রাণীনগর শের এ বাংলা কলেজের জাতীয়করণ কার্যক্রমে হাইকোর্টের স্থিতি অবস্থা জারি

আপডেট: মে ৫, ২০১৭, ১২:২৫ পূর্বাহ্ণ

রাণীনগর প্রতিনিধি


নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার শের এ বাংলা ডিগ্রি কলেজের জাতীয়করণ কার্যক্রমের ওপর হাইকোর্ট স্থিতি অবস্থা জারি করেছেন। গত মঙ্গলবার ২ মে একটি রিটের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন হাইকোর্টের বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি রাজিক-আল-জলিলের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ। রিটকারীর আইনজীবী ড. মো. জাহিদুল হক এ খবর নিশ্চিত করেছেন। রিটকারীর আইনজীবী জানান, এ স্থিতি অবস্থা শুধু শেরে বাংলা ডিগ্রি মহাবিদ্যালয়ে উপর। অন্যান্য কলেজের কার্যক্রম যথানিয়মে চলবে।
এ ব্যাপারে রিটকারী রাণীনগর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. মিরাজুল ইসলাম বলেন, যেসব মাপকাঠির উপর নির্ভর করে কলেজ জাতীয়করণের তালিকা তৈরি করা হয়েছে তার সবগুলোতেই আমাদের কলেজ এগিয়ে। তারপরও কেন আমাদের কলেজকে বাদ দেয়া হয়েছে তা আমরা জানি না। তবে রাণীনগর মহিলা কলেজ জাতীয়করণের ক্ষেত্রে মহামান্য হাইকোর্টের রায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এখন আমি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
রিটকারীর দাবি, রাণীনগর মহিলা কলেজের অধিকতর যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তাদেরকে বাদ দিয়ে শের এ  বাংলা ডিগ্রি মহাবিদ্যালয়ের নাম জাতীয়করণের তালিকায় রাখা হয়েছে।
গত বছর প্রকাশিত ১৯৯টি কলেজের তালিকার ১১৯ নম্বরে শেরে বাংলা ডিগ্রি মহাবিদ্যালয়ের নাম আসায় তা চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়ের করেন রাণীনগর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মো. মিরাজুল ইসলাম। রিটের আবেদনের ওপর শুনানি শেষে হাইকোর্ট চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি একটি রুল জারি করেন। ইতোমধ্যে ১৯৯ কলেজের সঙ্গে আরো কয়েকটি কলেজ যোগ করে মোট ২৮৫টি কলেজ জাতীয়করণের লক্ষ্যে আরো একধাপ এগিয়ে  গেছে। ২০ এপ্রিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক আদেশে ২৮৫ কলেজের সব স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি দানপত্র দলিলের মাধ্যমে সরকারের কাছে হস্তান্তরের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এই তালিকায় শেরে বাংলা মহাবিদ্যালয়ের নাম ছিল ১৮২ নম্বরে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আগের রিট ও রুলের আলোকে গত মঙ্গলবার একই বেঞ্চে একটি আবেদন করে বিষয়টি বিচারপতি মহোদদের দৃষ্টিতে আনা হয়। শুনানি  শেষে আদালত শেরে এ বাংলা ডিগ্রি মহাবিদ্যালয় জাতীয়করণের কার্যক্রমের ওপর স্থিতি অবস্থার আদেশ দেন। রিটে সরকার ও শের-এ- বাংলা ডিগ্রি কলেজ ও অন্যানদের বিবাদী করা হয়েছে।