রাণীনগরে ১৭ দিনেও উদ্ধার || হয় নি লুণ্ঠিত মালামাল সন্দেহভাজন ৯ জন গ্রেফতার

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০১৭, ১২:২৬ পূর্বাহ্ণ

রাণীনগর প্রতিনিধি


নওগাঁর রাণীনগরে ককটেল বিস্ফোরণ করে ডাকাতির ঘটনায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে সন্দেহভাজন হিসেবে ৯ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনার ১৭ দিন অতিবাহিত হলেও উদ্ধার হয় নি লুণ্ঠিত মালামাল।
জানা গেছে, গত ২৮ জানুয়ারি রাতে উপজেলার কালীগ্রাম ইউপি’র ভেবড়া গ্রামের ছোলাইমান আলীর ছেলে বাবলু সরদারের বাড়িতে ডাকাতরা হানা দিয়ে মারপিট ও দেশিয় অন্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ এক লাখ টাকা, সাত ভরি স্বর্ণের গহনাসহ প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। ডাকাতরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করার সময় গ্রামের লোকজন এগিয়ে আসলে পরপর দুইটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায় ডাকাত দল।
এসময় ডাকাতদের ককটেলের আঘাতে আলম হোসেন (৩২) নামের এক জনসহ তিনজন আহত হয়। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে একই গ্রামের এমদাদুল হকের ছেলে ও সাবেক ইউপি মেম্বার শাহিন আলম (৪০), নুর মোহাম্মদের ছেলে শামিম হোসেন (৩৮), রহিম উদ্দীনের ছেলে সেকেন্দার আলী (৪৭), ধণতোলা গ্রামের আবজাল হোসেনের ছেলে মুনির হোসেন (২২) এবং আবাদপুকুর এলাকার জামাল মোল্লার ছেলে খোকন মোল্লাকে (৩৪) গ্রেফতার করে পুলিশ। এছাড়াও ঘটনার কয়েকদিনের মাথায় থানাপুলিশ অভিযান চালিয়ে ডাকাতির ঘটনার সাথে জড়িত থাকার সন্দেহে উপজেলার মধুপুর গ্রামের এবারত আলীর ছেলে এজাদুল হক এফফুল (৪৩), কালীগ্রাম কয়াপাড়া গ্রামের জাফের আলীর ছেলে এনামুল হক মামুন (৪৬) ও কালীগ্রাম কসবা পাড়া গ্রামের মোহাম্মদ খানের ছেলে আনিছুর খাঁনকে (২৮) গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিজ্ঞ আদালতে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিজ্ঞ আদালত ৬ জনের এক দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।
এ ব্যাপারে রাণীনগর থানার ওসি জানান, জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যগুলো যাচাই-বাচাই চলছে। তাছাড়া মামলার সঠিক তদন্তের স্বার্থে গ্রেফতারকৃতদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আবারো আদালতে রিমান্ড আবেদন করা হতে পারে। এছাড়া মামলাটি সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে খুব দ্রুত লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধার এবং জড়িতদের গ্রেফতার করার জন্য পুলিশ তৎপর রয়েছে বলে জানান তিনি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ