রাজশাহীর মহাসড়কে সিএনজি, হিউম্যানহলার ও অটোরিক্সার বন্ধের দাবি

আপডেট: অক্টোবর ৫, ২০২২, ১২:৩৯ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:


রাজশাহীর সড়কে সিএনজি, হিউম্যানহলার ও অটোরিক্সার বন্ধের দাবি জানানো হয়। এও বলা হয়- এসব বেশির ভাগ যানবাহনগুলো ও সেগুলোর চালকের লাইসেন্স নেই। এমন অবস্থায় দুর্ঘটনা এড়াতে মহাসড়কে এই সমস্ত যানবাহন বন্ধের দাবি জানায় যাত্রীবাহী বাস সংশ্লিষ্টরা।

এনিয়ে মঙ্গলবার (৪ অক্টোবর) বিকেল ৫টায় বাস মালিক ও চালক সংগঠনের রাজশাহী শিরোইল বাস টার্মিনালের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সাংবাদিক সম্মেলনে এই দাবি জানানো হয়। রাজশাহী সড়ক পরিবহন গ্রুপ ও রাজশাহী জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দ এই যৌথ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। এসময় সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য দেন, রাজশাহী মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মাহাতাব হোসেন। তিনি জানান, রাজশাহীর সড়কগুলোতে অতিরিক্ত পরিমানে সিএনজি, হিউম্যান হলার ও অটোরিক্সা চলাচল করে। প্রতিটি সড়কের ধারণ ক্ষমতা রয়েছে। ধারণ ক্ষমাতার বেশি এই সকল যানবাহনগুলো চলা চল করে। ফলে প্রতিনিতয় ঘটে দুর্ঘটনা। তানোরে সড়কে ৫০টি সিএনজি চলাচলের জায়গায় চলে ১৫০ থেকে ২০০টি। একই অবস্থায় জেলার উপজেলা পর্যায়গুলোতে।

সিএনজির বেশির ভাগই নম্বর প্লেট নেই, চালকের লাইসেন্স নেই। তার পরেও তারা সড়কে চলাচল করছে। কিন্তু একটি মোটরসাইকেল নম্বর প্লেট ও চালকের লাইসেন্স ছাড়া সড়কে চলতে পারে না। কিন্তু একটি সিএনজিতে ৮ থেকে ১০ জন যাত্রী থাকে। তার পরেও সেদিকে নজর দেওয়া হয় না। এছাড়া বাস শ্রমিক ও সিএনজি শ্রমিকদের মধ্যে অনাকাঙ্খিত ঘটনা এড়াতে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করা হয়।

এর আগে গত সোমবার (৩ অক্টোবর) সকালে তানোরে ‘এ সাকিব পরিবহন’র বাস চালক মো. বেলালকে সিএনজি চালকরা মারধর করেছে। এতে তিনি আহত হন। পরে বাস চালক ও শ্রমিকরা ক্ষিপ্ত হয়ে রাজশাহীর উপজেলা পর্যায়ে বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়। এসময় শ্রমিক নেতৃবৃন্দের আশ্বাসে আবার পরিবহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ