রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়

আপডেট: নভেম্বর ১১, ২০২৩, ১২:০৩ পূর্বাহ্ণ

এবার অবকাঠামো নির্মাণের পালা

রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (রামেবি) স্থাপন প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণের বাধা কেটেছে। বৃহস্পতিবার (৯ নভেম্বর) প্রকল্পটি সংশোধিত ডিপিপি (ডেভলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রোপোজাল) অনুমোদন দিয়েছে একনেক। এদিন সকালে ঢাকার শেরেবাংলা নগরস্থ এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরের ষষ্ঠ সভায় রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংশোধিত ডিপিপি অনুমোদিত হয়। সংশোধিত ডিপিপিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমি অধিগ্রহণ ও অবকাঠামো নির্মাণ খাতে ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। সংশোধিত ডিপিপির অর্থ ছাড় হলে ভূমি অধিগ্রহণ খাতের বকেয়া ১৭২ দশমিক ১৭ কোটি টাকা রাজশাহী জেলা প্রশাসকের সংশ্লিষ্ট খাতে ন্যস্ত করা হবে।

দেশের প্রথম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাফল্যে অনুপ্রাণিত হয়ে রাজশাহী ও চট্টগ্রামে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের চিন্তা করা হয়। জাতীয় সংসদে পাস হওয়ার পর প্রেসিডেন্ট দু’টি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন দেন। ২০১৬ সালের মে মাসে রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন পাস করা হয়। এরপর ২০২২ এর ১৪ জুন রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন প্রকল্পের ডিপিপি অনুমোদিত হয়। ২০১৮ সালের রেট সিডিউল অনুযায়ী ডিপিপির প্রথম ধাপের ব্যয় ধরা হয় ১৮৬৭ কোটি টাকা। বরাদ্দ অর্থ থেকে রাজশাহী জেলা প্রশাসকের ভূমি অধিগ্রহণ খাতে চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত ৫৮৪ কোটি বাই-ট্রান্সফার করা হয়েছে। ২০২২ সালের রেট সিডিউল অনুযায়ী প্রথম সংশোধিত ডিপিপির ব্যয় বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪০০ কোটি টাকা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাইট সিলেকশনে সময় লেগে যায়। শেষ বিবেচনায় নগরীর বড়বনগ্রাম এবং পবা উপজেলার বারইপাড়া ও বাজে সিলিন্দা মৌজার প্রায় ৬৮ একর জায়গায় রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় নির্মাণ করা হবে। এরপর থেকে রাজশাহীবাসীর আগ্রহ ও কৌতুহল বৃদ্ধি পেতে থাকে। জমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্তদের পক্ষ থেকেও কোনো আপত্তি উঠেনি। রাজশাহীবাসীর আগ্রহের জায়গা হলোÑ কবে নাগ্দা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামো নির্মাণ কাজ শুরু হবে। বিলম্ব পরিস্থিতিও মানুষকে কৌতুহল করে তোলে। স্বাভাবিকভাবে রাজশাহীর মানুষ রাজশাহীর গৌরবের এই বিশ্ববিদ্যালয় কবে নাগাদ পূর্ণাঙ্গ রূপ নিবে তার অপেক্ষায় আছেন। সংশোধিত ডিপিপি অনুমোদনের পর নিশ্চয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি অধিগ্রহণের অর্থ পরিশোধ এবং মূল অবকাঠামো নির্মাণের কাজ শিগগিরই শুরু হবেÑএ প্রত্যাশা সকলের।