যুদ্ধ থামেনা মুক্তি থামে

আপডেট: আগস্ট ১৯, ২০২২, ১২:৪৩ পূর্বাহ্ণ

এস এম তিতুমীর:


সুরক্ষার শত প্রকল্প দহলিজ টেবিল ঘুরে অবশেষে
এসে থামে বন্দুকের নলে। বেয়োটেন কার্তুজ মাইন
মনোহরা বারুদের গন্ধ ভরা ওভাল বন্ধনে ক্ষমতাশীন
মানুষ নিয়ে খেলা করে। মানুষ উঠে মানুষ বসে
আবার মানুষ দৌড়ায় উর্ধ্বশ্বাসে। নিথর আমার চোখ
চোখের পানি। রুশ ছোটে রুশ দৌড়ে, রুশ ওড়ে
গোলা বারুদের অনলে পুড়ে মানুষ। মানুষ হাসে
মানুষ কাঁদে না ক্ষমতার দম্ভে। ইউক্রেন হাঁটে
ক্রোলিং করে, ডানা মেলে আকাশে। বেঁচে থাকার যুদ্ধ
সবাই ভালোবাসে। বাঁচার গন্ধ খুঁজে আশেপাশে

গাইতি ঘায়ে যে লিখে জীবনের মানে। যে লাঙলে লাঙলে
জীবনের শস্যদানা তুলে আনে। তার সখ্য আুমন্ত্রিত হয়
আমার ঘরে। যুদ্ধ বলে গরুগুলোর চোখে ঘুম নেই
কিষাাণের নেই বৃষ্টি-বাদল। ঝড়ের সাথে যুদ্ধ করে
বুকে বেঁধে স্বপ্ন হাজার। তাবৎ ঝঞ্ঝা মাথায় নিয়ে অবিচল
সংসারে। পাখিগুলো গান ভুলেনি। যুদ্ধের দামামা শুনেছে
অবিরাম। ফুলগুলো মরেছে। মরণের যন্ত্রণায় ডুবে
আবার নতুন প্রাণে জেগেছে। নতুন ভোরে

অস্ত্রকে তীক্ষè করতে বরাবরই ব্যস্ত মানুষ। সব প্রান্তে কেবল
ব্যস্ততা আর ব্যস্ততা। কুমোরের মৃত্তিকা প্রেম, কামারের
কঠিনে আদল দেওয়া ঘাম। তার সাথে যুদ্ধের নেই অমিল।
গড়বার ছলে আমায় তুমি ধ্বংস করো। বিলাসী জীবন বাজি ধরে
এই চাষাকে অনাহারে ধুকিয়ে মারো। আমি একটু প্রেম চেয়েছি
শান্তিবিলাস তাও সামান্য। এইতো আমার এভুটু চাওয়া। তাতেও
দেখি পা থেমে যায়, মুক্তি থামে। আকাশ ভেঙে আকাশ নামে