রাজশাহীতে আমের কেজি ১৫ টাকা

আপডেট: জুন ১৩, ২০২১, ১১:০৫ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:


গোপালভোগ আম শেষ পর্যায়ে। বাজারে মিলছে ল্যাংড়া, খিরশাপতি, লক্ষণভোগ ও রাণীপছন্দ আম। তবে ক্রেতার অভাবে দাম কমেছে বলেছে জানিয়েছেন চাষী ও ব্যবসায়ীরা। হাটটিতে রোববার (১৩ জুন) ল্যাংড়া আম বিক্রি হয়েছে প্রতিমণ ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা। খিরশাপাতি ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৯০০ টাকা মণ দরে। এছাড়া লক্ষণভোগ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা মণ।
এছাড়া রাজশাহীর সাহেববাজারে আম বিক্রেতা সুমন হোসেন জানান, প্রতিকেজি খিরশাপাতি আম বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, ল্যাংড়া আম ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, লক্ষণভোগ ২০ থেকে ২৫ টাকা ও রাণীপছন্দ ২৫ থেকে ৩০ টাকা, গুটি জাতের আম ১৫ থেকে ২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
আম ব্যবসায়ী ও চাষিদের দাবি, বাইরের ব্যবসায়ীরা আসতে পারছেন না লকডাউন ও করোনায় সংক্রমণের ভয়ে। এমন অবস্থায় প্রতিদিনই লোকসান হচ্ছে তাদের। অন্যদিকে, বিভিন্ন আমের দামে মণপ্রতি ১৫০ থেকে ২০০ টাকা কমেছে।
সবুজ ইসলাম নামের একজন চাষী জানান- আম বিক্রি না করে উপায় নেই। আমে পরিপক্কতা এসেছে, গাছে থাকলেও পেকে পড়ে যাচ্ছে। নামিয়ে বিক্রি করতে হচ্ছে।
পবার কুখু-ী এলাকার বাসিন্দা ইসমাইল হোসেন জানান, আমের দাম কম। কিন্তু তিন থেকে চার দিনের তুলনায় দাম কমেছে। বাজারে ল্যাংড়া আম বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা মণ।
আড়ৎদার মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘এবার তেমন পাইকার নামছেন না। লকডাউন ও করোনায় আক্রান্তের ভয়ে অনেকেই আসছেন না। এ কারণে আমের দাম অনেকটা কম। এই সময়ে আমের দাম প্রতিদিন মণে কমপক্ষে ১০০ থেকে ২০০ টাকা করে বাড়ার কথা, সেখানে কমেছে।
পাইকারী ব্যবসায়ী মহিরুল ইসলাম বলেন, ‘গতবার করোনা থাকলেও আমের দাম কম ছিল না। ঢাকা বা চট্টগ্রামের আড়তেও ৭০-৮০ টাকার ওপরে আম বিক্রি করা যাচ্ছে না। কিন্তু অন্যবার এই সমেয় গোপালভোগ, হিমসাগর বা ল্যাংড়া ৮০-১০০ টাকা কিনতে হয়েছে বাজার বা বাগান থেকেই।
বানেশ্বর হাটের ইজারাদার ওসমান আলী জানান, বাজারে আম ভালো আছে। তমে ক্রেতা কম। তার পরেও প্রতিদিন ৬ থেকে ৭টি ট্রাক ভর্তি আম দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নিয়ে যাচ্ছে ব্যবসায়ীরা। তবে সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আরও বাড়তো আম পরিবহণ।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ