রাজশাহীতে হবে আর্ন্তজাতিক মানের কামারুজ্জামান স্মৃতি বাস্কেটবল টুর্নামেন্টের আসর

আপডেট: নভেম্বর ২০, ২০১৬, ১১:৫৮ অপরাহ্ণ


ক্রীড়া প্রতিবেদক
আগামী ডিসেম্বর মাসের শেষ দিকে নগরীতে শুরু হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানের শহীদ কামারুজ্জামান স্মৃতি বাস্কেটবল টুর্নামেন্ট। রোববার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন বাংলাদেশ বাস্কেটবল ফেডারেশনের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক খায়রুল আলম ফরহাদ।
তিনি বলেন, রাজশাহী অঞ্চলে বাস্কেটবলের প্রসার ঘটানোর জন্য দেশি-বিদেশি খেলোয়াড়দের অংশগ্রহণে প্রথমবারের মতো এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হচ্ছে। এজন্য জাতীয় চারনেতার অন্যতম সৈনিক ও রাজশাহী জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাবেক সাধারণ সম্পাদক শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামানের নামকরণে এই টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হচ্ছে। যাতে করে তরুণ প্রজন্মরা এই আয়োজনের মাধ্যমে কামারুজ্জামান সম্পর্কে জানতে পারেন। সেই সাথে জাতীয় পর্যায়ের এই নেতার অবদানকে আমরা স্মরণ করতে পারি। বাস্কেটবল টুর্নামেন্ট উপলক্ষে একটি স্মরণিকাও প্রকাশ করা হবে।
২০০৮ সাল থেকে বাংলাদেশ বাস্কেটবল ফেডারেশনের পরিচালনা কমিটির সাথে যুক্ত হয়ে রাজশাহী অঞ্চলের বাস্কেটবল খেলার উন্নয়নের জন্য কাজ করছেন রাজশাহী জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার যুগ্মসম্পাদক খায়রুল আলম ফরহাদ। তার অগ্রণী ভূমিকার কারণে প্রথমবারের মতো এই ধরনের টুর্নামেন্ট আয়োজন করা হচ্ছে। এই টুর্নামেন্টে ঢাকার প্রিমিয়ার লিগের দুই থেকে তিনটি ক্লাব, চট্টগ্রাম জেলা দল, খুলনা জেলা দল, বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) ও স্বাগতিক রাজশাহী জেলা দল অংশগ্রহণ করবে। আর এসব দলে দেশের নামকরা খেলোয়াড়ের পাশাপাশি বিদেশি খেলোয়াড়রাও যুক্ত হবেন। ইতিমধ্যে দলগঠন করার প্রস্তুতিও নিয়েছে অংশগ্রহণকারী দলগুলো।
রাজশাহী জেলা বাস্কেটবল সমিতির আয়োজনে এই টুর্নামেন্টকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করবে বাংলাদেশ বাস্কেটবল ফেডারেশন। আর রাজশাহী জেলা ও বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থা সফলভাবে শেষ করার জন্য আশ্বাস প্রদান করেছে বলে জানান আয়োজক কমিটির নেতৃবৃন্দ।
টুর্নামেন্টকে জাঁকজমাকভাবে আয়োজন করার জন্য আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য ও মহানগর সভাপতি এবং সাবেক সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনকে উপদেষ্টা, জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকারকে আহ্বায়ক, জেলা বাস্কেটবল সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোমিনুল আলমকে সদস্য সচিব করে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এছাড়াও অর্থ, আবাসন, প্রচার ও লিয়াজোঁ উপকমিটি গঠন করা হয়েছে। এসব কমিটিগুলো এখন থেকে তাদের কার্যক্রম শুরু করে দিয়েছে। তাদের আশা এই টুর্নামেন্ট আয়োজনের জন্য প্রচারণা থেকে শুরু করে সবকিছু ভালোভাবে করা হবে।