যুব সমাজকে কারিগরি ও আইসিটি শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে : আব্দুল জলিল

আপডেট: মে ৩০, ২০২১, ৬:০০ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:


বাংলাদেশ ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ বা জনসংখ্যাতাত্ত্বিক সুবিধার দেশ। এ সুবিধা কাজে লাগিয়ে দেশকে উন্নত দেশে পরিণত করতে হলে যুব সমাজকে কারিগরি ও আইসিটি শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তুলতে হবে। প্রশিক্ষকদের আইসিটি বিষয়ক দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল একথা বলেন।
রোববার ( ৩০ মে) সকাল ১১ টায় ঘোড়ামারাস্থ রাজশাহী যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উদ্বোধন ঘোষণা করেন জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল।
রাজশাহী যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক এ টি এম গোলাম মাহবুব এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মুহাম্মদ শরিফুল হক। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (সাধারণ শাখা) অভিজিত সরকার, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. শামসুল ইসলাম ও সানিয়া বিনতে আফজাল প্রমুখ। উক্ত প্রশিক্ষণ কোর্সের সহকারী কোর্স কো-অর্ডিনেটর হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মৎস্য প্রশিক্ষক মো. বদিউজ্জামান।
এছাড়াও প্রধান অতিথি আরও জানান, দেশের স্থিতিশীল অর্থনৈতিক উন্নয়নে দক্ষ মানবসম্পদ একান্ত প্রয়োজন। মানব সম্পদের উন্নয়নের অন্যতম উপায় হচ্ছে প্রশিক্ষণ। তাই সরকার টেকসই উন্নয়ন অর্জনের উদ্দেশ্যে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বেগবান ও পরিচালনা করার জন্য দৃঢ় অঙ্গীকার ঘোষণা করেছেন। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অধীনে রাজশাহী জেলা প্রশাসক এর কার্যালয়ের অনুকূলে বরাদ্দকৃত অর্থায়নে ১৫ দিন মেয়াদি প্রশিক্ষকদের আইসিটি বিষয়ক প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে হলে প্রশিক্ষকদের আইসিটি বিষয়ে দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে। কারণ নিত্য নতুন প্রযুক্তি আমাদের মাঝে আসছে। তাই নতুন নতুন তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পর্কে প্রশিক্ষকদের দক্ষতা বাড়াতে হবে। তাহলে প্রশিক্ষকদের পেশাগত মান উন্নয়ন হবে। ফলে তাদের মাধ্যমে দক্ষ যুব শক্তি গড়ে উঠবে। এভাবে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়তে তোলা সম্ভব হবে জানান জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মুহাম্মদ শরিফুল হক জানান, এই ট্রেনিং এর মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে যুব উন্নয়ন প্রশিক্ষকদের কারিগরি শিক্ষার পাশাপাশি আইসিটি বিষয়ে দক্ষতা অর্জন করা। এর ফলে প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ যুবশক্তি গড়ে উঠবে এবং নতুন নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হবে। এভাবে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ফলে বেকারত্বের হার কমানো সম্ভব হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ