রাজশাহীর উন্নয়ন কেউ থামিয়ে রাখতে পারবে না ।। সমন্বয় সভায় মুখ্য সমন্বয়ক

আপডেট: জানুয়ারি ৬, ২০১৭, ১২:০৫ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক



রাজশাহী জেলার বিশেষ উন্নয়ন সভায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সমন্বয়ক (এসডিজি) আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, সরকার দীর্ঘমেয়াদী উন্নয়নমুখী পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। সে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের দায়িত্ব সবার। আপনাদের  প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে যে এই দেশ আমার। এ দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্বও আমাদের। তাই কোন চাপের কাছে মাথানত করা যাবে না। ন্যায়ের পথে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে কাজ করতে হবে।  জনগণ সচতেন থাকলে দেশ ও রাজশাহীর উন্নয়নকে কেউ থামিয়ে রাখতে পারবে না। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত সমন্বয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আবুল কালাম আজাদ বলেন, শুধু পদ্মা নদী নয়, নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে বাঁধের পরিবর্তে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সকল ভরাট নদী ড্রেজিং করা হবে। জায়গা পাওয়া গেলে রাজশাহীতে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা হবে। যত্রতত্র নয় কোন খাস জমি থাকলে সেখানে আলাদা ইকনোমিক জোন এবং পানির স্তর স্বাভাবিক রাখতে দেশব্যাপী পুকুর খননের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে বলে আশ্বাস প্রদান করেন তিনি। একই সাথে পদ্মা ব্যারেজের ব্যাপারটি বিবেচনায় আছে বলে জানান। ডাক্তাদের উদ্দেশে বলেন, জনগণের স্বাস্থসেবা নিশ্চিত করতে দেশপ্রেমী হবার আহবান জানান।
সভায় পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য শামসুল আলম বলেন, সরকার ৭০ টি টার্গেট অর্জন করেছে। তিনি পদ্মা ব্যারেজ ,খাল খননকে এসডিজিতে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। এটা সাসটেনেবল হলে দেশের দরিদ্র্য মোচন সহজ হবে। এজন্য দেশে দরিদ্র মানুষের ডাটাবেজ তৈরি হচ্ছে বলে জানান।
বিভাগীয় কমিশনার আব্দুল হান্নান বলেন, রাজশাহী বিভাগ একটি পকেট বিভাগ। দেশের সব থেকে পিছিয়ে পড়া অঞ্চল হচ্ছে রাজশাহী বিভাগ। দেশের ৬০ভাগ খাদ্য রাজশাহী বিভাগে উৎপাদন হয়ে থাকে। অথচ এ অঞ্চল সবদিক থেকে বঞ্চিত। এখানে প্রচুর শাকসবজি, আম, লিচু,বিভিন্ন ধরনের খাদ্য শস্য উৎপাদন হয়ে থাকে। কিন্তু পরিবহনের অভাবে একটি অংশ নষ্ট হয়। তা সময়মত পরিবহনের জন্য রাজশাহী হতে আব্দুলপুর পর্যন্ত ডুয়েল লাইন প্রতিষ্ঠা এবং রাজশাহীতে শিল্পান্নয়নের আহবান জানান।
রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাজী আশরাফ উদ্দীনের পরিচালনায় বক্তব্য দেন, রাজশাহী আরএমপির উপপুলিশ কমিশনার তানভীর হায়দার চেীধুরী। এসময় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মুনির হোসেন ও আমিনুল ইসলাম ( রাজস্ব), রাজশাহী পুলিশ সুপার মোয়াজ্জেম হোসেন।
সভায় রাজশাহীর বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি অফিসের কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত থেকে নিজ নিজ এলাকার বর্তমান অবস্থা তুলে ধরেন।