যার জার্সি চেয়ে নিয়েছিলেন মেসি

আপডেট: এপ্রিল ২৯, ২০১৭, ১২:২৪ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


মাঠের প্রতিপক্ষ থাকার দিনগুলোর মেসি ও জিদান। ফাইল ছবি

জার্সি বদল ব্যাপারটা ফুটবলে অনেক সম্মানেরই। ম্যাচে কোনো ফুটবলার দুর্দান্ত খেলছেন, ম্যাচ শেষে দেখা গেল প্রতিপক্ষই তাঁর কাছে জার্সিটা চেয়ে বসল। জার্সি নয়, আসলে একটা স্মৃতিচিহ্ন রাখা। জার্সির গায়ে তো ম্যাচ, তারিখ সবকিছু লেখাই থাকে। ক্যারিয়ার শেষে এই জার্সিগুলো দেখে কিছুক্ষণের জন্য অতীতে ডুব দেয়া।
তা বার্সেলোনার বিপক্ষে ম্যাচ হলে সাধারণত লিওনেল মেসির জার্সিটাই চান প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়েরা। মাঠে এসব ব্যাপারে কিছুটা নির্বিকার মেসির কারও কাছে জার্সি তেমন একটা চান না। পুরো ক্যারিয়ার একবারই ‘নিয়ম’টাতে ব্যতিক্রম করেছিলেন বার্সেলোনার আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড। নিজে থেকে চেয়ে নিয়েছিলেন প্রতিপক্ষ এক ফুটবলারের জার্সি। তিনি কে? চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের সর্বকালের সেরাদের একজন ও বর্তমান কোচ জিনেদিন জিদান!
ব্যাপারটা কখন ঘটেছিল, সেটি জানান নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে, সেটি ২০০৫ সালের কোনো এক এল ক্লাসিকতে। স্প্যানিশ প্রকাশনা ইনভিকটসকে মেসি বলেছেন, ‘আমি সাধারণত জার্সি বদল করার জন্য প্রতিপক্ষকে বলি না। একবারই বলেছিলাম…জিদানের কাছে জার্সি চেয়েছিলাম।’
মাঠে রিয়াল-বার্সা একসঙ্গে খেললে একটা শব্দই ঘুরেফিরে আসে-চির শত্রুতা। সেটি জয়ের তাড়না থেকেই। রেফারির শেষ বাঁশির পর বেশির ভাগই শেষ। সেটির প্রমাণ পাওয়া যাবে মেসির কথা থেকেই। মেসি যেমন জিদানের জার্সি চেয়েছিলেন, তেমনি রিয়ালেরও এক খেলোয়াড়ের কথা জানালেন মেসি, যিনি সব সময়ই তাঁর কাছে জার্সিটা চেয়ে নিতেন। এমন একজন, যিনি কিনা সুযোগ পেলেই বার্সেলোনাকে খোঁচা মারার সুযোগটা হাতছাড়া করেন না-গুতি!
মেসিই বললেন, ‘গুতি আমার কাছে এসে জার্সি চেয়েছিল। এখানে (ন্যু ক্যাম্পে) যখন খেলেছিলাম তখন, ওখানে (সান্তিয়াগো বার্নাব্যু) যখন খেলেছিলাম তখনো। দুই ম্যাচেই।’
তা জার্সির ব্যাপারে তাঁর আগ্রহটা কেমন? এখানে মেসি একটু নির্বিকারই। একটু আর্জেন্টাইন-প্রীতিও ফুটে উঠল, ‘আমি সাধারণত জার্সি চাই না। যদি আর্জেন্টাইন কেউ থাকে, তাহলে তার সঙ্গে জার্সি বদল করি। তেমন কেউ না থাকলে, যদি কেউ এসে জার্সি চায়, তাকে দিয়ে দিই। যদি কেউ না চায়, তাহলে আর তাকাই না, জার্সি চাইও না।’ সূত্র: ডেইলি মিরর,প্রথম আলো অনলাইন।