রাজশাহীতে চালসহ নিত্যপণ্যের যথেষ্ট পরিমাণ মজুত রয়েছে || জরুরি সভায় তথ্য

আপডেট: মার্চ ২১, ২০২০, ১২:৪১ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে জরুরি সভায় কমিশনারসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাবৃন্দ-সোনার দেশ

খাদ্যসহ নিত্যপণ্যের মূল্য, মজুত ও সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার হুমায়ুন কবির খোন্দকার এর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন, উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক একেএম হাফিজ আক্তার, পুলিশ কমিশনার হুমায়ুন কবির, জেলা প্রশাসক হামিদুল হক, আঞ্চলিক তথ্য অফিস রাজশাহীর উপপ্রধান তথ্য অফিসার আফরাজুর রহমান, চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সিনিয়র সহ-সভাপতি মাসুদুর রহমান রিংকুসহ বিভাগের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী নেতারা।
সভায় বিশ^ব্যাপি করোনাভাইরাসের কারণে আতঙ্ক সৃষ্টি হওয়ায় দেশে অহেতুক নিত্য পণ্যের দাম যেন বৃদ্ধি না পায়, ব্যবসায়ীরা যেন অতিরিক্ত পণ্যের মজুত গড়ে না তোলেন এবং জনগণের মাঝে যেন অতিরিক্ত পণ্য ক্রয়ের প্রবণতা তৈরি না হয়- এসব বিষয়ে আলোচনা করা হয়। এ বিষয়ে সরকারি কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী নেতাদের করণীয় বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সভায় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। বিভাগে বর্তমানে ৩ লাখ ৭৫ হাজার মেট্রিক টন খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে কেউ মজুতদারি করলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। কেউ যদি অতিরিক্ত মজুত করেন অথবা পণ্যের অতিরিক্ত মূল্য ধার্য করেন তাহলে আমরা কঠোর হব। তবে ব্যবসায়ীদের প্রতি জ্ঞাতসারে কোনো অন্যায় করা হবে না।
তিনি আরো বলেন, জেলা এবং উপজেলা পর্যায়ে এ বিষয়ে মনিটরিং টিম গঠন ও কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে জেলা প্রশাসকসহ মনিটরিং টিমের সাথে যোগাযোগ করা যাবে। বিভাগীয় কমিশনার নিত্যপণ্যের কোনো মজুতদারি না করার জন্য ব্যবসায়ী নেতাদের অনুরোধ করে বলেন, সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ পরিস্থিতি উত্তরণ করতে আমরা সক্ষম হবো। তিনি জনগণকে অতিরিক্ত পণ্য ক্রয় থেকে বিরত থাকার অনুরোধ জানান।
এ সময় ব্যবসায়ী নেতারা আশ^স্ত করেন যে, রাজশাহীতে চালসহ নিত্যপণ্যের যথেষ্ট পরিমাণ মজুত রয়েছে। আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত কেনার কোন দরকার নেই।