রমজানে স্বাভাবিক ছিল সবজি, মাছ, ডাল ও মসলার দাম

আপডেট: জুন ২৫, ২০১৭, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


রমজান মাসে নগরীর বাজারগুলোতে সবজি, মাছ, ডাল ও মসলার দাম স্বাভাবিক ছিল। এবছর রমজান মাসে এসব খাদ্যদ্রব্যের আমদানি পর্যাপ্ত ছিল বাজারে। ব্যবসায়ীদের তথ্য মতে, গত বছরের তুলনায় এবছর সবজি, মাছ, মুরগি, ডাল ও মসলার দাম ক্রেতাদের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে ছিল। তবে সবজির দাম গত রমজানের তুলনায় এবার কম দামে বিক্রি হয় বাজারে। সবজির পর্যাপ্ত আমদানি রয়েছে বাজারে। তবে রমজানের শেষ মুহুর্তে ঈদ উপলক্ষে মসলার বাজারে ক্রেতার চাহিদা বেড়েছে।
এদিকে মাছ ব্যবসায়ীদের মতে, রমজানের শেষে বাজারে মাছের আমদানি কম হওয়ায় বেশি দামে বিক্রি হয় মাছ। রমজানের শুরুতে সব ধরনের মাছের দাম কম থাকলেও শেষের দিকে মাছের দাম প্রতিকেজি ২০ থেকে ৩০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হয়।
গতকাল শুক্রবার সাহেববাজার এলাকার ব্যবসায়ী অরুণ খান জানান, বাজারে প্রতিকেজি আলু ১২ থেকে ১৬ টাকা, পেঁপে ১৩ থেকে ১৫ টাকা, টমেটো ৮০ থেকে ১০০ টাকা, পটল ৮ থেকে ১০ টাকা, ঝিঙ্গা ১৫ টাকা, ঠেঁরস ১৫ থেকে ২০ টাকা, বেগুন ২০ থেকে ৪০ টাকা, বরবটি ২৫ থেকে ৩০ টাকা, করল্লা ৩০ থেকে ৬০ টাকা, প্রতি হালি লেবু ১২ থেকে ২০ টাকা, প্রতিকেজি মিষ্টি কুমড়া ২০ টাকা, গাঁজর ৬০ থেকে ১২০ টাকা, শসা ২৫ থেকে ৩০ টাকা ও প্রতি পিস লাউ ১০ থেকে ১২ টাকা, কাঁকরোল ৩০ টাকা ও চিচিঙ্গা ১০ থেকে ১৫ টাকায় বিক্রি হয়।
এছাড়া বাজারে প্রতিকেজি মরিচ ৮০ থেকে ১০০ টাকা, পিঁয়াজ ২০ থেকে ২৫ টাকা, আদা ৮০ থেকে ১২০ টাকা ও রসুন ১০০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হয়।
এছাড়া সাহেববাজার এলাকাল মুদির দোকান ব্যবসায়ী মো. রুম্মান বলেন, ডালের মধ্যে বাজারে দেশি বুটের ডাউল ১১৫ থেকে ১২০ টাকা ও অস্ট্রোলিয়ান ৯৫ থেকে ১০০ টাকা, দেশি মশুরের ডাউল ১০৫ থেকে ১১০ টাকা, খেসারির ডাউল ৬৮ থেকে ৭০ টাকা, সোনা মুগের ডাউল ১২০ থেকে ১৩০ টাকা, বুট/ছোলা ৮০ থেকে ৮৫ টাকা, মটর ৩৮ থেকে ৪০ টাকা, কালাইয়ের ডাউল ১০৫ থেকে ১১০ টাকায় বিক্রি হয়। এদিকে প্রতিকেজি চিনি ৬৭ থেকে ৬৮ টাকা, কিসমিস ৩৫০ থেকে ৩৮০ টাকা, বাদাম ও খুরমা ১২০ থেকে ১৩০ টাকা, খোলা সোয়াবিল তৈল ৮৪ থেকে ৮৫ টাকা ও ৫ লিটার সোয়াবিন বোতল ৫০০ থেকে ৫১৫ টাকা, খোলা সরিষার তৈল ১১০ থেকে ১২০ টাকা এবং মসলার মধ্যে দারুচিনি ২৮০ থেকে ৩০০ টাকা, এলার্চ ১৪শ থেকে ১৬শ টাকা, লং ১২শ থেকে ১৪শ টাকা, তেজপাতা ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, জিরা ৩৮০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হয়।
নগরীর সাহেববাজার মাছ আড়তের মাছ ব্যবসায়ী মমিন জানান, প্রতিকেজি রুই মাছ ২৬০ থেকে ৩০০ টাকা, কাতল মাছ ২৮০ থেকে ৩৪০ টাকা, গ্লাসকাপ ১৮০ থেকে ২২০ টাকা, তেলাপিয়া মাছ ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা, মিরকা মাছ ১৫০ থেকে ১৮০, জাপানি ১৪০ থেকে ১৮০ টাকা বিক্রি হয়।
এদিকে নদীর প্রতিকেজি কাটা পাতাসি ও বাঁশপাতা এক হাজার টাকা, পবা ৬০০ টাকা, বাইম ও আইড় ৬০০ থেকে ৮০০, জিওল ও বোয়াল ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, মাগুর ও টেংরা ৬০০ টাকা, ইলিশ মাছ এক হাজার থেকে ১২শ টাকা, চিংড়ি ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা ও ময়া মাছ ৪০০ থেকে ৪৮০ টাকা, মহলা মাছ ৪০০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হয়।
এদিকে গরুর গোশত বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, প্রতিকেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৪৮০ থেকে ৪৯০ টাকা এবং খাশির গোশত ৭০০ টাকায় বিক্রি হয়। এদিকে বাজারে সোনালি মুরগি ২০০ টাকা, ব্রয়লার মুরগি ১৪৫ ে থকে ১৫০ টাকা, দেশি মুরগি ৩৪০ থেকে ৩৫০ টাকা, কর্ক মুরগি ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হয়। এছাড়া প্রতিহালি মুরগির ডিম ১৮ থেকে ২৪ টাকায় বিক্রি হয়।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ