রাজশাহীতে বাস চলাচল শুরু

আপডেট: মে ৬, ২০২১, ৯:৩৩ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:


রাজশাহী জেলার মধ্যে বাস চলাচল শুরু হয়েছে। তবে দূরপাল্লার কোনো বাস রাজশাহীতে চলাচল করতে দেখা যায়নি। বৃহস্পতিবার (৬ মে) দুপুরে ঢাকা বাস স্ট্যান্ডের কাউন্টারগুলো বন্ধ দেখা গেছে। তবে জেলার উপজেলা পর্যায়ে বাসগুলোকে কম সংখ্যক যাত্রী নিয়ে চলাচল করতে দেখা গেছে।
সকালে শহিদ কামারুজ্জামান বাস টার্মিনাল, ভদ্রা মোড় বাসস্ট্যান্ড, গোরহাঙ্গা রেলগেট বাসস্ট্যান্ড থেকে উপজেলা পর্যায়ে বাস ছেড়ে যেতে দেখা গেছে। সরেজমিনে ভদ্রা বাসস্ট্যান্ডে দেখা গেছে- টিকিট কাউন্টারে রাখা হয়েছে মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার। কোনো যাত্রীর মুখে মাস্ক না থাকলে কাউন্টার থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে। এছাড়া সিটের হাতলেও জিবাণুনাশক স্প্রে করতে দেখা গেছে। বাসগুলোর সুপাইরভাইজাররা একটি আসন পর-পরে বসাচ্ছেন যাত্রীদের। এসময় কৌশিক, স্বাধীন স্পেশাল ও মোহাম্মদ পরিবহনের বাসগুলোতে এমন চিত্র দেখা গেছে।
মোহাম্মদ পরিবহনের একটি বাস মাত্র সাত থেকে আটজন যাত্রী নিয়ে যাত্রা করতে দেখা গেছে। এই বাসটি পুঠিয়া-নাটোর সীমান্ত পর্যন্ত যাবে। সেই হিসেবে ভাড়া নেওয়া হচ্ছে যাত্রীদের থেকে। এসময় বাসে উঠে দেখা গেছে- এক সিট পরপরে বসানো হয়েছে যাত্রীদের।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আসনের অর্থেক সিটের টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। এছাড়া দূরুত্ব বজায় রেখে যাত্রীদের বসানো হচ্ছে।
রাকিবুল ইসলাম নামের এক যাত্রী বলেন- ‘আমি নাটোর যাবো। পুঠিয়া বা ঝলমলিয়া পর্যন্ত বাস যাবে। এর পরে অটো বা অন্য কোনো মাধ্যমে নাটোর যাবো।’ বাসের সুপারভাইজার বাদশা জানান- ‘মাস্ক ছাড়া কাউকে বাসে উঠতে দেওয়া হচ্ছে না। এছাড়া এক সিট পরপর বসানো হচ্ছে যাত্রী।’
রাজশাহী মোটার শ্রমিক ইউনিয়নের আদায়কারী আনিসুর রহমান জানান, ‘জেলার বাইরে কোনো বাসের টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে না। সরকারের বেধে দেওয়া স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়টি তদারকি করা হচ্ছে। তিনি বলেন, বাস আশামাত্রই ভেতরে ও সিটের হাতলে জিবাণুনাশ স্প্রে করা হচ্ছে। একই সঙ্গে যে যাত্রীর মাস্ক নেই, তাদের মাস্ক প্রদান করা হচ্ছে।’
অন্যদিকে, গোরহাঙ্গা রেলগেট এলাকার নওগাঁ বাসস্ট্যান্ডে গিয়ে দেখা গেছে একই চিত্র। এই স্ট্যান্ড থেকে বাগমারা, তানোরের বাসগুলো ছেড়ে যাচ্ছে। বাস ছাড়ার আগমুহূর্তে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে। তবে পথে যাতায়াতের বিষয়ে মলি পরিবহনের সুপারভাইজার শ্রী বিনয় জানান, পথে বিভিন্ন পযেন্ট পুলিশ গাড়িতে উঠে চেক করছে। স্বাস্থ্যবিধির হেরফের হলে তারা জরিমানা করবে। যাত্রী নেই তার উপরে জরিমানা হলে লাভ কি হলো? তাই আমরা সমিতির নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাস চালাচ্ছি।
হাসান নামের এক যাত্রী জানান, সিরাজগঞ্জ থেকে আসছি। কিন্তু এই পথটুকুতে চারবার বাস পরিবর্তন করতে হয়েছে। তানোর যাবো বলে বাসে উঠেছি। এভাবে বার বার বাস পরিবর্তনের ফলে ভাড়াও বেশি গুনতে হচ্ছে আমাদের।
রাজশাহী বাস মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মতিউল হক টিটোকে কয়েকবার ফোন করা হলে তিনি রিসিভ করেননি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ