রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের নাম কখনও জেলা স্কুল ছিল না

আপডেট: December 5, 2016, 12:02 am

আনারুল হক আনা



রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল রাজশাহী মহানগরীর প্রাণকেন্দ্র বোয়ালিয়া মৌজার সাহেব বাজারের পূর্বপাশ সংলগ্ন জায়গায় অবস্থিত। ক্যাম্পাসের পরিমাণ ০.৯৭ একর। এর কিছু অংশ সড়কের মধ্যে চলে গেছে। বর্তমানে তৃতীয় থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণি পর্যন্ত ছেলেদের জন্য একাডেমিক ব্যবস্থা  চালু আছে। দেশের সর্ব প্রাচীন আধুনিক কারিকুলামের এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাকাল ও বিভিন্ন সময়ে নামের পরিবর্তন নিয়ে বিভ্রান্তমূলক তথ্য বিদ্যমান। স্কুলের সূচনা ও পরবর্তী সময়ের কোন তথ্য স্কুলটিতে সংরক্ষণ না থাকায় এ সব বিভ্রান্তির প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা যায়। কোন কোন প্রবন্ধকারের অনুসন্ধানী পরিশ্রমের অভাব ও কোলকাতা ইউনিভার্সিটি থেকে প্রকাশিত ক্যালেন্ডারসমূহে বিচিত্র তথ্য উপস্থাপনাকেও বিভ্রান্তির জন্য দায়ী করা যেতে পারে। আজকাল স্কুল কর্তৃপক্ষের ম্যাগাজিন প্রকাশনার ক্ষেত্রে অসচেতনতাও পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলছে। যেমন- ঐতিহ্য ২০১৩ শিরোনামে এ স্কুল বার্ষিকীর তৃতীয় পৃষ্ঠার (ইনার পেজের পরবর্তী পাতা) একটি কাল্পনিক ছবি এঁকে শিরোনামে লেখা হয়েছে পদ্মা নদীর তীরে ১৮২৮ সালে খড়ের চালা নির্মিত সর্ব প্রথম স্কুলঘর, পরবর্তী সময়ে স্কুল ঘরটি নদীর ¯্রােতে ভেঙ্গে যায়। ছবিটি সাদাকালোতে ২৫ পৃষ্ঠায় প্রধান শিক্ষক ড. নূরজাহান বেগমের ‘ইতিহাস ও ঐতিহ্যে রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল’ শিরোনামের প্রবন্ধেও সন্নিবেশ করা হয়েছে। নূরজাহান তাঁর প্রবন্ধে স্কুলটির প্রতিষ্ঠাকাল ১৮২৮ ও প্রতিষ্ঠাকালীন নাম ‘বুয়ালিয়া ইংলিশ স্কুল’ ও ১৮৭৭ সালে ‘রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল’ নামকরণের কথা বলেছেন। পিএইচডি অ্যাওয়ার্ডেড নূরজাহানের শব্দ ও বাক্য গঠন সুন্দর হলেও এ সব তথ্য উপস্থাপনে সতর্কতা অবলম্বন করেননি।
সত্য অনুসন্ধানের প্রচেষ্টায় আরো কিছু গ্রন্থ ও প্রবন্ধে উপস্থাপিত তথ্য সম্পর্কে আলোচনা করা যায়। ১৮৩৫ সালের জুলাই মাসে স্কুলটি সরেজমিন পরিদর্শন করেছিলেন তৎকালীন ভারতের শিক্ষা কমিশনার ইউলিয়াম অ্যাডাম। তাঁর তদন্ত রির্পোট ও সুপারিশের ভিত্তিতে স্কুলটি সরকারি ব্যবস্থপনায় চলে যায় ১৮৩৬ সালে। অ্যাডাম তাঁর প্রতিবেদনে স্কুলটির প্রকৃত প্রতিষ্ঠাকাল ১৮৩৩ উল্লেখ করেন এবং প্রতিবেদন শিরোনাম লিখেন ‘ইংলিশ স্কুল’।
ড.ড ঐঁহঃবৎ, ইঅ  স্কুলকে দি রামপুর বুয়ালিয়া স্কুল (ঞযব জধসঢ়ঁৎ ইবধঁষবধয ঝপযড়ড়ষ) নামে উল্লেখ করে বাংলার সরকারি জেলা স্কুলসমূহের র‌্যাংকিংয়ে সর্বোচ্চ বলেছেন। তবে স্থাপন কাল সম্পর্কে আলোচনা করেননি। ১১৫ শ্রীকালীনাথ রায় চৌধুরী অ্যাডামসের রিপোর্টের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠাকাল ১৮৩৬ সালের ২০ জুন উল্লেখ করে স্কুলের নাম বলেছেন জেলা স্কুল। ১১৪ ও’ ম্যালী একটি ইংলিশ স্কুল উল্লেখ করে প্রতিষ্ঠাকাল ১৮২৮ বলেছেন। কাজী মোহাম্মদ মিছের ১৮২৮ সালে বুয়ালিয়া ইংলিশ স্কুল স্থাপনের কথা বলেছেন এবং ১৮৩৬ সালে সরকারি হবার পর জেলা স্কুল নামকরণের উল্লেখ করেন।
১৯৯১ সালে বাংলাদেশ সরকারি মুদ্রাণালয় তেজগাঁ ঢাকা থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশে জেলা গেজেটিয়ার বৃহত্তর রাজশাহী গ্রন্থের ৩০৫ পৃষ্ঠায় স্কুলের নাম রাজশাহী কলেজিয়েট হাই স্কুল ও প্রতিষ্ঠাকাল ১৮৩৬ উল্লেখ করা হয়েছে। আবার ৩১১ পৃষ্ঠায় রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল শিরোনামে এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৮২৮ ও প্রতিষ্ঠাকালীন নাম বাউলিয়া ইংলিশ স্কুল বলা হয়েছে। রাজশাহী কলেজ বর্তমান নিজস্ব প্রকাশনাগুলোই প্রতিষ্ঠাকালীন নাম বাউলিয়া ইংলিশ স্কুল, প্রতিষ্ঠাকালীন সময় ১৮২৮ উল্লেখ করছে এবং ১৮৩৬ সালে পরিবর্তিত নামে লিখছে রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল।
শতবর্ষ স্মরণিকা ১৯৮৮ শিরোনামে রাজশাহী কলেজের প্রকাশনাটিতে বেশ কয়েকটি তথ্যবহুল প্রবন্ধে স্থান পায়। যেগুলোর মধ্য এস এম আব্দুল লতিফ রচিত ‘উচ্চ শিক্ষা বিস্তারের রাজশাহী কলেজ : প্রসঙ্গ কথা’, ফজলুল হক রচিত ‘রাজশাহী কলেজ: কিছু জ্ঞাতব্য তথ্য’, মো. গোলাম কিবরিয়ার ‘রাজশাহী কলেজ ও কিছু প্রাসঙ্গিক কথা’, মো. মুজিবুর রহমানের ‘শতাব্দীর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস রাজশাহী কলেজ’ প্রবন্ধ চারটিতে রাজশাহী কলেজের ঐতিহাসিক বিবরণ লিপি হয়েছে। এস এম আব্দুল লতিফ ১৮৭৩ সালের ১ এপ্রিল রাজশাহী জেলা স্কুলে এ কলেজের যাত্রা বলেছেন। ফজলুল হক অনেকটা নির্ভুল তথ্য দিয়েছেন। তিনি স্কুল প্রতিষ্ঠার প্রাচীন ইতিহাসে না গিয়ে ১৮৭৩ সালে স্কুলটির পরিবর্তিত নাম বুয়ালিয়া হাই স্কুল এবং ১৮৭৮ সালে প্রথম শ্রেণির কলেজে উন্নীত হবার পর বাউলিয়া হাই স্কুল এর পরিবর্তে রাজশাহী কলেজ ও রাজশাহী কলেজিয়েট হাই স্কুল নামকরণের কথা বলেছেন। মো. গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলে প্রাথমিক পরিচয় একটি প্রাইভেট ইংলিশ স্কুল উল্লেখ করে প্রতিষ্ঠাকাল ১৮২৮ সাল এবং ১৮৩৬ সালে সরকারিকরণের পর জিলা স্কুল নামকরণের কথা বলেছেন। মো. মুজিবুর রহমান রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের প্রাথমিক নাম ও প্রতিষ্ঠাকাল বুয়ালিয়া ইংলিশ স্কুল ও ১৮২৮ উল্লেখ করেছেন। আবার ১৮৭৩ সালের ১ এপ্রিল রাজশাহী কলেজের যাত্রাকাল এবং এর প্রথম অধ্যক্ষ কলেজিয়েট স্কুলের অধ্যক্ষ হরগোবিন্দ সেন উল্লেখ করেন। রাজশাহী এসোসিয়েশন সাহিত্য পত্রিকার ১ম সংখ্যাই (জুলাই ১৯৮৭) মো. নূরুন্নবী ‘আধুনিক শিক্ষা সম্প্রসারণে রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের ভূমিকা ও অন্যান্য প্রসঙ্গ’ প্রবন্ধে বিভিন্ন মৌলিক সূত্র ব্যবহারের চেষ্টা করেছেন। তাঁর প্রবন্ধে উঠে এসেছে এ স্কুলের প্রতিষ্ঠাকাল ১৮২৮ সাল ও প্রাথমিক নাম বোয়ালিয়া স্কুল। ১৮৭৩ সালের পর বোয়ালিয়া স্কুল এর নামকরণ কলেজিয়েট স্কুল হয় মর্মে তিনি প্রবন্ধে তথ্য এনেছেন। ১৮৭৮ সালে কলকাতা ইউনিভার্সিটি কর্তৃক রাজশাহী কলেজের অ্যাফেলিয়েশন ‘অ্যালম্যানাক ১৮৭৯-৮০’ এর ১৪৬ পৃষ্ঠায় প্রকাশিত হয়। সেখানে এটাকে একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান উল্লেখ করে প্রকৃত প্রতিষ্ঠাকাল জেলা স্কুল হিসেবে ১৮৩৬ সাল উল্লেখ করা হয়েছে। আবার কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৩১ সালের ক্যালেন্ডারে রাজশাহী কলেজ স্থাপনের  সংক্ষিপ্ত ইতিহাসে উল্লেখ আছে, অরিজিন্যালি রাজশাহী কলেজ ১৮২৮ সালে স্থাপিত হয়েছিল একটি  প্রাইভেট ইংলিশ স্কুল হিসেবে।
বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশনে বাদ যায়নি দেশের দ্বিতীয় আধুনিক প্রাচীন বিশ্ববিদ্যালয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ও। ২০০৬ সালের মে মাসে প্রকাশিত এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোফাইলে (টঘওঠঊজঝওঞণ ঙঋ জঅঔঝঐঅঐও, অ চজঙঋওখঊ) রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলকে ১৮৩৬ সালে ‘রাজশাহী জেলা স্কুল’ নামে প্রতিষ্ঠার কথা বলা  হয়েছে। প্রোফাইলের অংশ বিশেষে লেখা হয়েছে, দজধলংযধযর তরষষধ ঝপযড়ড়ষ (১৮৩৬), জধলংযধযর ঈড়ষষবমব (১৮৭৩), জধলংযধযর চঁনষরপ খরনৎধৎু (১৮৮৪) ধহফ ঃযব ঠধৎবহফৎধ জবংবধৎপয ঝড়পরবঃু ধহফ গঁংবঁস বিৎব ষবধফরহম রহংঃরঃঁঃরড়হং  ঃড় পড়হঃৎরনঁঃব ঃড় ংঁপয ধ ঢ়ৎবংঃরমরড়ঁং ংঃধঃঁং.’
দেশের সর্ব প্রাচীন আধুনিক শিক্ষার উৎস প্রতিষ্ঠানটির এ রকম বিচিত্র তথ্য সম্ভার থেকে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনের লক্ষ্যে মৌলিক সূত্র আবিস্কারের জন্য প্রায় মাসব্যাপী অভিযান চালানো হয়। অভিযান সহযোগীদের মধ্যে ছিলেন গবেষক মাহবুব সিদ্দিকী, রাজশাহী কলেজের গ্রন্থাগারিক মো. মহিউদ্দিন ও অফিস সহায়ক সোহেল প্রমুখ। অনুসন্ধানে প্রাপ্ত এ স্কুল সম্পর্কিত কলকাতা ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন সালের ক্যালেন্ডারের অংশ:
ঈধষপঁঃঃধ টহরাবৎংরঃু অষসধহধপ: ১৮৭৯-৮০
জধলংযধযুব ঈড়ষষবমব
অভভরষরধঃবফ, ১৮৭৮
ঞযব পড়ষষবমব রং ঁহফবৎ ঃযব পড়হঃৎড়ষ ড়ভ ঃযব উরৎবপঃড়ৎ ড়ভ খড়বিৎ ইবহমধষ.
ওঃ রং ধ এড়াবৎহসবহঃ ওহংঃরঃঁঃরড়হ, ড়ৎরমরহধষষু বংঃধনষরংযবফ ধং ধ তরষষধ ঝপযড়ড়ষ রহ ১৮৩৬. ওহ ১৮৭৩ রঃ ধিং ধ ৎধরংবফ ঃড় ধ ঝবপড়হফ এৎধফব ঈড়ষষবমব (ঐরময ঝপযড়ড়ষ), ধহফ রহ১৮৭৮, ঃড় ধ ঋরৎংঃ এৎধফব ঈড়ষষবমব, ঃযব ধফফরঃরড়হধষ বীঢ়বহফরঃঁৎব ড়হ ঃযরং ধপপড়ঁহঃ নবরহম সবঃ ঢ়ধৎঃষু নু ধ ংঃধঃব পড়হঃৎরনঁঃরড়হ ধহফ ধ ঢ়ধৎঃষু নু ষড়পধষ ংঁনংপৎরঢ়ঃরড়হং ধহফ ঃযব ঢ়ৎড়পববফং ড়ভ ধহ বংঃধঃব মৎধহঃবফ রহ ঢ়বৎঢ়বঃঁরঃু ঃড় মড়াবৎহসবহঃ নু ঐধৎধ ঘধঃয জড়ু ইধযধফঁৎ ড়ভ উঁনধষযধঃর. ওহংঃৎঁপঃরড়হ রং মরাবহ ঁঢ় ঃড় ঃযব ংঃধহফধৎফ ড়ভ ঃযব ই.অ. ঊীধসরহধঃরড়হ ড়ভ ঃযব ঈধষপঁঃঃধ টহরাবৎংরঃু. ঞযব ংঃঁফবহঃং ড়ভ ঃযব পড়ষষবমব পষধংংবং ঢ়ধু ধ সড়হঃযষু ভবব ড়ভ জং. ৩.
ওহংঃৎঁপঃরাব ঝঃধভভ
চৎরহপরঢ়ধষ…… ঋ.ঞ. উড়ফিরহম, ই.অ.
চৎড়ভবংংড়ৎ….. ইধনঁ ঐধৎধমড়নরহফধ ঝবহ
অংংরংঃধহঃ চৎড়ভবংংড়ৎ ড়ভ গধঃযবসধঃরপং….ইরঢ়রহনরযধৎর এঁঢ়ঃধ, গ.অ.
খবপঃঁৎবৎ ড়হ ইড়ঃধহু ধহফ ঈযবসরংঃৎু….ঐধৎরষধষ গঁশযধৎলবব, গ.অ.
অংংরংঃধহঃ চৎড়ভবংংড়ৎ ড়ভ ঝধহংশৎরঃ….ইধরশধহঃযহধঃয ঞধঃঃধনযঁংযধহ.
ঐবধফ গধংঃবৎ ড়ভ ঈড়ষষবমরধঃব ঝপযড়ড়..কধষরশঁসধৎ উধং, ই.অ.
২হফ গধংঃবৎ, ফরঃঃ….ঝধমধৎপযধহফৎধ, ই.অ.
অহফ ঝবাবহ ড়ঃযবৎ ধংংরংঃধহঃ গধংঃবৎং, ঃড়ি ঢ়ধহফরঃং ধহফ ধ চবৎংরধহ ঃবধপযবৎ.
১৯৩১ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস থেকে প্রকাশিত ঞযব ঈধষবহফধৎ ১৯৩১এ প্রকাশিত রাজশাহী কলেজের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
জধলংযধযর  ঈড়ষষবমব
(চ.ঙ. জধলংযধযর, উরংঃৎরপঃ জধলংযধযর)
ঋওজঝঞ অঋঋওখওঅঞওঙঘ, ১৮৭৮
ঝযড়ৎঃ ঐরংঃড়ৎু ড়ভ রঃং ঋড়ঁহফধঃরড়হ.
জধলংযধযর  ঈড়ষষবমব ডধং ড়ৎরমরহধষষু ধ ঢ়ৎরাধঃব ঊহমষরংয ঝপযড়ড়ষ ভড়ঁহফবফ রহ ১৮২৮ ধহফ ংঁনংবয়ঁবহঃষু ঃধশবহ ড়াবৎ নু এড়াবৎহসবহঃ ধহফ ঃঁৎহবফ রহঃড় ধ তরষষধ ঝপযড়ড়ষ রহ ১৮৩৬. ওহ ১৮৭২ জধলধ ঐধৎধ ঘধঃয জধু ড়ভ উঁনধষযধঃর সধফব ধ মরভঃ ড়ভ ধ তধসরহফধৎর ঊংঃধঃব ুরবষফরহম ধহ ধহহঁধষ রহপড়সব ড়ভ জং. ৫,ড়ড়ড় ধহফ এড়াবৎহসবহঃ ধঃ ড়হপব ৎধরংবফ ঃযব ঝপযড়ড়ষ ঃড় ঃযব ংঃধঃঁং ড়ভ  ধ ংবপড়হফ মৎধফব ঈড়ষষবমব রহ ১৮৭৩. অ ভঁৎঃযবৎ মরভঃ পধসব ভৎড়স গধযধৎধহর ঝধৎধঃ ঝঁহফধৎর উবার, যিড় নড়ৎব ঃযব ভঁষষ পড়ংঃ ড়ভ বৎবপঃরহম ধ ঢ়ঁপপধ নঁষফরহম ভড়ৎ ঃযব ঈড়ষষবমব .ওহ ১৮৭৫ রঃ ধিং ঢ়ৎড়ঢ়ড়ংবফ ঃড় ঃঁৎহ রঃ রহঃড় ধ ভরৎংঃ মৎধফব ঈড়ষষবমব ধহফ রিঃয ঃযব ঃরসবষু মরভঃ ড়ভ জং.১,৫০,০০০ সধফব নু জধলধ চৎধসধঃযধ ঘধঃয জড়ু ড়ভ উরমযধঢ়ধঃরধ ঃযৎড়ঁময ঃযব জধলংযধযর অংংড়পরধঃরড়হ রঃ নবপধসব ঢ়ড়ংংরনষব ভড়ৎ এড়াবৎহসবহঃ ঃড় পধৎৎু  ড়ঁঃ ঃযব ঢ়ৎড়ঢ়ড়ংধষ ধহফ ৎধরংব ঃযব রহংঃরঃঁঃরড়হ রহঃড় ধ ভরৎংঃ মৎধফব ঈড়ষষবমব রহ ১৮৭৮ যিবহ ই.অ. পষধংংবং বিৎব ড়ঢ়বহবফ ভড়ৎ ঃযব ভরৎংঃ ঃরসব রিঃয গৎ. ঋ.ঔ. উড়ফিরহম ধং চৎরহপরঢ়ধষ. ঞযব জধলংযধযর অংংড়পরধঃরড়হ ধিং ধনষব ঃড় ৎধরংব ধ ভঁৎঃযবৎ ংঁনংপৎরঢ়ঃরড়হ ড়ভ জং. ৬০,৭০৩ রিঃয যিরপয ধ হবি নঁষফরহম ধিং বৎবপঃবফ, যিবৎবরহ ঃযব ঈড়ষষবমব পষধংংবং বিৎব ংযরভঃবফ. ওহ ১৮৮১ ই.খ. পষধংংবং বিৎব ধফফবফ ধহফ রহ ১৮৯৩ গ.অ.পষধংংবং ঃড়ড়. ঞযবংব পষধংংবং পড়হঃরহঁবফ ভড়ৎ ১৬ ুবধৎং, যিবহ রহ ১৯০৯ ড়রিহম ঃড় ঃযব হবি জবমঁষধঃরড়হং ড়ভ ঃযব ঈধষপঁঃঃধ টহরাবৎংরঃু ঃযব ই.খ. ধহফ গ.অ. ধভভরষরধঃরড়হ ধিং রিঃযফৎধহি. ঞযব ঈড়ষষবমব হড়ি ঃবধপযবং ঁঢ় ঃড় ঃযব ই.অ.ধহফ ই.ঝপ. ঐড়হড়ঁৎং ংঃধহফধৎফং. ওহ ১৯২৪ রঃ যধফ ১,০০০ ংঃঁফবহঃং ড়হ ঃযব ৎড়ষষং ধহফ ধ ংবঢ়ধৎধঃব ঃড়ি-ংঃড়ৎবুবফ নষড়পশ ড়ভ ংরী ৎড়ড়সং যধং নববহ ৎবপবহঃষু নঁরষঃ ধঃ ধ পড়ংঃ ড়ভ জং. ৮৭,০০০. ঞযব ঃঁরঃরড়হ ভবব রহ ঃযব এবহবৎধষ উবঢ়ধৎঃসবহঃ রং জং. ৬ ড়হষু রহ ও.অ. ধহফ ই.অ. ধহফ জং.৭ রহ ও.ঝপ. ধহফ জং. ৮ রহ ঃযব ই.ঝপ. পষধংংবং.৬৬৩
ঈধষপঁঃঃধ টহরাবৎংরঃু ঈধষবহফধৎ, ১৮৫৯ এ প্রকাশিত তৎকালীন নাম বুয়ালিয়া স্কুলের প্রবেশিকা (বর্তমান এসএসসি) পরীক্ষার ফলাফল:
টহফবৎ-এৎধফঁধঃবং
ডযড় যধাব ঢ়ধংংবফ ঃযব ঊহঃৎধহপব ঊীধসরহধঃরড়হ
ঋরৎংঃ উরারংংরড়হ:
ঘড়
ঝবপড়হফ উরারংংরড়হ:
গড়যরহবু গড়যধহ ঈযঁপশবৎনঁঃঃু….১৮৫৯, ইধঁষবধয ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়.৯৫
ঙড়সশধহঃ গড়ুঃৎড়…..১৮৫৯, ইধঁষবধয ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়.৯৬
জধস এড়ঢ়ধষ ঃধষষধঢ়ধঃৎধ…..১৮৫৯, ইধঁষবধয ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়.৯৭
ঈধষপঁঃঃধ টহরাবৎংরঃু ঈধষবহফধৎ, ১৮৬৮-৬৯ এ প্রকাশিত তৎকালীন নাম বুয়ালিয়া স্কুলের প্রবেশিকা (বর্তমান এসএসসি) পরীক্ষার ফলাফল:
ঊহঃৎধহপব ঊীধসরহধঃরড়হ, ১৮৬৬
ঋরৎংঃ উরারংংরড়হ:
খধযঁৎর, চৎরুধহধঃযৃৃৃৃৃৃইধঁষবধয ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়.২০৮
ঝবপড়হফ উরারংংরড়হ:
গঁশযড়ঢ়ধফযুধু, ঝধঃুধঃধৎধ  ৃৃইধঁষবধয ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়.২১৫
ঞযরৎফ উরারংংরড়হ:
গধরঃৎধ, ঐধৎরপযধৎধহ      ৃৃৃৃইধঁষবধয ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়.২২১

ঊহঃৎধহপব ঊীধসরহধঃরড়হ, ১৮৬৭
ঋরৎংঃ উরারংংরড়হ:
ঝধহরধষ, ঝধংরসড়যধহৃৃৃৃৃৃইধঁষবধয ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়.২২৬
ঝবপড়হফ উরারংংরড়হ:
ইধমপযর, অহহধফধঢ়ৎধংধফৃৃৃৃইধঁষবধয ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়.২২৭
গধলঁসফধৎ, এড়ারহফধহধঃযৃৃৃ ইধঁষবধয ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়.২৩২
গরঃৎধ, কবফধৎবংযধিৎৃৃৃৃৃইধঁষবধয ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়.২৩৩
গরঃৎধ, টসবংপযধহফৎধৃৃৃৃৃইধঁষবধয ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়.২৩৩
গঁশযড়ঢ়ধফযুধু, অংঁঃড়ংযৃৃৃইধঁষবধয ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়.২৩৩
ঝবহ, গধযবংপযধহফৎধৃৃৃৃৃ ইধঁষবধয ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়.২৩৫
ঞযরৎফ উরারংংরড়হ:
ইধমপযর, খড়ষরঃসড়যধহ……ইধঁষবধয ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়.২৩৭
জধু, এধঁৎষধষ…..ইধঁষবধয ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়.২৪৪
ঈধষপঁঃঃধ টহরাবৎংরঃু অষসধহধপ, ১৮৭৯-৮০ এ প্রকাশিত তৎকালীন নাম বুয়ালিয়া হাই স্কুলের প্রবেশিকা (ঊহঃৎধহপব বর্তমান এসএসসি) ও এফএ (ঋরৎংঃ অৎঃং=ঋঅ বর্তমান এইচএসসি) পরীক্ষার ফলাফল:
টহফবৎ-এৎধফঁধঃব
ঋরৎংঃ ঊীধসরহধঃরড়হ রহ অৎঃং
১৮৭৭
ঋরৎংঃ উরারংংরড়হ:
ঘড়
ঝবপড়হফ উরারংংরড়হ:
ঈযধশৎধনধৎঃর, উঁৎমধশধহঃধ….ইধঁষরধ ঐরময ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়. ২৩৮
ঝধৎশধৎ, এড়ঢ়ধষপযধহফৎধ….. ইধঁষরধ ঐরময ঈড়ষষবমব. চধমব হড়. ২৩৯
(ঈধষপঁঃঃধ টহরাবৎংরঃু অষসধহধপ, ১৮৭৯-৮০ এর২৩৯ পৃষ্ঠায়এখানে ঐরময ঈড়ষষবমব শব্দ দুটিতে কলমের কাটা দাগ আছে। প্রিন্টিংয়ে ভুলের কারণে  হয়তো ইধঁষরধ ঐরময ঝপযড়ড়ষ এর পরিবর্তে ইধঁষরধ ঐরময ঈড়ষষবমব এসেছে। এ কারণে পুরোপুরি সংশোধন না করে ঐরময ঈড়ষষবমব শব্দ দুটি কলমে কেটে রাখা হয়েছে)
ঞযরৎফ উরারংংরড়হ:
এযড়ংয, চৎধংংধহহধশঁসধৎৃৃ. ইধঁষরধ ঐরময ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়. ২৪১
গরংৎধ, জধসমড়নরহফধৃৃ.ৃৃইধঁষরধ ঐরময ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়. ২৪১
গঁহংর, এঁৎঁহধঃযৃৃ.ৃৃৃইধঁষরধ ঐরময ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়. ২৪১
টহফবৎ-এৎধফঁধঃব
ঋরৎংঃ ঊীধসরহধঃরড়হ রহ অৎঃং
১৮৭৮
ঋরৎংঃ উরারংংরড়হ:
খধযরৎর, খধষরঃসড়যধহ …. ইধঁষবধয ঐরময ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়. ২৪৩
ঝবপড়হফ উরারংংরড়হ:
ঈযধশৎধনধৎঃর, কঁহলধনরযধৎর…. ইধঁষবধয ঐরময ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়.২৪৪
ঞযরৎফ উরারংংরড়হ:
জধু, ওংধহপযধহফৎধ…..ইধঁষবধয ঐরময ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়.২৪৮

ঊহঃৎধহপব ঊীধসরহধঃরড়হ
১৮৭৭
ঋরৎংঃ উরারংংরড়হ:
উধং, জধফযধমড়নরহফধ….. ইধঁষরধ ঐরময ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়.২৪৯
গরঃৎধ, ঝৎরংপযধহফৎধ….ইধঁষরধ ঐরময ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়.২৫১
ঝবপড়হফ উরারংংরড়হ:
ঈধঁফযঁৎর, টসবংপযধহফৎধ…. ইধঁষরধ ঐরময ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়.২৫৫
চড়ফফধৎ, চৎধংহহধশঁসধৎ…..ইধঁষরধ ঐরময ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়.২৬১
ঞযরৎফ উরারংংরড়হ:
ইরংধিং, উঁৎমধপযধৎধহ…..ইধঁষরধ ঐরময ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়.২৬৫
গধরঃৎধ, ঝধৎধফধসড়যধহ…..ইধঁষরধ ঐরময ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়.২৬৮
গধরঃৎধ, ঞধৎধশহধঃয……  ইধঁষরধ ঐরময ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়.২৬৯
ঝধুহধষ, চঁষরহপযধহফৎধ….. ইধঁষরধ ঐরময ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়.২৭১
১৮৭৮
ঋরৎংঃ উরারংংরড়হ:
ঈযধঁফযঁৎর, করংড়ৎরসড়যধহ….ইধঁষবধয ঐরময ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়.২৭৩
খধযরৎর, গড়যরহরসড়যধহ…..ইধঁষবধয ঐরময ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়.২৭৪
গধরঃৎধ, অশংযধুশঁসধৎ…..ইধঁষবধয ঐরময ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়.২৭৪
ঝরহযধ, উবনবহফৎধহধঃয……ইধঁষবধয ঐরময ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়.২৭৫
ঝবপড়হফ উরারংংরড়হ:
অপযধৎুুধ, ঘরষশধহঃধ…… ইধঁষবধয ঐরময ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়.২৭৬
ঈযধঁফযঁৎর, ইযধনবহফৎধহধৎধুধহ….ইধঁষবধয ঐরময ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়.২৭৯
গঁশযড়ঢ়ধফযুধু, ঝধংরনযঁংযধহ..ৃ.ইধঁষবধয ঐরময ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়.২৮৫
ঝধুধষ, উঁৎমধহধহফধ…… ইধঁষবধয ঐরময ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়.২৮৭
ঝধৎশধৎ, কধরষধংপযধহফৎধ…..ইধঁষবধয ঐরময ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়.২৮৭
ঞযরৎফ উরারংংরড়হ:
এড়ংধিসর, ঐধৎরংপযধহফৎধ……ইধঁষবধয ঐরময ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়.২৯২
এঁঢ়ঃধ, ইধৎধমড়নরহফধ…….ইধঁষবধয ঐরময ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়.২৯২
গধরঃৎধ, কবফধৎহধঃয……ইধঁষবধয ঐরময ঝপযড়ড়ষ. চধমব হড়.২৯২
সূত্রগুলোই তথ্যের বিভিন্নতা স্পষ্ট। এ সব প্রাপ্ত তথ্য থেকে এ প্রাচীন প্রতিষ্ঠানটির প্রকৃত স্থাপন কাল নির্ধারণের সিদ্ধান্তে আসা যায় না। তাই এ বিষয়ে আরো গবেষণা প্রয়োজন। তবুও আরো কিছু গ্রন্থের সাহায্য নিয়ে প্রচেষ্টা চালোনো হলো।
স্থাপন কাল: সরকারিকরণের সময় ধরে অনেকে স্কুলটির স্থাপনকাল ১৮৩৬ চিহ্নিত করেছেন। প্রকৃতপক্ষে স্কুলটি বেসরকারিভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় তারও পূর্বে। উইলিয়াম অ্যাডামই স্কুলটি পরিদর্শন করেন ১৮৩৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে। তাঁর পরিদর্শন বিবরণের ভিত্তিতেই স্কুলটির প্রতি সরকারের বিশেষ দৃষ্টি আসে ও সরকারি হয়। তিনি বিবরণের শুরুর দিকে লিখেছেন ঞযব ংপযড়ড়ষ ধিং বংঃধনষরংযবফ রহ ঔঁষু, ১৮৩৩. অর্থাৎ স্কুলটি স্থাপন হয়েছিল ১৮৩৩ সালের জুলাইয়ে। বর্তমান প্রবন্ধকারের অনেকে উইলিয়াম অ্যাডামের রিপোর্টের অংশ বিশেষ তাঁদের প্রবন্ধে আনলেও তাঁর প্রতিবেদনে উল্লিখিত স্থাপনের সময়টি এড়িয়ে গেছেন। স্কুলের তথ্য সংরক্ষণ পদ্ধতি উন্নত ও সমৃদ্ধ না হওয়ার কারণে মৌলিক সূত্র আবিস্কার সম্ভব হচ্ছে না। কিছু আছে রাজশাহী কলেজের লাইব্রেরিতে। সেখানে পুরনো অংশ ক্যাটালগ পদ্ধতির বিন্যাস নেই। উইলিয়াম অ্যাডামের এ  রিপোর্টটি সেখান থেকেই পাওয়া গেছে অনাথনাথ বসু সম্পাদিত ওহঃৎড়ফঁপঃরড়হ ঃড় অফধস রং জবঢ়ড়ৎঃ-১৯৪১ গ্রন্থে। গ্রন্থটি ১৯৪১ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হয়েছে। ১৮৩৬ থেকে ১৯৪১ সালের ব্যবধান ১০৫ বছর। শতাব্দী পর সম্পাদিত গ্রন্থটিতে দু’ এক জায়গার প্রিন্টিং ভুলও হতে পারে। আবার উপস্থাপন তথ্যেও ভ্রান্তি থাকতে পারে। যেমন-কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮৭৯-১৮৮০ এর অ্যালমানাক বলছে, ওঃ রং ধ এড়াবৎহসবহঃ ওহংঃরঃঁঃরড়হ, ড়ৎরমরহধষষু বংঃধনষরংযবফ ধং ধ তরষষধ ঝপযড়ড়ষ রহ ১৮৩৬. আবার ১৯৩১ সালের ক্যালেন্ডার উল্লেখ করছে, জধলংযধযর  ঈড়ষষবমব ডধং ড়ৎরমরহধষষু ধ ঢ়ৎরাধঃব ঊহমষরংয ঝপযড়ড়ষ ভড়ঁহফবফ রহ ১৮২৮ ধহফ ংঁনংবয়ঁবহঃষু ঃধশবহ ড়াবৎ নু এড়াবৎহসবহঃ ধহফ ঃঁৎহবফ রহঃড় ধ তরষষধ ঝপযড়ড়ষ রহ ১৮৩৬.
দেশের সর্বপ্রাচীন আধুনিক একাডেমিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে ঐতিহ্য স্বীকৃতির দাবিদার। গবেষণার ভিত্তিতে জ্ঞান বিকাশেও অবদান রাখতে পারে এ স্কুলটি। যথাযথ মৌলিক গবেষণা হলে উল্লিখিত বিভ্রান্তির সমাধান আসতে পারে। আপাতত ধরে নেয়া যায়, অনুসন্ধানের গভীরে গিয়ে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ১৮৭৯-১৮৮০ এর অ্যালমানাকের তথ্য সংশোধন করে ১৯৩১ সালের ক্যালেন্ডারে বলা হয়েছে প্রাইভেট ইংলিশ হিসেবে ১৮২৮ সালে যাত্রা শুরু করেছিল বর্তমান রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল।
স্কুলের নাম: বিভিন্ন প্রবন্ধ ও গ্রন্থে যা-ই লিখা হোক না কেন আদিতে এ স্কুলের নাম বোয়লিয়া ইংলিশ স্কুল বা কলেজিয়েট স্কুল ছিল না। জেলা স্কুল নামকরণতো কখনই হয়নি। উইলিয়াম অ্যাডামের রিপোর্টের শিরোনাম ছিল ঊহমষরংয ঝপযড়ড়ষ. রিপোর্টের অংশ বিশেষে উল্লেখ করা হয়েছে ঊহমষরংয ঝপযড়ড়ষ ধঃ ইধঁষবধয. যার বাংলা অর্থ দাঁড়ায় ইংলিশ স্কুল বুয়লিয়ায় অবস্থিত। ঝবষবপঃরড়হং ভৎড়স ঊফঁপধঃরড়হধষ জবপড়ৎফং চধৎঃ-১(১৭৮১-১৮৩৯)  গ্রন্থের ১৭৩ পৃষ্ঠায় এ স্কুলের নাম লিখা হয়েছে ইধঁষবধয ঝপযড়ড়ষ. ঔ.জ.ঈড়ষারহ  এর নোট থেকে প্রকাশিত এ গ্রন্থের একটি রিপোর্টে দেখা যায়, ১৮৩৭ সালে এর ছাত্র সংখ্যা ছিল ৮০ জন ও গড় মাসিক ব্যয় হয়েছিল ১৭৭ রুপি। স্বতন্ত্র রাজশাহী কলেজ প্রতিষ্ঠার পূর্ব পর্যন্ত কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সময়ের ক্যালেন্ডারগুলোই প্রকাশিত এন্ট্রান্স ও এফএ পরীক্ষার ফলাফলেও স্কুলের নাম বুয়ালিয়া স্কুল এবং বুয়ালিয়া হাই স্কুল লিখা হয়েছে। যেমন- ১৮৫৯ সালের কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যালেন্ডারে ১৮৫৯  সালের এন্ট্রান্স পরীক্ষার ফলাফল এবং ১৮৬৮-৬৯ সালের ক্যালেন্ডারে ১৮৬৬ ও ১৮৬৭ সালের এন্ট্রান্স পরীক্ষার ফলাফলে স্কুলের নাম আছে ইধঁষবধয ঝপযড়ড়ষ. রাজশাহী কলেজের লাইব্রেরিতে প্রাপ্ত ১৮৫৯ সালের কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যালেন্ডারের একটি কপিতে দুটি সিলের ছাপ পাওয়া যায়। ছাপ দুটির একটি নীল কালির। তাতে লিখা আছে জধলংযধযর ঈড়ষষবমব. অপরটি কালো কালির। যাতে লিখা আছে ইঅটখঊঅঐ ঝঈঐঙঙষ. সিলটি এ গ্রন্থের ১৬,১৭,১০০, ১৯১ পৃষ্ঠায় আছে। রং দেখেই জানা গেছে ইঅটখঊঅঐ ঝঈঐঙঙখ সিলটি আগের এবং  জধলংযধযর ঈড়ষষবমব  সিলটি পরের। নি¤েœ তা উপস্থাপন করা হলো:
১৮৭৯-৮০ সালের ক্যালেন্ডারে স্কুলের নাম ও বুয়ালিয়া শব্দটির ইংরেজি বানানে তারতম্য লক্ষ্য করা যায়। এ ক্যালেন্ডারে ১৮৭৭ সালের এন্ট্রান্স ও এফএ পরীক্ষার ফলাফলে স্কুলের নাম আছে ইধঁষরধ ঐরময ঝপযড়ড়ষ. আবার একই ক্যালেন্ডারে ১৮৭৮ সালের এন্ট্রান্স ও এফএ পরীক্ষার ফলাফলেও স্কুলের নাম আছে ইধঁষবধয ঐরময ঝপযড়ড়ষ. এ বছরেই রাজশাহী কলেজ স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাফিলিয়েশন (স্বীকৃতি) পায়। ইংরেজি অক্ষরে যার বানান ছিল জধলংযধযুব ঈড়ষষবমব. এ সময় বুয়ালিয়া হাই স্কুল পরিবর্তিত নাম কলেজিয়েট স্কুল। অর্থাৎ বুয়ালিয়া হাই স্কুল দুটি অংশে বিভক্ত হয়ে যায়। একটি অংশের নাম হয় রাজশাহী কলেজ (জধলংযধযুব ঈড়ষষবমব) এবং আর একটি অংশ কলেজিয়েট স্কুল (ঈড়ষষবমরধঃব ঝপযড়ড়ষ)। তবে একই ম্যানেজমেন্টে প্রতিষ্ঠান দুটি পরিচালিত হতো। পরবর্তীতে কোন এক সময় স্কুলের নামের পূর্বে রাজশাহী শব্দটি যোগ হয়ে রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুল নাম ধারণ করে।
কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৮৭৯-১৮৮০ এর অ্যালমানাক, কালীনাথ চৌধুরী তাঁর রাজশাহীর সংক্ষিপ্ত ইতিহাস গ্রন্থসহ কোন কোন গ্রন্থ ও প্রবন্ধে ১৮৩৬ সালে স্কুলটিকে জেলা স্কুল বা জিলা স্কুল (তরষষধ ঝপযড়ড়ষ) নামে প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে। আসলে স্কুলটি কখনও জেলা স্কুল বা জিলা স্কুল নাম পায়নি। হয়তো তখন জেলা স্কুলের মর্যাদা দিয়ে স্কুলটিকে সরকারি করা হয়েছিল। তবে ১৮৩৬ সালে ইংলিশ স্কুলের পরিবর্তে নাম দেয়া হয় বুয়ালিয়া স্কুল।
ইধঁষবধয, ইধঁষরধ উভয় বানানেই ইংরেজি অক্ষর ইউ (ঁ) ব্যবহার হয়েছে। বর্তমান ব্যবহৃত বোয়ালিয়া শব্দটি এসেছে বুয়ালিয়া থেকে। ফার্সি বুয়ালিয়া শব্দটি উচ্চারণের সুবিধার্থে কখনও ইধঁষবধয, কখনও ইধঁষরধ ব্যবহার করেছে। সুতরাং সে সময়ে শহরের নাম ছিল বুয়ালিয়া। পরে বানানের পরিবর্তন এসেছে বোয়ালিয়া।
(চলবে)