রাজশাহী জেলার সামাজিক-সম্প্রীতি কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত

আপডেট: আগস্ট ১৪, ২০২২, ১০:২১ অপরাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক:


প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় কর্তৃক জারিকৃত প্রজ্ঞাপনের আলোকে রাজশাহী জেলার সামাজিক-সম্প্রীতি কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (১৪ আগস্ট) বেলা ১২ টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সামাজিক সম্প্রীতি কমিটির সদস্যদের অংশগ্রহণে সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল।

সভায় কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন, সিভিল সার্জন ডা. আবু সাইদ মোহাম্মদ ফারুক, এনএসআই এঁর যুগ্ম-পরিচালক ছানোয়ার হোসেন, রাজশাহী মহানগর ইউনিটের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. মো. আব্দুল মান্নান, দৈনিক সোনার দেশ পত্রিকার সম্পাদক আকবারুল হাসান মিল্লাত, রাজশাহী নিউ গভ. ডিগ্রী কলেজের উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. অলীউল আলম, মোহনপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাড. মো. আব্দুস সালাম, কেশরহাট পৌরসভার মেয়র মো. শহিদুজ্জামান, ইসলামীক ফাউন্ডেশনের সহকারী পরিচালক একেএম মুজাহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড এন্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট) রাজশাহী ইউনিটের সমন্বয়কারী এডভোকেট সামিনা বেগম।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল বলেন, বাংলাদেশ একটি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এই দেশের মানুষ অস্থিরতা-বিশৃঙ্খলা পছন্দ করেন না। দেশ ব্যাপী সামাজিক-সম্প্রীতি বজায় রাখতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের প্রজ্ঞাপন মোতাবেক জেলা কমিটি গঠন করা হয়েছে। এরই আলোকে জেলার সামাজিক-সম্প্রীতি কমিটির ১ম সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

জেলা প্রশাসক আব্দুল জলিল আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সামাজিক সম্প্রীতির বন্ধনকে সুদৃঢ় করেছেন। সমাজে অস্থিরতা-বিশৃংখলা সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। যারা সামাজিক প্রচার মাধ্যমে উস্কানিমুলক বিবৃতি দেখেই, যারা পাল্টা বিবৃতি দিয়ে সমাজে দাঙ্গা-হাঙ্গামা ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপতৎপরতা চালায়, তাদের ব্যাপারে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেয়ার ওপর গুরুত্ত্বারোপ করেন। তাই রাজশাহী জেলায় সমাজের সকল শ্রেণী পেশার মানুষের সহযোগিতা নিয়ে সামাজিক সম্প্রীতির বন্ধনকে সুদৃঢ় করতে সক্ষম হয়েছি বলে জানান তিনি।

সভায় উপস্থিত বক্তারা সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহারের মাধ্যমে সংঘটিত সাইবার অপরাধ, গুজব ও জেলায় সাম্প্রদায়িকতার বিষবাস্প ছড়িয়ে যে কোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে আহ্বান জানান। ছাত্র-ছাত্রীদের পাঠ্যপুস্তকের পাশাপাশি বিভিন্ন ধর্ম শিক্ষা বিষয়ক বই পড়ার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেন। এছাড়াও শিক্ষার্থীদের জীবনবোধ তৈরির জন্য সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চার প্রতি বাবা-মার পাশাপাশি শিক্ষকদের আহবান জানান। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে সমাজে সম্প্রীতি বজায় রাখতে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক প্রচার-প্রচারণার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করে।

এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সাবিহা সুলতানা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক কল্যাণ চৌধুরী, জেলার সকল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাবৃন্দ, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দ, পৌরসভার মেয়রসহ জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ