রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে বিজিবি মোতায়ন যাত্রীদের হয়রানি বন্ধে প্রংশনীয় উদ্যোগ

আপডেট: জুন ২৪, ২০১৭, ১:১৬ পূর্বাহ্ণ

ঈদ আসলেই যাত্রীদের অভিযোগ টিকিট নাই। আর এই অভিযোগের কারণে ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হয় যাত্রীদেরকে। যাত্রীদের দুর্ভোগের চিন্তা মাথায় রেখে পুলিশ ও আনসার সদস্যদের পাশাপাশি এবার রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে নিরাপত্তার দায়িত্বে কাজ করছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এতে করে যাত্রীদের মধ্যে ফিরে এসেছে স্বস্থি।
ঈদ উপলক্ষে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে ট্রেনের ফিরতি টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার থেকে ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হয়। গত বুধবার থেকে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যরা যাত্রীদের হয়রানি বন্ধে স্টেশনের নিরাপত্তার দায়িত্বে কাজ করছেন। এনিয়ে সোনার দেশে গতকাল একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কালোবাজারে টিকিট ও স্থানীয়দের নিয়ে নানা সমস্যার কথা ভেবে নিরাপত্তা জোরদার করতে এই বিজিবি মোতায়ন করা হয়েছে বলে রেলওয়ে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
স্টেশনের ভেতরে যাত্রীদের নিরাপত্তা বা হয়রানি বন্ধের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান করছে। ইতোমধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালতও মাঠে কাজ করছে। টিকিটি কাউন্টারগুলোতে টিকিট প্রত্যাশিদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। টিকিট প্রত্যাশিরা টিকিট কিনছেন। টিকিট কাটা থেকে শুরু করে আগমন ও গমনের হয়রানি বন্ধে কাজ করছে নিরাপত্তা বাহিনী। তবে বিজিবির পাহারায়, ট্রেনের যাত্রীরা টিকিট ঠিকমতো আগমন ও গমনের সব ধরনের হয়রানি বন্ধ হয়েছে। তবে যাত্রীদর প্রত্যাশা বিজিবি মোতায়নের ফলে হয়রানি বন্ধ হয়েছে। কিন্তু এই ধারাবাহিকতা কতদিন পর্যন্ত চলবে। এই নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে শঙ্কা রয়েছে। যাত্রীদের মন্তব্য বাংলাদেশে সবকিছু ভালো ভাবনা নিয়েই শুরু হয়। কিন্তু শেষপর্যন্ত তা ধরে রাখতে পারে না। তাই শুধু ঈদ নয়, অন্য সময়েও যাত্রী নির্বিঘ্নে টিকিটসহ রেলওয়ে সুবিধা ভোগ করতে চান।
যাত্রী ঈদমুখী হয়রানির কথা চিন্তা করে রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের কর্মকর্তারা এবছর ঈদ উপলক্ষে রাজশাহী-ঢাকা-রাজশাহীর মধ্যে ঈদ স্পেশাল-৩ এবং ঈদ স্পেশাল-৪ দুইটি ট্রেন চালু করেছে। শুধু তাই নয়, ২১ জুন থেকে ঈদুল ফিতর উপলক্ষে অন্ত:নগর ও কমিউটার ট্রেনের কোন অফ-ডে থাকবে না। যাত্রীর চাহিদা বিবেচনা করে ২৩ জুনের পরিবর্তে রাজশাহী ও পাবর্তীপুরগামী ট্রেন ২২ জুন থেকে চলাচল শুরু করেছে। একসময় ছিল বাংলাদেশের যাত্রীরা ট্রেনে যাতায়াত করতো না। কিন্তু বর্তমানে ট্রেনে সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি হওয়ার কারণে আগের চেয়ে যাত্রীর সংখ্যাও বেড়ে গেছে। সেই সাথে যাত্রীদের নিরপদ বহন হিসেবে বাংলাদেশ রেলওয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। আর এই জনপ্রিয় হয়ে উঠার পেছনে অন্যদের সাথে বিজিবিও ভালো ভূমিকা রাখছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ