রাণীনগরে আমন ধান রক্ষায় চলছে নানা কর্মকাণ্ড

আপডেট: October 22, 2020, 4:27 pm

আব্দুর রউফ রিপন, নওগাঁ প্রতিনিধি:


নওগাঁর রাণীনগরে ক্ষতিকর বাদামী ঘাস ফড়িং পোকা, ব্লাস্ট রোগসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর পোকা ও রোগের হাত থেকে চলতি আমন মৌসুমের ধান রক্ষার্থে চলছে সচেতনতামূলক নানা কর্মকাণ্ড। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর আমন ধান রক্ষায় আগে থেকেই কৃষকদের সচেতন করতে কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
সন্ধ্যার পর কৃষকদের নিয়ে ধানের আইলের পাশে আলোক ফাঁদ পেতে ধানে আক্রমণ করতে এমন ক্ষতিকর পোকার উপস্থিতি নিশ্চিত করে পরে কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুসারে বালাইনাশক প্রয়োগ করা। গ্রামে গ্রামে গিয়ে সমাবেশ করা, বিভিন্ন হাট-বাজারে দল ভিত্তিক আলোচনা ও কৃষকদের ঘরে ঘরে গিয়ে পরামর্শ প্রদান, কৃষকদের মাঝে সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করাসহ নানা কর্মকাণ্ড কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা ও উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তারা বাস্তবায়ন করে আসছেন। এতে করে কৃষকরা সহজেই তাদের ধানের ক্ষেতে আক্রমণকারী ক্ষতিকর পোকা ও রোগকে চিহ্নিত করতে পারছেন এবং কৃষি বিভাগের পরামর্শ নিয়ে উপযুক্ত বালাইনাশক প্রয়োগ করে ধানকে বড় ধরনের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে পারছেন। প্রতিদিনই উপজেলার ৮টি ইউনিয়নের কোনো না কোনো গ্রামে গিয়ে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা ধানকে রক্ষা করার এসব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছেন।
উপজেলার কাশিমপুর গ্রামের কৃষক আব্দুল মোতালেব বলেন, কৃষি বিভাগের সহায়তায় কয়েকদিন পর পর আমি ধানের ক্ষেতের আইলে আলোক ফাঁদ পেতে ধান ক্ষেতে ক্ষতিকর পোকার উপস্থিতি জানতে পারছি। পরে কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুসারে জমিতে প্রয়োজন মাফিক বালাইনাশক প্রয়োগ করছি। এতে করে ধানকে আমি ক্ষতিকর পোকার বড় ধরনের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে পারছি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শহীদুল ইসলাম বলেন চলতি আমর মৌসুমে উপজেলায় মোট ১৮ হাজার ১৪০ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ হয়েছে যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি। আমরা কৃষকদের জমি প্রস্তুত করার সময় থেকে ধানের ক্ষতিকর পোকা যেমন বাদামি ঘাস ফড়িং ও বিভিন্ন ধরনের রোগ যেমন ব্লাস্ট রোগসহ অন্যান্য বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে আসছি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ