ম্লান হলো বৈশাখের শখের হাড়ির মেলা || লোকসান লাখ টাকা

আপডেট: এপ্রিল ১২, ২০২০, ১১:১০ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


পবা উপজেলার বাগধানী বসন্তপুর এলাকায় তুলির আঁচড়ে রাঙিয়ে তুলছেন শখের হাড়ি-সোনার দেশ

কাল পহেলা বৈশাখ। শেষ সময়ে ম্লান হলো বৈশাখের শখের হাড়ির মেলা। বসছেনা মেলা, আসছেনা শখের হাড়ি। এবছর বৈশাখ মাতাবে না শাখের হাড়ি। যদিও কমতি ছিলো না প্রস্তুতির। শুধু করোনা ভাইরাসের ভাটা পড়লো বৈশাখের সব আয়োজন।
গতকাল রোববার রাজশাহীর পবা উপজেলার বাগধানী বসন্তপুর এলাকার ‘ঐতিহ্যবাহী শখের হাঁড়ি’ তৈরির কারিগর সুশান্ত কুমার পাল এমনটি বলছিলেন। তিনি বলেন, এবছর বৈশাখের কোন মেলা নেই। তাই ব্যস্ততাও নেই। তবে অনেক শখের হাড়ির তৈরি করা হয়েছে। মেলা না বসায় প্রায় দুই লাখ টাকার মতো লোকসান হলো।
দেখা গেছে, বসন্তপুরের কুমোরপাড়া যেন নিস্তব্ধতা। বৈশাখী উৎসবের প্রস্তুতিকে ঘিরে ব্যস্ততা নেই তাদের মধ্যে। কারণ বৈশাখ পালন এবার হচ্ছে না আড়ম্বরে। তাই অনেকটাই অলস সময় কাটাচ্ছেন শ্লিল্পীরা।
তবে প্রতিবছরের ধারা অব্যহত রাখতে বাড়িতে কেউ কেউ তৈরি করছেন, শখের ছোট-বড় হাড়ি। যদিও অন্য বৈশাখে বাড়ির সদস্যদের যেনো দম ফেলার সময়টুকুও থাকে না। এবার তার উল্টো চিত্র দেখা যায়।
সঞ্জয় কুমার পাল বলেন, বসে থাকার চেয়ে হালকা-পাতলা কাজ করছি। এই সময় তো দম ফেলার সময় থাকে না। কিন্তু এবছর করোনার কারণে মেলা বসছে না। তাই কাজে গতি নেই। মেলার প্রস্তুতি হিসেবে অনেক জিনিসপত্র তৈরি করেছিলাম। কিন্তু শেষ মহুর্তে বন্ধ হয়ে গেলো। প্রস্তুতির পরও তারা মেলায় নিতে পারবেন না শখের হাঁড়ি।
কারুশিল্পী সঞ্জয় কুমার পাল জানান, করোনাভাইরাসের কারণে বসছে না মেলা। এবছর প্রায় আড়ায় থেকে তিন লাখ টাকা লোকসান। অনেক জিনিসপত্র তৈরি করা আছে। সেগুলো যন্ত্র করে রেখে দেব। আগামী বছরের বৈশাখে বিক্রি করা হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ