রাণীনগরে গ্রামীণ রাস্তার কালভার্ট ভেঙে চলাচলে দূর্ভোগ

আপডেট: ডিসেম্বর ১, ২০২২, ১:৩০ পূর্বাহ্ণ

নওগাঁ প্রতিনিধি:


নওগাঁর রাণীনগরে আড়াই কিলোমিটার পাকা গ্রামীণ রাস্তার দুইটি কালভার্ট ভেঙে চলাচলে দীর্ঘদিন ধরে চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হচ্ছে এলাকাবাসীদের। উপজেলার কাশিমপুর ইউনিয়নয়ের এনায়েতপুর বাজার থেকে সর্বরামপুর গ্রাম হয়ে কুজাইল বাজার যাওয়ার গ্রামীণ এই রাস্তার কালভার্টের বর্তমানে ঝুঁকিপূর্ন দশা।
উপজেলা এলজিইডি’র আওতাধীন এই গ্রামীণ রাস্তা দিয়ে প্রতিদিনই এনায়েতপুর, সর্বরামপুর, ডাঙ্গাপাড়া, কাশিমপুর হালদারপাড়াসহ প্রায় ১০টি গ্রামের কয়েক হাজার মানুষকে চলাচল করতে হয়। স্থানীয়দের দৈনন্দিন প্রয়োজনে সড়কের দুটি ঝুঁকিপূর্ন কালবার্ট দিয়েই চলাচল করতে হচ্ছে। চলাচল করতে গিয়ে ঝুঁকিপূর্ন কালভার্টে প্রতিদিনই ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা।

উপজেলার সর্বরামপুর গ্রামের বাসিন্দা হামিদুর রহমান, পলাশ হোসেন, এনায়েতপুর গ্রামের জুয়েল হোসেনসহ অনেকেই জানান, এই সড়কের মধ্যে ২টি কালভার্টের মধ্যে একটি গত দুই বছর আগে সম্পূর্ণ ভেঙে গেছে। দূর্ভোগ থেকে কিছুটা মুক্তি পেতে স্থানীয়রা কোনমতে যাতায়াত করার জন্য মাটি আর ইট দিয়ে ভরাট করে চলাচল করছে। কিন্তু পানি নিষ্কাসনের ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সড়কের দুই পাশের ফসলি জমিতে জলাবদ্ধতার কারণে চাষাবাদ করাও হুমকি পড়েছে। অপর কালভার্টটির দু‘পাশের মাটি দেবে ও ভেঙে যাওয়ায় যান-চলাচলে মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। দ্রুত এ দু‘টি কালভার্ট সংস্কার বা পূন:নির্মাণ করা অতি জরুরি।

কাশিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মকলেছুর রহমান বাবু বলেন, কালভার্ট দু’টি ভেঙে যাওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষ দূর্ভোগ পোহাচ্ছে। কালভার্ট দুটি দ্রুত সংস্কার বা পূন:নির্মাণ না করলে বড় রকমের সড়ক দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। আমি এই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে লিখিত ভাবে জানিয়েছি কিন্তু একণ পর্যন্ত কোন ফল পাওয়া যায়নি।

উপজেলা এলজিইডি’র প্রকৌশলী মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, দ্রুত কালভার্ট দুইটির অস্থায়ী পাটাতনের ব্যবস্থা করে পুন:রায় নতুন করে নির্মাণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বরাবর আবেদন পাঠাবো। অনুমোদন পেলেই সংষ্কার কাজ শুরু করা হবে।