রাজশাহী-সিলেট ম্যাচে বোলারদের দাপট

আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০১৭, ১২:২২ পূর্বাহ্ণ

ক্রীড়া প্রতিবেদক


৩২ রানে ৬ উইকেট নিয়েছেন সায়েম আলম

দ্বিতীয় দিনে ব্যাটসম্যানদের জন্য কঠিন পরীক্ষা অপেক্ষা করছে, তার আভাস পাওয়া গিয়েছিল প্রথম দিন শেষেই। কিন্তু সেই পরীক্ষা যে এতটা কঠিন হবে, তা হয়তো রাজশাহীর ব্যাটসম্যানরা কল্পনাও করতে পারেননি! সায়েম আলমের চমক জাগানো বোলিংয়ে এগিয়ে গেছে সিলেট।
ওয়ালটন ১৯তম জাতীয় ক্রিকেট লিগে দ্বিতীয় স্তরের এই ম্যাচে প্রথম ইনিংসে ১২৮ রানে অলআউট হয়েছে সিলেট। জবাবে রাজশাহীর প্রথম ইনিংস গুটিয়ে গেছে মাত্র ৭৯ রানেই! দ্বিতীয় দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে সিলেটের সংগ্রহ ৫ উইকেটে ৯০ রান। ৫ উইকেট হাতে নিয়ে সিলেট এগিয়ে আছে ১৩৯ রানে।
দ্বিতীয় দিনে দুই দল মিলিয়ে মোট ১৬ উইকেটের পতন হয়েছে। অফ স্পিনে প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ার সেরা ৩২ রানে ৬ উইকেট নিয়েছেন সায়েম আলম। মূলত টপ অর্ডার ব্যাটসম্যান হিসেবেই পরিচিত তিনি। এর আগে ২৩ ইনিংসে হাত ঘুরিয়ে তার উইকেট ছিল মাত্র ৩টি। এবার এক ইনিংসেই নিলেন এর দ্বিগুণ!
প্রথম দিনের ৯ উইকেটে ১২৩ রান নিয়ে নগরীর শহীদ কামারুজ্জামান স্টেডিয়ামে গতকাল শনিবার দ্বিতীয় দিনের খেলা শুরু করেছিল সিলেট। শেষ ব্যাটসম্যান হিসেবে আবু জায়েদকে ফিরিয়ে ১২৮ রানে সিলেটের ইনিংসের ইতি টানেন ফরহাদ রেজা।
আগের দিনের ২ উইকেটের সঙ্গে দ্বিতীয় দিনে একটি, ৩৩ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন ৩১ বছর বয়সি পেসার ফরহাদ। বাঁহাতি স্পিনার সাকলাইন সজীবও ৩ উইকেট নিয়েছেন, রান দিয়েছেন ২৬। মুক্তার আলী দুটি ও শরিফুল ইসলাম নেন একটি উইকেট। জবাবে ১ উইকেট হারিয়ে ৩৮ রান তুলে ফেলেছিল রাজশাহী। কিন্তু খানিক বাদেই তাদের স্কোর হয়ে যায় ৫ উইকেটে ৫৩! ১৫ রানেই নেই ৪ উইকেট! এরপর নিয়মিত বিরতিতেই উইকেট হারিয়েছে স্বাগতিক দল। ২৬ রানে শেষ ৫ উইকেট হারিয়ে ২৭.৪ ওভারে তারা ৭৯ রানেই অলআউট হয়ে যায়।
রাজশাহীর ইনিংসে দুই অঙ্ক ছুঁয়েছেন কেবল তিনজন! সর্বোচ্চ ২২ রান জুনায়েদ সিদ্দিকের। জহুরুল ইসলাম ১৯ ও মাইশুকুর রহমান করেন ১৫ রান। সিলেটের হয়ে সায়েমের ৬ উইকেট ছাড়া আবুল হাসান রাজু ২৪ রানে নিয়েছেন ৩ উইকেট। একটি উইকেট নিয়েছেন আবু জায়েদ। ৪৯ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি সিলেটের। প্রথম ওভারেই রানআউটে কাটা পড়েন শাহনাজ আহমেদ। দ্রুতই ফিরে যান সায়েম আলম, অলক কাপালি আর ইমতিয়াজ হোসেনও। দুই অঙ্ক ছুঁয়েছেন কেবল ইমতিয়াজ (১০)। সিলেটের সংগ্রহ তখন ৪ উইকেটে ২২! পঞ্চম উইকেটে ৬৩ রানের জুটিতে প্রতিরোধ গড়েন রাজিন সালেহ ও শাহানুর রহমান। দিনের শেষ দিকে সাকলাইনের বলে রাজিন (৩৯) এলবিডব্লিউ হয়ে গেলে ভাঙে এ জুটি। শাহানুর ২৬ ও আনোয়ার আকবর ৩ রানে অপরাজিত আছেন।