রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচন মীর ইকবালকে জয়যুক্ত করার লক্ষে সভা অনুষ্ঠিত

আপডেট: অক্টোবর ৫, ২০২২, ১১:১৪ অপরাহ্ণ

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি:


রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য ও রাজশাহী নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল-এঁর কাপ-পিরিচ প্রতীকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করার লক্ষ্যে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৫ অক্টোবর) বিকালে নগরীর একটি রেস্তোরায় পবা উপজেলার অন্তর্গত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানবৃন্দের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় হুজুরিপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফার সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব দেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য ও রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল। সভা সঞ্চালনা করেন, হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বজলে রেজভী আল হাসান মুঞ্জিল।

সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল বলেন, বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে মাতৃভূমিকে স্বাধীন করতে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলাম। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও জননেত্রী শেখ হাসিনা’র নেতৃত্বের প্রতি অবিচল থেকে আমার দীর্ঘ রাজনীতি জীবনে বঙ্গবন্ধুকন্যা রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রদান করায় আমি তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ।

তিনি আরো বলেন, নির্বাচনে বিজয় অর্জন করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে আমি জনগণের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখবো। আমার উপর অর্পিত দায়িত্ব ও কর্তব্য সততা এবং নিষ্ঠার সাথে পালন করবো। জেলা পরিষদে সরকার কর্তৃক যে বরাদ্দ আসবে তা আপনাদের মাঝে সুষম বন্টন করাই হবে আমার কাজ। অতীতেও ছিলাম, বর্তমানে আছি এবং ভবিষ্যতেও আপনাদের পাশে থেকে আমার বাকি জীবন পার করতে চাই। আপনারা যে কোন সমস্যা নিয়ে আমার কাছে আসবেন, আপনাদের সমস্যার সমাধানে আমি সর্বাত্মক চেষ্টা করবো। আমি বিজয়ী হলে এই বিজয় হবে আপনাদের, এই বিজয় হবে আমার প্রাণপ্রিয় নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা’র।

এসময় উপস্থিত ছিলেন দামকুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম, বড়গাছী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাহাদৎ হোসেন সাগর, দর্শনপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাহাদৎ হোসেন রাজিব, পারিলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সাঈদ আলী, হরিয়ান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মফিদুল ইসলাম বাচ্চু প্রমুখ ।

অন্যদিকে, বাগমারা উপজেলার বাসুপাড়া ইউনিয়ন পরিষদে, বেলা সাড়ে ১২ টায় শুভডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদে, বেলা দুপুর ২ টায় নরদাস ইউনিয়ন পরিষদে, বিকেল ৩ টায় সোনাডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদে, বিকাল ৪ টায় গোবিন্দপাড়া ইউনিয়ন পরিষদে, বিকাল সাড়ে ৫ টায় আউচপাড়া ইউনিয়ন পরিষদে, সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টায় দ্বীপপুর ইউনিয়ন পরিষদে, রাত সাড়ে ৭ টায় বাগমারা উপজেলার মাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদে ও বিকাল ৪ টায় বাঘা উপজেলার মনিগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচনী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বক্তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরতœ শেখ হাসিনা মনোনীত রাজশাহী জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবালকে কাপ পিরিচ প্রতীকে ভোট দিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনা’র চলমান উন্নয়ন কর্মসূচী এগিয়ে নিতে হবে। বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে উপজেলা পরিষদ, ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভার মেয়রবৃন্দদের সাথে আলোচনা করে তাদের মতামতের সমন্বয় ঘটিয়ে জেলা পরিষদের কার্যক্রম পরিচালিত করা হবে। আর এর মধ্যে দিয়েই জেলা পরিষদকে দায়িত্বশীল, সেবামূলক ও গতিশীল প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

বক্তারা আরো বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবাল দেশমাতৃকার স্বাধীনতার জন্য বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করে দেশ স্বাধীন করেছিলেন। তিনি আওয়ামী লীগের একজন নিবেদিত সংগঠক, তিনি নির্বাচিত হলে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধকে সমুন্নত রেখে জেলা পরিষদের কার্যক্রমকে পরিচালনা করবেন। সেখানে আপনাদের সাথে নিয়ে সরকার কর্তৃক জেলা পরিষদের জন্য যে উন্নয়ন বরাদ্দ আসবে, তার সুষম বণ্টন করে জেলা পরিষদকে প্রকৃত অর্থেই জনগণের প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা হবে।

উপস্থিত নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে বক্তারা বলেন, প্রবীণ রাজনীতিবিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা মীর ইকবালের বিজয় লাভ করলে এই বিজয় হবে আপনাদের, এই বিজয় হবে রাজশাহীবাসীর, এই বিজয় হবে জননেত্রী শেখ হাসিনা’র।

মতবিনিময় সভাগুলোতে সভাপতিত্ব করেন, বাসুপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান প্রাং, শুভডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন, নরদাস ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গোলাম সারওয়ার, সোনাডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজাহারুল হক, গোবিন্দপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান, আউচপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিএম শাফিকুল ইসলাম শাফি, দীপপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বিকাশ চন্দ্র ভৌমিক, মাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল হক।

বক্তব্য দেন, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অনিল কুমার সরকার, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, নগরের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল, সাধারণ সম্পাদক মো. ডাবলু সরকার, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জাকিরুল ইসলাম সান্টু, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. আব্দুস সামাদ, বাগমারা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম সারওয়ার আবুল, বাগমারা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা বীরেন্দ্রনাথ সরকার, রাজশাহী জেলা যুবলীগের সভাপতি আবু সালেহ, রাজশাহী মহানগর যুবলীগের সভাপতি রমযান আলী, বাসুপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হেলাল উদ্দিন প্রাং, শুভডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য শহীদুল ইসলাম, গোবিন্দপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আফজাল হোসেন, আউচপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য আফছার আলী।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আমানুল হাসান দুদু, নগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রেজাউল ইসলাম বাবুল, রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এ. কে. এম. আসাদুজ্জামান, নগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মীর ইসতিয়াক আহমেদ লিমন, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক রবিউল আলম রবি, আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. মুসাব্বিরুল ইসলাম, সদস্য মুশফিকুর রহমান হাসনাত, আশরাফ উদ্দিন খান, মজিবুর রহমান, ইসমাইল হোসেন, জাতীয় শ্রমিক লীগ, নগরের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক শরীফ আলী মুনমুন, রাজশাহী জেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলী আযম সেন্টু প্রমুখ।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ