রাজশাহীতে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত আছে প্রধানমন্ত্রীকে জানালের বিভাগীয় কমিশনার

আপডেট: মার্চ ৩১, ২০২০, ১১:৫৯ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


বিভাগীয় কমিশনার মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার বলেছেন, আমরা সবাইকে এখন কোয়ারেন্টাইনে রেখেছি, ঘরে পাঠিয়েছি। দিনমজুর রিকশাচালক, ভ্যানচালক তারা যেন কষ্টে না থাকে, সেজন্য দশ টাকা কেজিতে চাল বিতরণে টিসিবির পণ্য বিক্রি কার্যক্রম চালু রয়েছে। একই সঙ্গে, এ বিভাগে ৯২১ টন চাল দুস্থ মানুষদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।’
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) গণভবন থেকে ৬৪ জেলা প্রশাসকের (ডিসি) সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এসব কথা জানান রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার।
এসময় তিনি জানান, ‘এখনও আমাদের হতে দুই হাজার ৪০০ টন চাল আছে। ৮১ লাখ টাকাও আছে। আমি একটা বিষয়ে আশ্বস্ত করতে চাই যে, সরকারি যে গোডাউনগুলো রয়েছে, এখানে তিন লাখ ৬৪ হাজার টন খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে। চালকল ও কৃষকের ঘরেও প্রচুর পরিমাণ চাল রয়েছে। অর্থাৎ আাগামী ৬ থেকে ৭ মাস রাজশাহী বিভাগের কোনো মানুষও যদি কোনো কাজ না করে, তাহলেও তাদেরকে আমাদের সরকারি মজুত থেকে দিতে পারব।’
তিনি আরো জানান, ‘সরকারের পাশাপাশি বেসরকারিভাবেও বিত্তবানরা করোনা মোকাবিলায় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। আমরা সম্মিলিতভাবে কাজ করছি’ বলে প্রধানমন্ত্রীকে বিভাগীয় কমিশনার জানান।
অন্যদিকে, এর আগে প্রধানমন্ত্রী ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন রাজশাহীর জেলা প্রশাসক হামিদুল হক। এসময় তিনি প্রধানমন্ত্রীকে জানান, করোনাভাইরাসের জন্য রাজশাহী জেলার কর্মহীন ৪০ হাজার পরিবারকে চাল ও নগদ অর্থ দিয়ে সহযোগিতা করা হয়েছে।
নগরীসহ ৯টি উপজেলার ৪০ হাজার ৪০০ পরিবারকে ৪০৪ মেট্রিক টন চাল ও নগদ ৫ লাখ টাকা সহায়তা দেয়া হয়েছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, রাজশাহী-২ সদর আসনের সংসদ সদস্য ফজলে হোসেন বাদশা, জেলার পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ, সিভিল সার্জন ডা. এনামুল হক প্রমুখ।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ