রংপুরকে হারিয়ে চারে উঠে এলো রাজশাহী

আপডেট: নভেম্বর ২৮, ২০১৬, ১১:৫৪ অপরাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক



আগে ব্যাট করে ১২৮ রান করেও রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ৪৯ রানের জয় পেয়েছে রাজশাহী কিংস। দুরন্ত বোলিংয়ে ১৭.৪ ওভারে ৭৯ রানে রংপুরকে অলআউট করে ড্যারেন স্যামির দল। ৯ ম্যাচে পঞ্চম জয় দিয়ে উজ্জ্বল হলো রাজশাহীর শেষ চারে খেলার সম্ভাবনা। এই মহূর্তে তারা ১০ পয়েন্ট নিয়ে রয়েছে তালিকার চতুর্থ স্থানে। পঞ্চম স্থানে থাকা রংপুরেরও পয়েন্ট ১০, তবে তারা পিছিয়ে আছে নেট রানরেটে।
রাজশাহীর ব্যাটিং ইনিংসের সূচনায় যা হয়েছিল, তার পুনরাবৃত্তি হলো রংপুরের ইনিংসেও। গত ম্যাচে জ্বলে উঠেছিল সৌম্য সরকারের ব্যাট। গতকাল সোমবার জ্বলার আগেই নিভে যায় তার ব্যাট। মিরাজের বলে ১ রানে স্টাম্পড হন তিনি। তার উদ্বোধনী সঙ্গী মোহাম্মদ শাহজাদ কিছুক্ষণ পরেই ফেরেন সাজঘরে। ১২ রান করা শাহজাদ পাকিস্তানি পেসার সামিকে তুলে মারতে গিয়ে টাইমিংয়ের হেরফেরে বল তুলে দেন মিডঅফে। ড্যারেন স্যামি ক্যাচ ধরতে ভুল করেন নি।
এরপর তিন বিদেশি খেলোয়াড় নাসির জামশেদ, লিয়াম ডসন ও শহীদ আফ্রিদি বিদায় নেন যথাক্রমে ১, ২, ও ৭ রানে। ১০ রানে তিন বিদেশিকে হারানোর ক্ষত শুকাতে না শুকাতেই সামিত প্যাটেলের বলে কট বিহাইন্ড হন দেখেশুনে  খেলা মোহাম্মদ মিথুন। তার ২১ বলে ২০ রানই ছিল রংপুরের সর্বাধিক সংগ্রহ। স্কোরবোর্ডে রংপুরের সংগ্রহ তখন ৫০/৬।
রাজশাহীর হাল ধরেছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ ও ফরহাদ রেজা। কঠিন মুহূর্তে রংপুরের কেউ ত্রাতার ভূমিকায় আবির্ভূত হতে পারলেন না। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তারা পিছিয়ে পড়তে থাকে। বাড়তে থাকে ওভার প্রতি রানের চাহিদা। এ অবস্থায় অসহায় আত্মসমর্পণ করেন  জিয়াউর রহমান (৫), সোহাগ গাজী (৮), আরাফাত সানি (৯)  ও মুক্তার আলি (৫)। হারটা নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল আগেই, ১৭.৪ ওভারে সম্পূর্ণ হলো রাজশাহীর অনন্য জয়টি। স্পিনার নাজমুল হোসেন অপু ও পেসার আবুল হাসান দুজনেই নেন তিনটি করে উইকেট। অপু খরচ করেন মাত্র ৮ রান, আর আবুল হাসানের খরচ হয় ১১ রান।-বাংলা ট্রিবিউন