যেভাবে খুলল বাংলাদেশ-ভারত নতুন বাণিজ্যর দুয়ার

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৪, ১১:০৮ অপরাহ্ণ


নিজস্ব প্রতিবেদক:পাকিস্তান আমলে রাজশাহীর গোদাগাড়ী আর পদ্মার ওপারের ভারতের সঙ্গে নৌ যোগাযোগ ছিল। আনা-নেওয়া হতো নানা ধরনের পণ্য। ১৯৬৫ সালে এই নৌপথ বন্ধ হয়ে যায়। এরপর কেটে গেছে ৫৯ বছর। দীর্ঘ সময় পর আবার গোদাগাড়ী দিয়ে ভার তর সঙ্গে বাংলাদেশের নৌপথ চালু হলো। সোমবার (১২ ফেব্রয়ারি) গোদাগাড়ী পৌরসভার সুলতানগঞ্জে এই পোর্ট অব কল উদ্বোধন করা হয়। এপারে সুলতানগঞ্জ আর ওপারে ভারতের সাগরদীঘি থানার ময়া পর্যন্ত নৌযান চলাচল শুরু হয়েছে।

যেভাবে খুলল আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর এ নৌপথে বাংলাদেশ থেকে পণ্যবোঝাই একটি নৌযান ভারতের মায়া নদীবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেয়। আর সেখান থেকে একটি পণ্যবোঝাই নৌযান আসে সুলতানগঞ্জে। এই নৌপথটি চালুর মধ্য দিয়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের নতুন দুয়ার খুলল। যেভাবে খুলল আপাতত শুধু পণ্য আনা-নেওয়া শুরু হলেও ভবিষ্যতে ইমিগ্রেশন চালুরও পরিকল্পনা আছে। এখানে ইমিগ্রেশন চালু হলে রাজশাহীর মানুষকে ভারতে যাতায়াত করতে আর চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ কিংবা অন্যান্য স্থলবন্দর ঘুরতে হবে না। পদ্মা পাড়ি দিয়ে সহজেই ভারতে যাওয়া যাবে। সেখানকার জঙ্গিপুর স্টেশন থেকে ট্রেনে কলকাতা যাওয়া যায়। প্রতি ঘণ্টায় ট্রেন ছেড়ে যায়। সময় লাগবে সাড়ে চার ঘণ্টা।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) সূত্রে জানা গেছে, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালে ইন্দো-বাংলাদেশ প্রটোকল রুট নিয়ে ভারতের সঙ্গে চুক্তি করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তী সময়ে এ নিয়ে তেমন কাজ হয়নি। সাম্প্রতিককালে বিআইডব্লিউটিএ ওই চুক্তি অনুযায়ী বিভিন্ন নৌপথ চালু করতে উদ্যোগী হয়। যেভাবে খুলল ইন্দো-বাংলাদেশ প্রটোকল চুক্তিতে ৫ ও ৬ নম্বর রুট হিসেবে আরিচা-রাজশাহী-সুলতানগঞ্জ-ময়া-ধুলিয়ান পর্যন্ত নৌপথ আছে। তবে পদ্মার নাব্যতা সংকটে পুরো নৌপথটি চালু করা এখন সম্ভব হচ্ছে না। তাই এই রুটের সুলতানগঞ্জ-ময়া অংশ চালু করা হলো। সুলতানগঞ্জ থেকে আড়াআড়িভাবে ময়া পর্যন্ত ১৭ কিলোমিটারে বছরের সব সময়ই পানি থাকে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রাজশাহীর পদ্মার তীরবর্তী সুলতানগঞ্জ নৌবন্দর চালু হলে এই পথে ভারতের সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য শুরু হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে এই পথে ভারত থেকে সিমেন্ট তৈরির কাঁচামাল, পাথর, মার্বেল, খনিজ বালু ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের খাদ্যসামগ্রী বাংলাদেশে আসবে। যেভাবে খুলল আর বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক, মাছ, ইট, পাট ও পাটজাত পণ্য ছাড়াও বিভিন্ন ধরনের কৃষিপণ্য ভারতে যাবে। এই পথে আমদানি-রপ্তানিতে দুই দেশেরই সময় ও খরচ কমবে। মাত্র এক ঘণ্টায় এপার থেকে ওপারে যেতে পারবে নৌযান। তাতে উপকৃত হবেন দুই দেশের ব্যবসায়ীরা।

নদীপথে বাণিজ্য ভাবনায় রাজশাহী পদ্মা নদী গুরুত্ব ছিল অনেক আগে থেকে। গঙ্গা-পদ্মা অববাহিকায় উভয় দেশের বিপুল সংখ্যক মানুষকেও সংযুক্ত করেছে। নদীপথে উভয় দেশের মানুষ পণ্য পরিবহণ খাতে বিনিয়োগ করতে পারলে তা এ অঞ্চলের মানুষের অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেই দাবি করা হয়েছিল। রাজশাহী অঞ্চলের নদীপথগুলো শত শত বছর ধরেই পণ্য পরিবহণে নদীপথকে গুরুত্ব দিয়ে এসেছে। এসব নদীপথ দিয়েই ইউরোপের বিভিন্ন দেশে রাজশাহীর পণ্য রফতানি হয়েছে।

যেভাবে খুলল বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্যের যে সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে তাতে নদীপথ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। সেটা দুই দেশের মানুষের সম্পর্ক ও স্বার্থকে রক্ষা করবে। পশ্চিবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার জলঙ্গি এবং রাজশাহীর গোড়াগাড়ীর মধ্যে পানিপথে ব্যবসা-বাণিজ্য এবং যাত্রী চলাচলের উপায়-সন্ধানের কাজ শুরু হয়েছিল ২০২১ সালে। পশ্চিমবঙ্গের কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরীর আবেদনের প্রেক্ষিতে মুর্শিদাবাদ জেলার জলঙ্গি ব্লকের কাকমারিতে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে একটি স্থলবন্দর তৈরি করার বিষয় খতিয়ে দেখতে উদ্যোগী হয়েছিল ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

২০২১ সালের ২৮ জুলাই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই মুর্শিদাবাদের সংসদ সদস্য প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীকে একটি চিঠি দেন। তাতে তিনি জানিয়েছিলেন, ‘মুর্শিদাবাদ জেলার বেকার ও দরিদ্র গ্রামবাসীদের জন্য আপনার উদ্যোগ প্রশংসনীয়। আপনার আবেদন অনুযায়ী মুর্শিদাবাদের জলঙ্গি ব্লকের কাকমারিতে ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে একটি স্থলবন্দর তৈরির বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি এবং এই বন্দরের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক ব্যবসা-বাণিজ্য এবং যাত্রী চলাচলের বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে। তারপর বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের সাথে কথা বলে এই স্থলবন্দরটি তৈরি করা কতটা কার্যকরি হবে সেই বিষয়ে আমরা সিদ্ধান্ত নেব।’’

২০২১ সালের ৩০ জুন অধীর রঞ্জন চৌধুরী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লেখেন। তাতে আর্জি জানান, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে আত্মিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে এবং সীমান্ত সংলগ্ন গ্রামের বাসিন্দাদের রোজগারের পথকে মসৃণ করতে মুর্শিদাবাদের জলঙ্গি ব্লকে একটি স্থলবন্দর তৈরি করা হোক। তার আবেদনে সাড়া দিয়ে মুর্শিদাবাদে স্থলবন্দর তৈরি করার বিষয়ে এবার কার্যত সম্মতি দেয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এই উদ্যোগ নিলে পদ্মপাড়ের রাজশাহী অঞ্চলের মানুষও এর সুবিধা ভোগ করবে। একইভাবে রাজশাহীর বেকার ও দরিদ্র মানুষ স্বাবলম্বিতা অর্জন করতে পারবে। সেক্ষেত্রে রাজশাহী প্রান্তে গোদাগাড়ীতে অনুরূপ স্থলবন্দর নির্মিত হবে। এবং দুই বন্দরের মধ্যে পণ্য পরিবহণে নদীপথ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠবে। গোদাগাড়ীতে এক সময় স্থলবন্দর ছিল। সেখানে নতুন করে অবকাঠামো তৈরিতে কোনো সমস্যা হবে না।

জানা যায়, ব্রিটিশকালে গোদাগাড়ী উপজেলার মাদারপুর বারুইপাড়ায় (রেলবাজার) নৌবন্দর ছিল। এখনো সেটি রেলবাজার হিসেবে পরিচিত। এই রেলবাজার থেকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার জলঙ্গির মধ্যে নৌপথে জাহাজ ও কার্গো চলাচল করত। রেলবাজার বন্দরে ভারত থেকে আনা পণ্য ট্রেনযোগে বাংলাদশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন এলাকায় পরিবাহিত হতো। একইভাবে বাংলাদেশ থেকে নেয়া পণ্য মুর্শিদাবাদের জলঙ্গি স্থলবন্দর থেকে সে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পরিবহণ হতো। কিন্তু পাক-ভারত বিভক্তির মুহূর্তে ১৯৪৭ সালে উভয় দেশের স্থলবন্দর বন্ধ হয়েছে। একই সাথে দুই দেশের মধ্যেকার গুরুত্বপূর্ণ পানিপথের যোগাযোগ ব্যবস্থারও সমাপ্তি ঘটে।

যেভাবে খুলল পানিপথে পদ্মা নদীর সংযোগস্থল গোদাগাড়ীর সুলতানগঞ্জ এলাকা দিয়ে সরাসরি পশ্চিমবঙ্গের জলঙ্গি পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। গোদাগাড়ী মাটিকাটা থেকে সুলতানগঞ্জ পর্যন্ত স্থলবন্দর গড়ে উঠেছিল। ১৯৪৭ সালে স্থলবন্দরের কার্যক্রম বন্ধ হলেও বন্দরটির অবকাঠামো ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত বহাল ছিল। এরপর পদ্মা নদীর ভাঙনে বন্দরটির ঘাট বিলীন হয়ে যায়। ওই সময় রেলবাজারের রেলস্টেশনটি বন্ধ হয়ে যায়। এই রেললাইন আমনুরার সাথে সংযুক্ত ছিল। রেলপথ থেকে রেললাইন তুলে নেয়া হলেও পথের চিহ্ন আজও থেকে গেছে।

২০১৬ সালে ভারত পাস করে ন্যাশনাল ওয়াটারওয়েজ অ্যাক্ট। তখন থেকেই তারা ন্যাশনাল ওয়াটারওয়েজ-১ এবং ন্যাশনাল ওয়াটারওয়েজ-২ হিসেবে গঙ্গা এবং ব্রহ্মপুত্র নদে সক্রিয়ভাবে উন্নয়নকাজ করেছে। নৌযোগাযোগ নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে নতুন আরও কমপক্ষে ১০০ নৌপথ।

বাংলাদেশে মোট যাত্রীর প্রায় এক চতুর্থাংশ চলাচল করেন নদীপথে। আর কার্গোর শতকরা ৮০ ভাগ চলে নৌপথে। এখানে অভ্যন্তরীণ ৯০০ কিলোমিটার নৌপথের উন্নয়ন কাজ করা হচ্ছে। এখন দুই দেশই বহু বিনিয়োগ ইস্টার্ন ওয়াটারওয়েজ গ্রিডে যুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে তাদের নদীগুলোকে আন্তঃসংযোগ দেয়া হবে। তারপর সেগুলোকে সড়ক ও রেলের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। পূর্বাঞ্চলীয় উপমহাদেশের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করার যথেষ্ট উপযোগিতা আছে এই গ্রিডের। এটা এ অঞ্চলের ৬০ কোটি মানুষকে লাভবান করবে।

যেভাবে খুলল ইন্দো-বাংলাদেশ প্রটোকল রুটস (আইবিপি)-এর বিদ্যমান নেটওয়ার্কের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠছে এই গ্রিড। আইবিপি হলো সিরিজ নৌপথ, যাকে উভয় দেশই ট্রানজিট রুট বা একে অন্যের সঙ্গে বাণিজ্যের জন্য ব্যবহার করতে পারে। বর্তমানে ইন্দো-বাংলাদেশ প্রটোকল ফর ইনল্যান্ড ওয়াটার ট্রানজিট অ্যান্ড ট্রেডের অধীনে ১০টি আইবিপি রুট নির্ধারণ করা হয়েছে। দীর্ঘদিনের এই প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়েছে প্রথম ১৯৭২ সালে। তা ২০১৫ সালে সর্বশেষ নবায়ন করা হয়েছে।

যেভাবে খুলল সুলতানগঞ্জ নৌঘাটটি রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ মহাসড়ক থেকে মাত্র এক কিলোমিটার ভেতরে পদ্মা-মহানন্দার মোহনায় অবস্থিত। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গের ময়া নৌঘাটটি মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুর মহকুমা শহরের কাছে ভারতীয় ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কের সঙ্গে যুক্ত। ফলে সুলতানগঞ্জ-ময়া পথে নৌবাণিজ্যে পরিবহন খরচ কমবে।

নৌপথটি চালু করতে কয়েক বছর ধরে চেষ্টা করে আসছিলেন রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র খায়রুজ্জামান লিটন। ২০২০ সালের অক্টোবরেই সুলতানগঞ্জ-ময়া নৌপথটি চালু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে এর কাজ পিছিয়ে যায়। এখন এপারে একটি পন্টুন করে নৌযান চালানো শুরু করা হলো। এই পথ দিয়ে মানুষের যাতায়াতের জন্য ইমিগ্রেশন চালুরও পরিকল্পনা আছে। এ জন্য সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে। ইমিগ্রেশন বিভাগও ইতিবাচক এ ব্যাপারে।

যেভাবে খুলল গেল সিটি নির্বাচনে তার ইশতেহারে সুলতানগঞ্জ থেকে ভারতের ময়া পর্যন্ত নৌরুট চালু করবেন। এবার তিনি ইশতেহার বাস্তবায়ন করবেন। বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যের সুলতানগঞ্জ-ময়া নৌরুট চালুর বিষয়ে গত কয়েক বছর ধরে চেষ্টা করে আসছেন রাজশাহী সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। তিনি মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন যায়গায় ঘুরেছেন। নৌবন্দর চালুর করার জন্য ভারত সফরও করেছেন।

এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, ভারতের মুর্শিদাবাদের ধূলিয়ান থেকে গোদাগাড়ীর সুলতানগঞ্জ, রাজশাহী, পাকশী হয়ে আড়িচাঘাট পর্যন্ত এই নৌরুটটি। দীর্ঘদিন এটির ব্যাপারে কোন উদ্যোগ ছিল না। আমি গত পাঁচ বছর আগে থেকে বিভিন্ন জায়গায় যাওয়া, লেখা-লেখি বা ডিও লেটার দেওয়ার কাজ করেছি। এর ফলে এটা গতিশীল হয়েছে। ভারত-বাংলাদেশ উভয়পক্ষ-বিশেষ করে ভারত নৌপথে বাণিজ্য করতে আগ্রহী। বাংলাদেশ হয়ে ভারতের উত্তরপূর্ব সীমান্তের সাতটি প্রদেশ আছে। সেগুলোতে সুলভে মালামাল পৌঁছে দিতে তারা নৌপথে বাণিজ্য করতে চায়।

তিনি আরও বলেন, পর্যায়ক্রমে নদীর নাব্যতা ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে বৃদ্ধি করা হবে। যেটির খুব অল্প সময়ের মধ্যে কাজ শুরু হবে। নদী ড্রেজিং হচ্ছে আরিচাতেও। আরিচা থেকে উত্তরে বঙ্গপুত্র নদী হয়ে আসামের নৌবন্দরে মালামাল নিয়ে যেতে পারবে। সুলতানগঞ্জ-ময়া নৌপথটি খুবই সম্ভাবনাময় একটি বাণিজ্য পথ। এই পথে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য শুরু হলে বাংলাদেশ ও ভারত উভয় দেশই বিপুলভাবে লাভবান হবেন তিনি আশাবাদী। বেকার যুবকদের কর্মসংস্থান হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ

Exit mobile version