মোহনপুরে অনলাইন হ্যাকারদের হামলায় আহত ব্যবসায়ীর সংবাদ সম্মেলন

আপডেট: জুন ২৬, ২০২৪, ৮:৩৫ অপরাহ্ণ

 ব্যবসায়ীর সংবাদ সম্মেলন
মোহনপুর প্রতিনিধি:


মোহনপুরে মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবসায়ীর উপর অনলাইন হ্যাকারদের হামলার বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৬ জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় মোহনপুর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন কেশরহাট পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ব্যবসায়ী শাহাদুজ্জামান বকুল।

এসময় তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন আমি কেশরহাট বাজারের একজন মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবসায়ী। বকুল স্টোর নামক দোকানে দীর্ঘদিন ধরে মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবসা চালিয়ে আসছি।

সম্প্রতি সংঘবদ্ধ মোবাইল ব্যংকিং হ্যাকারদের দ্বারা নির্যাতিত ও আহত হয়েছি। সোমবার (২৪ জুন) আমার নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বকুল স্টোর এ প্রতিদিনের মতো ব্যবসায়িক কর্মক্রম পরিচালনা করছিলাম। এমতবস্থায় কেশরহাট পৌর এলাকার হরিদাগাছি গ্রামের সাইফোর রহমানের ছোট ছেলে রাব্বি আমার দোকানে এসে বলেন, রকেট অ্যাকাউন্ট থেকে ২৩,৫০০/- টাকা চাই। এসময় আমি আমার এজেন্ট নম্বরটি তাকে দেই। এরপর রাব্বি মোবাইলে কথা বলছিল এবং অন্য একটি নম্বরে ব্যালেন্স ট্রান্ফারের জন্য তাড়াহুড়ো করছিল।

আমার কাছে তার আচরণ সন্দেহজনক হলে জিজ্ঞেস করি কে তোমাকে টাকা পাঠাইছে? জবাবে রাব্বি জানান আমার বড়ভাই। বাসা কোথায় জানতে চাইলে বলে আমার বাড়ির পাশেই বাড়ি। এরপর রবি নম্বর থেকে ক্যাশ আউটের ম্যাসেজ আসে। রাব্বি ২৩,৫০০/- টাকা অন্য একটি নম্বরে পাঠানোর জন্য তড়িঘড়ি শুরু করে।

ম্যাসেজের টাকা চেক করতে আমার রকেট অ্যাপসে ঢোকার চেষ্টা করলে ঢুকতে পারিনি। তখন আমার রকেট ডিএসওর সঙ্গে যোগাযোগ করে বিস্তারিত জানাই। তখন তিনি বলেন, আপনার অ্যাকাউন্টটি এ মুহূর্তে হ্যাক করেছে। যে টাকা উঠানোর জন্য এসেছে তাকে আটক করে পুলিশি সহযোগিতা নিন। তখন প্রাথমিক ভাবে আটক করে তাকে বলি তোমার যে বড় ভাই টাকার ম্যাসেজ দিয়েছেন তাকে ডাকো। এরপর ফোন দিলে বড়ভাই ফোন ধরছে না বলে জানায় রাব্বি।

জিজ্ঞাসাবাদে রাব্বি অনলাইন আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে বলে জানান এবং তার বসকে ডাকেন। পরে রাব্বির বস ও অফিস স্টাফ এসে এ বিষয়ে সবকিছু শুনে জেনে বিকেলে বসার আশ্বস্ত করে রাব্বিকে নিয়ে যায়। বিকেলে মিমাংসা বৈঠকের জন্য বসার আগেই হঠাৎ করেই রাব্বিসহ ১০-১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল এসে আমাকে নানা ধরনের হুমকি ধামকি শুরু করে।

এমতাবস্থায় আমি তাদের মিংমাসায় বসার জন্য বলি তখনই সাইফোর তার ছেলে রাব্বি, নয়ন, রাসেদুলসহ আরো ৭-৮ জন আমার উপর অতর্কিত হামলা করে পালিয়ে যায়। বাজারের লোকজন আমাকে উদ্ধার করে মোহনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। ২৫ জুন আমি মোহনপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছি। এজন্য সর্বসাধারণের অবগতিসহ আমার উপর হামলার বিচার দাবী করছি।

এবিষয়ে মন্তব্য জানতে অভিযোগে উল্লিখিত রাব্বির সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করে পাওয়া যায়নি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ