ম্যাকগ্রাকে ছাড়িয়ে যেতে চান অ্যান্ডারসন

আপডেট: সেপ্টেম্বর ১০, ২০১৭, ১২:২৫ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


প্রথম ইংলিশ বোলার হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে ৫০০ উইকেট শিকারের মাইল ফলক ছুঁয়েছেন জেমস অ্যান্ডারসন। শুক্রবার লর্ডস টেস্টে ক্যারিবীয়দের দ্বিতীয় ইনংসে ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েটকে ফিরিয়ে এই কীর্তি গড়েন অ্যান্ডারসন। ৫০০ উইকেট শিকারের অভিজাত ক্লাবে তিনি ষষ্ঠতম বোলার। তার আগে এই কীর্তি গড়তে পেরছেন মাত্র দুজন পেসার- গ্লেন ম্যাকগ্রা (৫৬৩) ও কোর্টনি ওয়ালশ (৫১৯)। বাকী তিনজনই স্পিনার- মুত্তিয়া মুরাধিরন (৮০০), শেন ওয়ার্ন (৭০৮) ও অনিল কুম্বলে (৬১৯)। ৩৫ বছরের অ্যান্ডারসনের জন্য মুরালি-ওয়ার্নদের পিছু হাঁটা অসম্ভবই হবে। তবে ম্যাকগ্রা-ওয়ালশকে ছাড়িয়ে যাওয়ার দাড় প্রান্তেই দাঁড়িয়ে তিনি। মাইল ফলক ছোঁয়ার পর অ্যান্ডারসনও জানিয়েছেন সেই লক্ষ্যের কথা। ম্যাকগ্রাকে ছাড়িয়ে যেতে চান তিনি।
৫০০ উইকেট শিকারি ক্লাবে নাম লেখানোদের মধ্যে একমাত্র অ্যান্ডারসনই এখনো খেলে যাচ্ছেন। বাকীরা সবাই ক্রিকেটে ছেড়ে অবসরে। তাই তাদের আর এগুনোর সুযোগ নেই। অ্যান্ডারসনের সামনেই কেবল সুযোগ এগিয়ে যাওয়ার। ইংলিশ পেসারের লক্ষ্যও সেটিই, ‘আমি শুধু ফিট এবং মাঠে থাকার চেষ্টা করে যাব। এই মূহুর্তে আমি ক্রিকেট খেলতে খুব ভালোবাসি। যত দিন সম্ভব আমি আমার খেলাটা চালিয়ে যেতে চাই। যদি পরবর্তি কিছু বছর আমি খেলে যেতে পারি তবে অবশ্যই কাছাকাছি কাউকে ধরে ফেলবো।’
কাছাকাছি বলতে দুই পেসার ওয়ালস আর ম্যাকগ্রাই। সামনেই অ্যাশেজ। ঐতিহ্যের এই সিরিজে হয়তো ম্যাকগ্রাকে পেছনে ফেলা সম্ভব হবে না। তবে বর্তমানে বাংলাদেশের পেস বোলিং কোচ ওয়ালশকে ঠিকই ছাড়িয়ে যাওয়া সম্ভব অ্যান্ডারসনের। ২০০৩ সালে যে লর্ডসে টেস্ট অভিষেক অ্যান্ডারসনের, প্রথম উইকেটের স্বাদ পাওয়াও, সেই লর্ডসেই পেলেন ৫০০তম উইকেট। অ্যান্ডারসন তাতে দারুণ খুশি, ‘এটি আমার জন্য বিশেষ একটি জায়গা। আমার প্রথম উইকেট ও ৫০০ উইকেট এখানেই।’
তবে দারুণ গতিতে ছুটে অর্জনের খাতায় নাম তুললেও শুরুতে মোটেও পথচলাটা সহজ ছিল না অ্যান্ডারসনের। ম্যাথু হগার্ড, স্টিভেন হার্মিসন, অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফ, সিমনস জোন্সদের নিয়ে গড়া ইংলিশ পেস বোলিং লাইনে তার সুযোগই তো মিলতো না। পরবর্তিতে ইনজুরির সঙ্গেও লড়তে হয়েছে। তবে এসব কিছু থেকেই আবার প্রেরণাও পেয়েছেন অ্যান্ডারসন, ‘কিছু খারাপ সময় সব সময়ই ছিল। আমি ইনজুরিতে পড়েছি। দল থেকে বাদ পড়তে হয়েছে। এগুলো আমাকে আরো দৃঢ় প্রতিজ্ঞ করেছে নিজের উন্নতিতে।’ সেই দৃঢ় প্রতিজ্ঞ অ্যান্ডারসন যে ছাড়িয়ে যাবেন ম্যাকগ্রাকে সেটি হয়তো আগাম বলে দেওয়াই যায়।