রপ্তানি ও রেমিটেন্স নিয়ে দুর্ভবনা রপ্তানি খাতের প্রবৃদ্ধি বাড়াতে হবে

আপডেট: অক্টোবর ৪, ২০২২, ১২:৪৫ পূর্বাহ্ণ

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের নেতিবাচক প্রভাব বাংলাদেশের অর্থনীতিতে স্পষ্ট হয়ে আসছে। দেশের অর্থনীতির জন্য এটা উদ্বেগজনক বটে। বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সবগুলো খাতেই মন্দার প্রভাব লক্ষ করা যাচ্ছে। সংবাদ মাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী রপ্তানি ও রেমিটেন্সে নেতিবাচক প্রভাব অর্থনীতির জন্য ভাবনার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পোশাক শিল্পেও এর প্রভাব পড়েছে। কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হচ্ছে, ইউরোপিয় দেশগুলোও এখন অর্থনৈতিক মন্দার মধ্যে পড়েছে। ফলে বাংলাদেশের রপ্তনি পণ্যের চাহিদা কমেছে। বাংলাদেশে এর প্রভাব পড়াই স্বাভাবিক।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে সংবাদ মাধ্যমের তথ্যে বলা হচ্ছে- সদ্য বিদায়ী সেপ্টেম্বর মাসে ১৫৪ কোটি ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে দেশে। প্রতি ডলার ১০৩ টাকা ৫০ পয়সা হিসাবে বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা। গত ৭ মাসের মধ্যে এটিই প্রবাসীদের পাঠানো সর্বনি¤œ রেমিট্যান্স। তবে চলতি সেপ্টেম্বরের প্রথম সপ্তাহের গড়ে যেভাবে রেমিট্যান্স এসেছিল সে তুলনায় দ্বিতীয়, তৃতীয় এবং চতুর্থ সপ্তাহে কিছুটা কমে গেছে। এ কারণে পুরো মাসেই কমেছে রেমিট্যান্স।
উঠে এসেছে।
ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ ও গ্যাস সংকটে রপ্তানি আয়ে খারাপ সময় পার করছেন উদ্যোক্তারা। সদ্য সমাপ্ত সেপ্টেম্বর মাসে বিভিন্ন দেশে ৩৯০ কোটি ৫০ লাখ ডলার পণ্য রপ্তানি করেছেন উদ্যোক্তারা।
এই আয় গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ৬ দশমিক ২৫ শতাংশ কম। আর নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৭ দশমিক শূন্য ২ শতাংশ কম। সেপ্টেম্বরে পণ্য রপ্তানি থেকে ৪ দশমিক ২০ বিলিয়ন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল সরকারের।
সন্দেহ নেই একটা মন্দা সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তদুপরি সরকার কর্তৃক বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়ার ফলে পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয়েছে। উদ্ভুত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার নানা কৌশলে নিয়ে এগোচ্ছে। বিশ্ব মন্দা পরিস্থিতি অচিরেই কেটে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে অর্থনীতি আবারো স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে পাবে। তবে এসব মন্দা ইতিবাচক কিচু ধারণাও সৃষ্টি করে। দেশের রপ্তানি খাত সম্প্রসারণের উপায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় এসেছে। নতুন নতুন বাজার সৃষ্টি করা, অপ্রচলিত পণের রপ্তানি বৃদ্ধির বিষয়গুলোও আমলে নেয়ার সময় এসেছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ