ্ধার করে বড়াইগ্রাম হাসপাতালে পাঠায় তার স্বজনরা।
বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহরিয়ার খান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ