রাজশাহীতে জাতীয় কবির জন্মবার্ষিকী উদযাপিত

আপডেট: মে ২৬, ২০২২, ১২:৫৭ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:


রাজাশাহীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে জাতীয় কবি নজরুল ইসলামের ১২৩ তম জন্মবার্ষিকী ও বিদ্রোহী কবিতার শতবর্ষ পূর্তি উদযাপন করা হয়েছে। দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে বুধবার (২৫ মে) নগরীতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান র‌্যালি, আলোচনা সভা, কেক কাটা ও সাংস্কৃতিক কর্মসূচি পালন করে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জাগরণী স্বতন্ত্র সাহিত্যের পুরোধা জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। যিনি গতানুগতিক সাহিত্য ধারায় গা ভাসান নি। স্বতন্ত্র সাহিত্য চেতনাকে তিনি প্রতিষ্ঠিত করেছেন। অন্যায়-অনিয়ম, শোষণ-নিপিড়নের বিরুদ্ধে সোচ্চার থেকেছেন। রচনা করেছেন বিদ্রোহী কবিতার মতো সাহিত্য কর্ম। তার এই চেতনাকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে ছড়িয়ে দেয়ার আহ্বান জানান বক্তারা।

রাজশাহী কলেজ :
দিবসটি উপলক্ষে রাজশাহী কলেজের বাংলা বিভাগের আয়োজনে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে রাজশাহী কলেজ অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোহা. আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে প্রধান আলোচক রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক কবি ও গবেষক ড. অনীক মাহমুদ বলেন, নজরুল ইসলাম তার সমকালে বাংলা সাহিত্যের যে স্রোতধারা সেখানে তিনি সামিল হন নি। মানবপ্রত্যয়ই ছিলো নজরুল সাহিত্যের মূলবাণী।

বাংলা সাহিত্যে প্রথম সৈনিক কবি, অর্শ্বরোহী কবি ছিলেন মধ্যযুগের কবি আলাউল এবং দ্বিতীয় সৈনিক কবি হচ্ছেন আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। আড়াই বছর তিনি সৈনিক বৃত্তি গ্রহণ করেছিলেন করাচিতে। ৪৯ নম্বর বাঙালি ফ্রন্টে যুদ্ধ করেছেন। এই সৈনিক কবি যখন দেখলেন, এ দেশের মুক্তি ও স্বাধীনতা অর্জন করতে গেলে আমাদের ফিরে দাঁড়াতে হবে, জাতিকে জাগ্রত করতে হবে, সে জাগ্রত করার পথ তিনি গ্রহণ করেছিলেন এবং জেল-জরিমানা হলেও তিনি পিছ পান হয় নি। নিজ আদর্শকে কখনোই খাটো করে দেখেন নি নজরুল।

তিনি বলেন, চরকা আন্দোলনে সুতা কাটার মাধ্যমে এদেশের মানুষকে নিয়ে আসা যাবে বলে মনে করেছিলেন মহাত্মা গান্ধী। যখন কবি দেখলেন মহাত্মা গান্ধীর এই নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আসবে না। তখন তার পথ ছিলো বিদ্রোহের পথ। তিনি বারবার বলেছেন, সুতা দিয়ে মোরা স্বাধীনতা চাই
বসে বসে কাল গুণি
জাগো রে জোয়ান
বাত ধরে গেলো মিথ্যার তাঁন বুনি। গান্ধীর বিরুদ্ধে কথা বলতেও তিনি পিছপা হন নি। ভারতবর্ষে হিন্দু-মুসলমানদের মতানৈক্যকে কাজে লাগিয়ে ব্রিটিশরা যে শোষণ অব্যহত রেখেছিলো তা দমনে হিন্দু-মুসলমান ঐক্য সৃষ্টিতেও তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। নারী জাগরনে তিনি সোচ্চার ছিলেন।
তিনি বলেছেন, আজ তুমি ভীরু আড়ালে থাকিয়া নেপথ্যে কও কথা!
চোখে চোখে আজ চাহিতে পার না; হাতে রুলি, পায় মল,
মাথার ঘোম্টা ছিঁড়ে ফেল নারী, ভেঙে ফেল ও-শিকল!
যে ঘোমটা তোমা’ করিয়াছে ভীরু, ওড়াও সে আবরণ,
দূর ক’রে দাও দাসীর চিহ্ন, যেথা যত আভরণ!
বাঙালি আমরা দাঁত থাকতে দাঁতের মর্ম বুঝি না। নজরুল বেঁচে থাকতেও তাকে বুঝি নি। জীবনের অবর্ণনীয় কষ্ট তিনি সহ্য করেছেন। সাহিত্য ও সংস্কৃতির সেবায় মনোনিবেশ করেছেন। এই কবির চেতনা প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে যেন ব্যবচ্ছেদ না ঘটে সে দিকে সজাগ দৃষ্টি দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথির বক্তব্যে রাজশাহী কলেজের প্রাক্তণ অধ্যক্ষ অধ্যাপক মহা. হবিবুর রহমান বলেন, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে
মোর মুখ হাসে
মোর চোখ হাসে
টগবগিয়ে খুন হাসে
সৃষ্টি সুখের উল্লাসে এই যে সৃষ্টি বাংলা সাহিত্য অঙ্গনে একবারে নতুন কন্ঠ, অভিনবত্ব তা গণমানুষের কবি নজরুলের। তার উচ্চারণের ঢং, শব্দচয়ন, ঝংকার ছিলো আলাদা। বাংলা সাহিত্যে নজরুলের যে প্রভাব সে প্রভাবে আবেশিত ও অনুপ্রাণিত হয়েছে অনেক কবি। নজরুল সাহিত্য রচনায় মাঝেমধ্যে আবেশিত হয়েছেন কিন্তু কখনো তিনি স্বাতন্ত্রহারা হন নি। একারণেই কবিতার নান্দনিকতা বা নন্দনতত্বে ১০০ বছর ধরে যে আবহ চলে আসছিলো সেটাকে আঘাত করেছিলো তার বিদ্রোহী কবিতায়।

কবিতা ও কবি যে একাকার হয়ে যায়, কবিতার নামে কবির নাম হয় এটি বিরল। নজরুল মানবিকতার কথা বলেছেন, মানুষের কথা বলেছেন, অসম্প্রীতি ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে আঘাত হেনেছেন। একারণে হিন্দু ও মুসলমান সবার কাছে তিনি একাধারে সমাদ্রিত হয়েছেন। আবার ঘৃণিতও হয়েছেন। নজরুল অসাম্প্রদায়িকতা ও স্বাতন্ত্রতার জায়গায় এক ও অনন্য ছিলেন।

রাজশাহী কলেজ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় আলোচক হিসেবে ছিলেন, রাজশাহী কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইব্রাহিম আলী। আহ্বায়ক ছিলেন, রাজশাহী কলেজ বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. শিখা সরকার।

সম্মানিত অতিথির বক্তব্য রাখেন, রাজশাহী কলেজের সাবেক শিক্ষক অধ্যাপক গোলাম কবির, রাজশাহী কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর মোহা. ওলিউর রহমান ও রাজশাহী কলেজ শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক প্রফেসর আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ। অনুষ্ঠানে রাজশাহী কলেজের অন্যান্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

রাজশাহী নজরুল পরিবার :
রাজশাহী নজরুল পরিবারের আয়োজনে কেক কাটা, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৩তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে বুধবার (২৫ মে) বিকেলে নগর ভবনের সরিৎদত্ত গুপ্ত সভাকক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ও রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ডা. আনিকা ফারিহা জামান অর্ণা।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডা. আনিকা ফারিহা জামান অর্ণা বলেন, কবি কাজী নজরুল ইসলামকে জাতীয় কবির মর্যাদা ও সম্মান দিয়েছেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আমাদের সবাইকে গুরুত্বসহকারে আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম সম্পর্কে জানতে হবে। একাডেমি পড়াশোনার বাইরে সবাইকে গল্প, কবিতা, উপন্যাস পড়ার জন্য অনুরোধ জানাচ্ছি। একাডেমিক পড়াশোনার বাইরে আমরা যত বেশি বই পড়বো, তত বেশি জানতে পারবো।

তিনি আরো বলেন, আমাদের কষ্ট লাগে এখনো রাজশাহীতে আমাদের জাতীয় কবির কোন ম্যুরাল তৈরি হয়নি। যদি জাতীয় কবির ম্যুরাল থাকতো তাহলে সেখানে আমরা আজকে শ্রদ্ধা জানাতে পারতাম। আশা করি ভবিষ্যতে রাজশাহীতে কবি কাজী নজরুল ইসলামের ম্যুরাল স্থাপন করা হবে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের অধ্যাপক ড. গুলনাহার বেগম। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন রাজশাহী নজরুল একাডেমির প্রাক্তন সভাপতি আরিফা বেগম, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের ১৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আব্দুল মমিন, ১৪নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আনোয়ার হোসেন আনার প্রমুখ।

নিউ গভ. ডিগ্রি কলেজ:
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম- এর ১২৩তম জন্মবার্ষিকী ১৪২৯/২০২২ উদ্যাপন উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। রাজশাহী নিউ গভঃ ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর কালাচাঁদ শীলের সভাপতিত্বে বুধবার সকাল ১০টায় শিক্ষক পরিষদ মিলনায়তনে কলেজের কর্মকর্তা ও কর্মচারীর উপস্থিতিতে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র ধর্মগ্রন্থ আল কোরআন থেকে তেলাওয়াত ও পবিত্র ধর্মগ্রন্থ গীতা থেকে পাঠ করা হয়।

অনুষ্ঠানের সভাপতি ও এ কলেজের অধ্যক্ষ তাঁর বক্তব্যের শুরুতেই কবির প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে ধর্মীয় পরিবেশের মধ্যে থেকে নজরুল কিভাবে ধর্ম নিরপেক্ষ সত্তা লালন করেছেন তা উল্লেখ করেন। কাজী নজরুল ইসলাম প্রেম ও দ্রোহের কবি ছিলেন। তিনি আরও বলেন নজরুল রাজনৈতিক সচেতন কবি ও সমাজতন্ত্রের আদর্শে প্রভাবিত ছিলেন। নজরুলের ধর্ম নিরপেক্ষ ও সাম্যবাদী মূল্যবোধকে সমুন্নত রাখার জন্য সবাইকে আহ্বান জানান।

এছাড়াও নজরুলের বিভিন্ন দিক নিয়ে অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. অলীউল আলম, শিক্ষক পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান মতিউর রহমান এবং সাংস্কৃতিক কমিটির আহ্বায়ক বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান শহিদুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে কাজী নজরুল ইসলামের শতবর্ষী ‘বিদ্রোহী’ কবিতা আবৃত্তি করেন বাংলা বিভাগের প্রভাষক মেহেদী হাসান।

রাজশাহী সরকারি মহিলা কলেজ :
রাজশাহী-এর উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘৬০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী’ উদযাপন করে রাজশাহী সরকারি মহিলা কলেজ। বুধবার সকাল সাড়ে ৮টায় প্রধান অতিথি প্রফেসর গোলাম কবির, অত্র কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. জুবাইদা আয়েশা সিদ্দীকা এবং উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. নাজনীন সুলতানা, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন মোল্লা, বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. মোঃ আকতারুজ্জামান শেখ এবং বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, বিএনসিসি, রোভার, রেঞ্জার, রেডক্রিসেন্ট, বাঁধন এর সদস্য ও শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সকাল ৯ টায় কলেজের সুবর্ণ চত্ত্বর থেকে শহীদ মিনার পর্যন্ত র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র‌্যালি শেষে মুক্তমঞ্চের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. জুবাইদা আয়েশা সিদ্দীকা সহ উপাধ্যক্ষ মহোদয় এবং শিক্ষক কর্মকর্তাগণ। সকাল সাড়ে ৯ মিনিটে প্রধান অতিথি ও অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক, শিক্ষক কর্মকর্তা এবং শিক্ষার্থীগণ বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি জ্ঞাপন শেষে কলেজ মিলনায়তনে ৬০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী ও রবীন্দ্র-নজরুল জয়ন্তী ৩ পর্বে বিন্যাস্ত আলোচনা অনুষ্ঠান, প্রবন্ধ পাঠ, কেক কাটা এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটির পরিসমাপ্তি ঘটে। অনুষ্ঠানের ১ম পর্বে সঞ্চালনায় ছিলেন গার্হস্থ্য অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আফসানা ফেরদৌস। ২য় ও ৩য় পর্বে সঞ্চালনায় ছিলেন বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আলিমুন নেসা আক্তার এবং প্রভাষক সেলিম হোসেন।

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি :
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এঁর জন্ম জয়ন্তী উদ্যাপন করা হয়। রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠির কালচারাল একাডেমির আয়োজনে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমির হল রুমে আলোচনা সভা, প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমির গবেষণা কর্মকর্তা বেনজামিন টুডুর সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।সভায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন একাডেমির কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য যোগেন্দ্র নাথ সরেন, চিত্তরঞ্জন সরদার ও সুসেন কুমার স্যামদুয়ার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন অত্র একাডেমির সংগীত প্রশিক্ষক মানুয়েল সরেন।

এছাড়াও একাডেমির সংগীত প্রশিক্ষক কবীর আহম্মেদ বিন্দু, নাটক প্রশিক্ষক লুবনা রশিদ সিদ্দিকা কবিতা ও সহকারী গবেষণা কর্মকর্তা মোহাম্মদ শাহ্জাহান উপস্থিত ছিলেন। সভায় অতিথিবৃন্দ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এঁর বর্নাঢ্য জীবন সম্পর্কে আলোকপাত করেন। পরে অতিথিবৃন্দ রবীন্দ্র সংগীত ও নজরুল গীতি প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ