রাউধার হত্যা মামলা সিআইডিতে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া

আপডেট: এপ্রিল ১৪, ২০১৭, ১:০৭ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


রাজশাহীতে মালদ্বীপের মডেলকন্যা রাউধা আথিফের মৃত্যুর ঘটনায় পিতার দায়ের করা হত্যামামলা তদন্ত করবে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ। গতকাল পুলিশ সদর দফতরেরর নির্দেশনা অনুযায়ী শাহ মখদুম থানা থেকে রাজশাহী সিআেইডিতে মামলাটি হস্তান্তর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। রাজশাহী সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার নাজমুল করিম খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নাজমুল করিম খান বলেন, রাজশাহী সিআইডির পরিদর্শক আসমাউল হককে মামলাটির তদন্তভার দেওয়া হয়েছে। আসমাউল হক মামলার কাগজপত্র বুঝে নিতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে গতকাল বৃহস্পতিবার যোগাযোগ করেছেন। নাজমুল করিম বলেন, আরও আগে মামলার তদন্তভার পেলে সুবিধা হতো। তবে আমরা ইতোমধ্যে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনসহ মামলা সংশ্লিষ্ট তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করেছি। এখন পর্যন্ত এটি হত্যাকাণ্ডের মতো কোনো আলামত আমরা পাইনি। আত্মহত্যা হলেও কেউ প্ররোচিত করেছে কিনা, কারও সংশ্লিষ্টতা আছে কিনা সেগুলো আমরা খতিয়ে দেখবো। হত্যাকাণ্ডের মতো কোনো আলামত পাওয়া যায় কিনা তাও আমরা দেখবো। এখনই সরাসরি কোনো সিদ্ধান্তে আমরা পৌছাতে চাই না। তদন্ত শেষেই তা বলা যাবে। তিনি বলেন, রাউধা একজন জনপ্রিয় মডেল ছিলেন। তার মৃত্যুর সঙ্গে বাংলাদেশর ভাবমূর্তি জড়িত। তাই আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মামলটি তদন্ত করবো।
গত সোমবার রাজশাহী মূখ্য মহানগর হাকিম আদালতে উপস্থিত হয়ে রাউধার বাবা মৃত্যুর ঘটনায় হত্যামামলার আবেদন জানান। আদালতের বিচারক সাইফুল ইসলাম আবেদনটিকে এজহার হিসেবে গ্রহণ করে তদন্তের জন্য রাজশাহী নগরের শাহ মখদুম থানা পুলিশকে নির্দেশ দেন। গত মঙ্গলবার বিকেলে আদালতের নির্দেশনা পেয়ে শাহ মখদুম থানা পুলিশ সেটিকে হত্যামালা হিসেব গ্রহণ করেন। মামলায় রাউধার সহপাঠী সিরাত পারভীন মাহমুদকে একমাত্র আসামি করা হয়েছে।
গত ২৯ মার্চ রাজশাহীর ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজের ছাত্রী হোস্টেলের ২০৯ নম্বর কক্ষ থেকে রাউধার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ওই দিন রাতে নগরের শাহ মখদুম থানায় কলেজ কর্তৃপক্ষ একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করে। বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে নগর গোয়েন্দা পুলিশ।
রাজশাহী সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার নাজমুল করিম খান জানান, দুটি মামলাই আমরা তদন্ত করবো। এজন্য রাউধার ব্যবহৃত মুঠোফোন, ল্যাপটপ সবকিছু পরীক্ষা করার জন্য আমরা সেগুলো সিআইডির ফরেনসিক ল্যাবে পাঠাবো।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ