রাজশাহীতে বেড়েছে তেলের দাম

আপডেট: জানুয়ারি ২১, ২০২২, ৯:৫৭ অপরাহ্ণ


নিজস্ব প্রতিবেদক:


রাজশাহীতে একেক দোকানে একেক রকম তেলের দাম হাঁকছেন দোকানিরা। কোথাও খোলা সয়াবিন ১৪০ টাকা আবার কোথাও ১৫৫ টাকা। তবে গত সপ্তাহের তুলানায় প্রতি লিটারে সয়াবিন ৫ টাকা বেড়েছে।

দোকানিরা বলছেন, আন্তজার্তিক বাজারে তেলের দাম বেড়েছে। যার প্রভাব স্থানীয় বাজারেও পড়ছে। ডাল এবং তেলের দাম সবসময় বাড়তি থাকছে। যদিও বোতলজাত ভোজ্য তেলের মূল্য ১৬০ ও খোলা সয়াবিন বা লুজ তেলের ১৩৬ টাকা লিটার নির্ধারিত ছিল। সেই সয়াবিন তেল ১৪০ থেকে ১৫৫ এবং বোতলজাত সয়াবিন তেলের দামও ৫ টাকা বেড়েছে।

সাহেববাজার জান্নাত স্টোরের মালিক মুরাদ হোসেন বলেন, শুনলাম আন্তর্জাতিকভাবে তেলের দাম বাড়ছে। তেলের দাম মুখে মুখে বাড়ছে। বাজারেও বেড়ে গেছে। চালের বাজারেও গত সপ্তাহে দাম থেকে এ সপ্তাহে দু’এক টাকা বাড়ানো হয়েছে। কোম্পানির জিনিসপত্রের দাম বেড়ে গেছে। ডালের দামও বাড়তি।

ক্রেতা জনি বলেন, আমিও একজন বিক্রেতা। তবে বাজার করতে এসেছি। ভেজাল তেলে ভরে গেছে বাজার। যে যার মত দাম বাড়াচ্ছে।
এদিকে, শুক্রবার ( ২১ জানুয়ারি) নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, শিম, কাঁচা মরিচ, বেগুন প্রতিকেজি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি দরে। প্রতি পিস ফুলকপি, বাঁধাকপি, ব্রকলির দাম বিক্রি হয়েছে ২০ থেকে ৩০ টাকা পিস বিক্রি হয়েছে। এছাড়া টমেটো ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, আলু ১৫ থেকে ২০ টাকা, করলা ৯০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে। লাল শাক, সবুজ শাক, লাউ শাক, পালং শাক প্রতি আঁটি ৩০ টাকা কেজি এবং ১০ থেকে ১৫ টাকা আটি দরে বিক্রি হয়েছে।

মাছের বাজারে টেংরা কেজিপ্রতি ৫০০ টাকা, সরপুঁটি ১৫০ থেকে ৩০০ টাকা, রিটা মাছ ৪৫০ থেকে ১ হাজার ১০০ টাকা, আইড় ৯০০ থেকে ১ হাজার টাকা, সিলভার ১২০ থেকে ২৫০ টাকা, পাঙ্গাস ১০০ থেকে ৩০০ টাকা, মিড়কা ১৬০ টাকা, কাতলা ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, নদীর পাঙ্গাস ৮০০ টাকা, চিংড়ি ৬০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা, পাবদা ৪০০ টাকা, দেশি কৈ ৪০০ টাকা, চিতল ৫৮০ টাকা, বোয়াল ৬৫০, শোল ৫৩০ থেকে ৫৫০ টাকা, ছোট ইলিশ ৪০০ থেকে ১ হাজার টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে।
গরুর মাংস ৫৮০ টাকা, খাসির মাংস ৮৫০ থেকে ৯০০ টাকা এবং ছাগলের মাংস ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গত সপ্তাহে ব্রয়লার মুরগি ১৬০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে। এ সপ্তাহে দাম কমে ১৫০ টাকায় কিক্রি হয়েছে। সোনালি মুরগি ২৩৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে। এছাড়া লাল কক মুরগি ২৩০ টাকা, সাদা কক মুরগি ২০০ টাকা, দেশি মুরগি ৩৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। পাতিহাঁস ৩২০ টাকা, রাজহাঁস ও চিনা হাঁস ৪৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। ডিমের দামও কমেছে দেশি মুরগির ডিম প্রতিহালি ৫০ টাকা, সাদা ডিম ২৯ টাকা, লাল ডিম ৩৩ টাকা, কোয়েল পাখি ১০ টাকা এবং হাঁসের ডিম ৫২ টাকা হালি দরে বিক্রি হয়েছে।