রাণীনগরে প্রচণ্ড শীতকে উপেক্ষা করে চলছে বোরো ধান রোপন

আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০২২, ১:৩৭ অপরাহ্ণ


আব্দুর রউফ রিপন, নওগাঁ প্রতিনিধি:


নওগাঁ ও তার আশেপাশের অঞ্চলের উপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু শৈত প্রবাহ। আর উত্তরের হিমেল হাওয়া সেই শীতের তীব্রতাকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে কয়েকগুন। লাগাতার এই শীতে কাহিল হয়ে পড়েছে নওগাঁর রাণীনগরের সর্বস্তরের জনজীবন।

এমন দুর্যোগেও উপজেলার মাঠজুড়ে চলছে বোরো ধান রোপনের কার্যক্রম। প্রচণ্ড শীতকে উপেক্ষা করে কৃষকরা প্রধান ফসল বোরো ধান রোপনের জন্য জমি প্রস্তুত করতে আবার কেউ ধান রোপনে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

খেটে-খাওয়া দিনমজুর শ্রমিকরাও জীবিকা নির্বাহের লক্ষ্যে প্রচণ্ড শীতকে উপেক্ষা করে ধানের মাঠে কাজ করছে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা গেছে চলতি মৌসুমে উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে ১৭ হাজার ৮০৮ হেক্টর জমি রোবো ধান চাষের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে এই লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি জমিতে বোরো ধান চাষ হওয়ার আশা করছে কৃষি বিভাগ। বোরো মৌসুমে সরকারের পক্ষ থেকে উপজেলার প্রান্তিক পর্যায়ের ৬ হাজার কৃষককে কৃষি প্রণোদনার আওতায় উন্নত জাতের ধান বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।

তবে আবহাওয়া ধান রোপনের অনুক‚লে থাকায় ও ঘন কুয়াশা দীর্ঘ সময় না থাকায় বোরো বীজতলার তেমন ক্ষতি না হওয়ায় উপজেলার কৃষকদের চারা সংকটে পড়তে হবে না বলেও জানায় কৃষি বিভাগ।

উপজেলার লোহাচূড়া গ্রামের কৃষক মতলব আলী বলেন প্রচণ্ড শীতকে উপেক্ষা করেও আমরা বোরো ধান রোপন করছি। রোপনে দেরি হলে ধানের ফলন ভালো হবে না তাই অনেক কষ্ট হলেও ধান রোপনের কাজ করছি।

এছাড়া কৃষি অফিস থেকে সব সময় সার্বিক সহযোগিতা পেয়েছি। ধান বীজ ও সারও পেয়েছি। এতে করে আমার অনেক উপকার হয়েছে।

কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ শহীদুল ইসলাম বলেন এই বৈরী আবহাওয়ায় বোরো বীজতলায় কিভাবে পরিচর্যা করতে হবে।

কোনো সময় কিভাবে ধান রোপন করলে ধানের ফলন ভালো হবে ইত্যাদি বিষয়ে আমিসহ মাঠ পর্যায়ের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তারা সর্বদাই কৃষকদের পরামর্শ দিয়ে আসছি। আশা রাখি বড় ধরনের কোনো দুর্যোগ না

এলে আর আবহাওয়া ধান চাষের অনকূলে থাকলে চলতি বোরো মৌসুমে বাম্পার ফলন হবে বলে আমি আশা করছি।