রাণীনগরে শীতের তীব্রতায় কদর বেড়েছে লেপ-তোষকের

আপডেট: জানুয়ারি ৬, ২০২০, ১:০১ পূর্বাহ্ণ

নওগাঁ প্রতিনিধি


রাণীনগরে তৈরি লেপ-তোষক অন্য জেলা নিয়ে যাওয়ার জন্য ট্রাকে তোলা হচ্ছে -সোনার দেশ

সারা দেশের মতো নওগাঁর রাণীনগরেও পৌষের ঘনকুয়াশা ও মৃদু শৈতপ্রবাহের কারণে জেঁকে বসেছে কনকনে তীব্র শীত। আর এই শীতে শরীর গরম করার জন্য লেপ ও তোষকের জুড়ি নেই। শীতের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে লেপ ও তোষক কেনার ধূম পড়েছে। এছাড়াও রাণীনগরে তৈরি শীতের লেপ ও তোষক যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে।
জানা গেছে, এই তীব শীতে উপজেলার শীতার্ত মানুষের মাঝে স্থানীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ৮টি ইউনিয়নে শীত বস্ত্র হিসেবে যে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে তা শীত নিবারনের জন্য উপযুক্ত নয়। শীত নিবারনের জন্য উপযুক্ত হচ্ছে মোটা লেপ ও তোষক। উপজেলার বিভিন্ন স্থানের তৈরি লেপ ও তোষকগুলো কম দামে মানসম্পূর্ণ হওয়ায় স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে উত্তর জনপদের শীত প্রবন জেলা পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, দিনাজপুর, নিলফামারী, দক্ষিন জনপদের চুয়াডাঙ্গা, যশোর, খুলনা, নড়াইল ও রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলাগুলোতে করা হচ্ছে। লেপ তৈরির কারিগররা শীতের সাথে পাল্লা দিয়ে অর্ডার নিলেও যথা সময়ে সরবারহ করতে হিমশিম খাচ্ছে। উপজেলার বাসস্ট্যান্ড, কোবরাতলী বাজার, বিজয়ের মোড়, স্টেশন রোড, কুজাইল, বেতগাড়ী বাজার ও আবাদপুকুর হাটসহ বিভিন্ন স্থানে লেপ ও তোষক তৈরির দৃশ্য চোখে পড়বে। কারিগরদের দম ফেলার ফুরসত নেই।
উপজেলার কুবরাতলি বাজারের আরিফ তুলা ঘরের স্বত্তাধিকারী মো. জাহের আলী পোদ্দার বলেন, তীব্র শীতের কারণে তুলার চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় ত্রিমোহনী বাজার ও কুবরাতলী বাজার এলাকায় প্রায় ১১টি তুলার মিলে উৎপাদিত তুলা দোকানীদের কাছে সরবরাহ করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে মালিক ও শ্রমিকদের। প্রতি কেজি শিমল তুলা ২শ’ ৫০টাকা থেকে ৩শ’ টাকা, মিলের তুলা ভাল মানের সাদা ৮০ টাকা, কারপাস তুলা ১ শ’৫০টাকা বেশি বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও একটি ৫হাত বাই ৫হাত লেপ তৈরি করতে প্রায় ১৩ শ’ টাকার সাদা তুলার প্রয়োজন।
লেপ-তোষকের পাইকারী ব্যবসায়ী আব্বাছ আলী বলেন, শীত আসলে আমি কুবরাতলী বাজার এলাকা থেকে বিভিন্ন মাপের তৈরি লেপ বিভিন্ন দামে কিনে নিয়ে ট্রাক যোগে শীত প্রবণ জেলাগুলোতে পাইকারী সরবারহ করি। এতে করে লাভ মোটামুটি অনেক ভালো হয়।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ