মোবাইল ফোনে প্রতারণা করে অর্থ আদায়ের অভিযোগ || ১১ প্রাতারক গ্রেফতার

আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৭, ১২:৩৪ পূর্বাহ্ণ

নাটোর অফিস


অশ্লীল ও সুন্দরী নারীর ছবি এবং ভুয়া নামে ফেসবুক আইডি দিয়ে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রতারণা করে অর্থ আদায়ের অভিযোগে নাটোরে ১১ প্রাতারককে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। গত শুক্রবার রাতে লালপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গতকাল শনিবার দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে গ্রেফতারকৃতদের সাংবাদিকদের সামনে হাজির করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা সকলেই লালপুর উপজেলার বাসিন্দা।
জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল হাই জানান, গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘ দিন ধরেই বিভিন্ন নামে ও বিভিন্ন অশ্লীল ছবি ব্যবহার করে ফেসবুক আইডি খুলে মোবাইলে ফোনে ফেসবুক ব্যবহার করে আসছিল। এ সকল ফেক আইডি থেকে বিভিন্ন মাধ্যমে মোবাইল নম্বর আদান প্রদান ও ম্যাজিক ভয়েসের মাধ্যমে কন্ঠ পরিবর্তন করে মোবাইল সেক্স করে মানুষের সাথে প্রতারণা করে আসছিল। এছাড়াও তারা বিভিন্ন প্রবাসীদের মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ব্লাকমেইল করে টাকা আদায় করছিল। এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত শুক্রবার রাতে লালপুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। গতকাল শনিবার দুপুরে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে তাদের সাংবাদিকদের সামনে হাজির করে বিফ্রিং করা হয়। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, পুলিশ সুপার বিপ্লব বিজয় তালুকদার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খায়রুল ইসলাম, গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুুল হাইসহ অন্যরা। গ্রেফতারকৃতরা লালপুরের নাগশোষা গ্রামের ফজলুল হকের ছেলে মেহদী হাসান, মোজেম হোসেনের ছেলে আসাদুল ইসলাম, মফিজ উদ্দিনের ছেলে নাজমুল হক, বাবর আলীর ছেলে সাগর আহমেদ, জালাল উদ্দিন সরদারের ছেলে শিমুল হোসেন, আবদুুল হান্নান মোল্লার ছেলে জুয়েল রানা, সামশুল হকের ছেলে শাহাদৌলা ইসলাম, মহরকয়া ভাঙ্গাপাড়া এলাকার জমির উদ্দিনের ছেলে লালন উদ্দিন, শফিকুল ইসলামের ছেলে মুহাইমিনুল আবির, মহরকয়া থান্দারপাড়া এলাকার আব্দুল মজিদ থান্দারের ছেলে হাবিবুর রহমান ও মহরকয়া পূর্বপাড়া এলাকার আশরাফ আলীর ছেলে আসাদুজ্জামান ওরফে লিখন। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে লালপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে গ্রেফতারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।