যে কারণে নির্বাচনে যাবে ন্যাশনাল পিপলস পার্টি

আপডেট: নভেম্বর ২৪, ২০২৩, ৫:২৫ অপরাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক :


ন্যাশনাল পিপলস পার্টি (এনপিপি) দলের পরিচিতি ও ভোটের পার্সেন্টেজ বাড়াতেই নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এনপিপির শীর্ষ নেতারা এই অভিমত ব্যক্ত করে বলেন ,এ ছাড়া নির্বাচন নিয়ে বড় প্রত্যাশা নেই। সাবেক জাতীয় পার্টির নেতা শওকত হোসেন নিলুর নেতৃত্বে ২০০৭ সালে প্রতিষ্ঠিত এই দলটি ‘আম’ প্রতীক নিয়ে নিবন্ধন লাভ করে ২০০৮ সালে। এরপর ২০০৮ ও ২০১৮ নির্বাচনে অংশ নিয়েও কোনো আসনে জয় পাওয়া যায়নি।

তবে ২০১২ সালে বিএনপির সঙ্গে ২০ দলীয় জোটে যুক্ত থাকায় দলটি ২০১৪ সালে ভোটে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকে । ২০১৮ সালে জোট থেকে বেরিয়ে নির্বাচনে অংশ নেয় এনপিপি।

জাতীয় সংসদে যেতে না পারলেও ভোটার সংখ্যা এবং দলের কার্যকলাপ বেড়েছেÑ এমনি দাবি করছেন দলটির শীর্ষ নেতারা। আগামীতে তাদের জনসমর্থন আরো বাড়বে বলেও তাদের প্রত্যাশা। নেতারা বলছেন, দেশের বাস্তবতায় প্রধান দুই দল আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির বাইরে অন্য দলের জনপ্রিয়তা কম। তাই দলের কার্যক্রম ও পরিচিতি বাড়াতে নিয়মিত নির্বাচনের মাঠে থাকা প্রয়োজন।

নির্বাচন কমিশনের সূত্রমতে, ২০০৮ সালের ৯ম জাতীয় নির্বাচনে এনপিপি ৩৩টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ১০ হাজার ৩৪৮টি ভোট পেয়েছিল, যা মোট ভোটের ০.০১ শতাংশ মাত্র।
এরপর ২০১৩ সালের নির্বাচনে দলটি ৮৩টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল। এ ক্ষেত্রেও একটিতেও জয় মেলেনি। তবে ভোটের সংখ্যা বেড়েছে। দলটি ৩৬ হাজার ৬১১টি ভোট পায়, যা মোট ভোটের শূন্য ০.০৪ শতাংশ।

আগামী ৭ জানুয়ারির নির্বাচনেও অংশ নেবে দলটি। দলের বর্তমান চেয়ারম্যান শেখ ছালাউদ্দিন সালু জানিয়েছেন এবারে ২৫০টি আসনে প্রার্থী দিবে। তবে নির্বাচন নিয়ে নানা শঙ্কার কথাও তিনি বলেন।

শেখ ছালাউদ্দিন সালু বলেন, নির্বাচনের জন্য ভালো প্রস্তুতি আছে। তাদের ৩৫২ টির মতো মনোনয়ন ফরম বিক্রি হয়েছে। শনিবারের মধ্যে আমরা ফাইনাল করবে। ৩০০ আসনে হয়তো সম্ভব হবে না, তবে শেষ পর্যন্ত তবে ২৫০ থেকে ২৬০টি আসনে প্রার্থী দেয়া সম্ভব হবে বলে তিনি জানান।

এনপিপি বড় হচ্ছে জানিয়ে ছালাউদ্দিন সালু বলেন, দেশের ভোটাররা মোটা দাগে দু’ভাগে বিভক্ত-আওয়ামী লীগ না হলে বিএনপি। আরো কিছু দল আছে যাদের ভোটার রয়েছে। সে হিসেবে এনপিপি প্রথম দাঁড়িয়েছিল ৩৩টিতে, পরের নির্বাচনে ৮৩টি আসনে। প্রতিটি জেলায় কমিটি আছে। দেখা যাক কী হয়।
তথ্যসূত্র: বাংলাট্রিবিউন