রাত পোহালেই ভোট : প্রচার বন্ধ || তিন সমীরণে ঘুরপাক খাচ্ছে নাসিক নির্বাচন

আপডেট: ডিসেম্বর ২০, ২০১৬, ১০:২৪ অপরাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক :


রাত পোহালেই বহুল আলোচিত নারায়নগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন (নাসিক) নির্বাচনের ভোট। বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিরামহীন চলবে এ ভোটযুদ্ধ। এ লক্ষ্যে সিটি এলাকায় সাধারন ছুটি ঘোষনা করা হয়েছে। এ ভোটযুদ্ধে তিন পদে ২০১ জন প্রার্থী লড়ছেন। তবে এ নির্বাচনে নৌকা না ধানের শীষের দিকে গণ-জোয়ার তা এখনো স্পষ্ট হয়নি। কারণ ক্ষমতাসীন দলের সাংসদ শামীম ওসমান বলয়ে অনেক ভোটারের দৃষ্টি নিবদ্ধ। ফলে তার আঙ্গুলের হেলুনীতে বদলে যেতে পারে জয়-পরাজয়। বলা যায়, নাসিকের নির্বাচনটি এখন মূলত তিনটি সমীকরণের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে। সমীকরণগুলো হচ্ছে- গত কয়েকদিনের বাধাহীন প্রচারণায় ধানের শীষের দৃশ্যমান অগ্রগতি, আর নৌকার পাশাপাশি ব্যক্তিগত ইমেজ এবং সাহসী প্রার্থী হিসেবে তুঙ্গে থাকা আইভীর জনপ্রীয়তা এবং স্থানীয় সাংসদের নিরব ভূমিকা।
এদিকে, মঙ্গলবার দিবাগত মধ্যরাতেই শেষ হতে চলেছে মেয়র, সাধারন-সংরক্ষিত কাউন্সিলরদের দৃশ্যমান প্রচার। সকাল থেকে মধ্যরাত পর্যন্ত বিরামহীন প্রচারণা চালিয়েছেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা। তবে, মেয়র পদে আওয়ামী লীগের ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী এবং বিএনপির সাখাওয়াত হোসেন খান শহরকেন্দ্রিক প্রচারণায় ব্যস্ত সময় পার করেছেন। আইভী সকালে ১৫ ও ১৬ নং ওয়ার্ড এবং বিকালে ১৮ নং ওয়ার্ডে চষে বেড়ান। একইভাবে, সাখাওয়াত সকালে ১৭ ও ১৮ ওয়ার্ড এবং বিকালে শহরকেন্দ্রিক ভোট চান। প্রচার বন্ধ হলেও বুধবার থেকে প্রচার শুধু ঘরে ঘরে গিয়ে ভোটারদের ভোট প্রার্থন করতে পারবেন প্রার্থীরা।
এছাড়া নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা নেই আইভীর। সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শঙ্কায় সাখাওয়াত। রিটানিং কর্মকর্তা জানায়, পরিস্থিতি ভালো। ভোট নিয়ে কোন শঙ্কা নেই। আর ঢাকার ডিআইজি না’গঞ্জে এক অনুষ্ঠানে মঙ্গলবার বলেছেন, ব্যালট ছিনতাই কিংবা কেন্দ্র দখল হলে সরাসরি গুলির নির্দেশ দিয়েছেন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে।
স্থানীয় ভোটার ও দলীয় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, না’গঞ্জে ওসমান পরিবারের একক ক্ষমতার দাপট রয়েছে। সেখানে বিএনপি না হলেও নিজ দলীয় রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী আইভীকে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করেন এই পরিবারটি। ফলে এই পরিবারের কনিষ্ঠ সদস্য নৌকা-ধানের শীষের জয়-পরাজয়ে নিয়ামক হয়ে উঠতে পারেন বলে আশঙ্কা রয়েছে স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে।
অপরদিকে, সিটি গঠনের আগে পৌর মেয়র। পরে সিটি মেয়র হন নৌকার প্রার্থী আইভী। দু’জায়গাতে জন-প্রতিনিধি হিসেবে দক্ষতা, সততা ও স্বচ্ছতার স্বাক্ষর রেখেছেন ওসমান পরিবারের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী এই প্রার্থী। একই উন্নয়নের ধারাবাহিকতার কারণেও স্থানীয় জনগনের পাশাপাশি ভোটারদেও কাছে তুমুল জনপ্রীয় আইভী।
আর বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট হওয়ার কারণে আদালত পাড়ার বাইরে পরিচিতি কম। তবে প্রতীক ধানের শীর্ষ হওয়ার কারণে বাড়তি সুবিধা পাচ্ছেন তিনি। একই সঙ্গে মুন্সীগঞ্জ জেলার বাসিন্দার সুবাধে ওই এলাকার স্থানান্তর ভোটারদের একটা বড় অংশের সমর্থন পাচ্ছেন এই প্রাথী। এছাড়া বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা ধাপে ধাপে ধানের শীষের প্রার্থীও পক্ষে প্রচারে অংশ নেওয়ায় কিছুটা এগিয়েছে ধানের শীষের প্রার্থী বলে ভোটারদেও সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে। তবে দলীয় প্রতীকের এই নির্বাচনে নৌকা ও ধানের শীষ ফেক্টও হওয়ায় সমীকরণ যাই হোক তুমুল লড়াইয়ের আভাসের ইঙ্গিত দিয়েছেন স্থানীয় ভোটাররা।
নাসিক নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা-সংশয় প্রকাশ প্রার্থীরা করলেও নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত রিটার্নি কর্মকর্তা মো. নুরুজ্জামান তালূকদার মঙ্গলবার সকালে প্রতিদিনের সংবাদকে বলেন, নির্বাচন নিয়ে কোন শঙ্কা নেই। পরিস্থিতি ভালো। উৎসবমূখর পরিবেশে ভোট হবে। তিনি বলেন, তিন স্তরের নিরাপত্তায় থাকবে সাড়ে ৯ হাজার র্ফোস। কেন্দ্রের বাইওে নিয়োজিত থাকবে ৫ হাজার র্ফোস এবং কেন্দ্র পাহারায় সাড়ে ৪ হাজার বিভিন্ন বাহিনীর র্ফোস। সোমবার মাঠে স্ট্রাইকিং র্ফোস হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গতকাল মঙ্গলবার সকালে মাঠে নেমেছে র‌্যাব, কোস্টগার্ড, নৌ-পুলিশ, পুলিশ, ব্যাটলিয়ান আনসার ও আনসার-ভিডিপির সদস্যরা।
ইসির নিজস্ব পর্যবেক্ষক ও নির্বাচন কর্মকর্তা, ঢাকা জেলা মো. শরিফুল ইসলাম প্রতিদিনের সংবাদকে জানান, নির্বাচনী এলাকায় গোপন পর্যবেক্ষণ করছি। যত মানুষের সঙ্গে কথা হচ্ছে, একজনও বলছে না নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা রয়েছে। নির্বাচন সুষ্ঠু হবে বলে আশা প্রকাশ করেন ওই কর্মকর্তা।
ঢাকার ডিআইজি নুরুজ্জামান না’গঞ্জে এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য সবই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। যদি এর ভোটকেন্দ্র দখল হয় তাহলে সরাসরি গুলির নির্দেশ দিয়েছেন এই পুলিশ অফিসার। এর আগে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ এই নির্বাচনকে অনুকরণীয় হিসেবে আখ্যা দেন। একই সঙ্গে ভোটে অনিয়ম হলে অস্ত্রেও প্রয়োগ করার নির্দেশ দেন।
প্রচারণায় সেলিনা হায়াৎ আইভী বলেছেন, নির্বাচন নিয়ে কোন অভিযোগ নেই। উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অক্ষুন্ন রাখতে আগামীতেও মেয়র হিসেবে তারই দরকার। তিনি বলেন, বিজয়ী হলে মাদক-সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করবো। এখন পর্যন্ত নির্বাচন নিয়ে কোন শঙ্কা ও সংশয় নেই।
পক্ষান্তরে সাখাওয়াত হোসেন খান বলেছেন, সুষ্ঠু ভোট নিয়ে আমি শঙ্কায় আছি। নির্বাচনের শুরু থেকেই আমি সেনা মোতায়েন চেয়েছিলাম। কিন্তু নির্বাচন কমিশন সেটা করেনি। এ কারণেই লোকজনের মধ্যেও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। আর সরকারও চাচ্ছে না সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট হোক। সরকারের অবস্থান ও ভাবমূর্তি সকালেই বোঝা যাবে। তার পরেও আমি চাই সুষ্ঠু ভোট হোক। সকালে নির্বাচনী এলাকায় ঘুওে ভোটারদেও অভিব্যক্তি পাওয়া। তারা সুষ্ঠুু ভোট নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, নির্বাচনে কে জয়ী-পরাজিত হবেন এ নিয়ে চিন্তিত নয়। শুধু সুষ্ঠু ভোট দেখতে চায় নাসিকে। প্রার্থীরাও একই শঙ্কার কথা জানাচ্ছেন।
না’গঞ্জের গলাচীপার বাসিন্দা (ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী) লিটন চন্দ্র প্রতিদিনের সংবাদকে বলেন, সুষ্ঠু ভোট হলে আইভী বিপুল ভোটে জিতবে। তবে শামীম ওসমান তার কর্মীদের অন্য নির্দেশ দিলে ভোটের ফল পাল্টে যেতে পাওে বলে জানায় চাষাড়ায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী লিটন। আর জামতলা ভোটার চা দোকানী লোকমান বলেন, তুমুল প্রতিযোগিতা হবে। ধানের শীষের প্রতি মানুষের আকর্ষণ বেশি। তবে যাকে পছন্দ তাকেই ভোট দিব।  একটি মসজিদেও খাদেম ইব্রাহিম বলেন, নৌকা ও ধানের শীষের প্রতীক আসার বদলে গেছে ভোটের হিসাব-কিতাব।
আগামী ২২ ডিসেম্বর ভোট। এ উপলক্ষ্যে নির্বাচনের পুরো নিয়ন্ত্রন এখন আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর অধীনে। দলীয় প্রতীকে প্রথম অনুষ্ঠিত হচ্ছে নাসিকের নির্বাচন। আর এই কমিশনের অধীনে এটাই শেষ নির্বাচন। আর আওয়ামী লীগ-বিএনপির জন্য প্রেষ্টিজ ইস্যুর নির্বাচন বন্দর নগরী খ্যাত নাসিকের নির্বাচন।
মঙ্গলবার না’গঞ্জ সিটির প্রবেশ পথ সিদ্ধিরগঞ্জে ঢুকতেই নজরে পড়ে কালো-সাদা পোষ্টার। যেন উৎসবের নগরী এখন না’গঞ্জ। রাস্তার দু’পাশে পাটের  সুতুলীতে বিনি করে সারি সারি কওে ঝুলানো রয়েছে এসব প্রচার সামগ্রী। শেষ মুহুর্তেই এসব পোষ্টারই প্রার্থীদেও প্রচারের একমাত্র উপলক্ষ্য হবে। কারণ ২০ ডিসেম্বর মধ্যরাতেই শেষ হচ্ছে প্রচার। থাকবে না প্রার্থীদের কোন পথসভা কিংবা জনসভা। শুধু ঘরে ঘরে প্রচারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে প্রচারণা। রিটানিং অফিসারের কার্যালয়ে নিয়োজিত কর্মকর্তারা ব্যস্ত সময় পার করছেন। যেন একমুহুর্তেও ফুরসৎ নেই তাদের। ব্যালট বাক্স সংরক্ষণ ও ব্যালট রক্ষায় নিয়োজিত রয়েছে পুলিশ সদস্যরা। অপরিচিত মানুষ দেখলে পরিচয় নিশ্চিত হয়েই রিটার্নি কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রবেশের অনুমতি মিলছে।

বহিরাগত প্রবেশ বন্ধ
সোমবার মধ্যরাত ১২টা থেকে স্থানীয় বাসিন্দা এবং ভোটার ব্যতীত বহিরাগতদের অবস্থান নিষিদ্ধ রয়েছে। কেবলমাত্র কমিশনের অনুমোদিত ব্যক্তিরাই থাকতে পারবেন। ভোটগ্রহণের দিনে অন্য এলাকার প্রভাবশালীরা থাকলে বা নির্বাচনে অবৈধ প্রভাব বিস্তার করলে বা করার চেষ্টা করলে পুলিশ প্রশাসন এবং জেলা প্রশাসন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবে।

প্রচারণা বন্ধ
মঙ্গলবার মধ্যরাতে বন্ধ হতে চলেছে সব ধরনের প্রচার। ভোটগ্রহণের ৩২ ঘণ্টা আগেই প্রচার বন্ধের আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। আর ২২-২৪ ডিসেম্বর মধ্যরাত পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় কোনো ধরনের সভা-সমাবেশ, অনুষ্ঠান বা তাতে যোগদান করতে এবং মিছিল বা শোভাযাত্রা সংঘটিত করতে বা যোগদান করতে পারবেন না। বিধি লঙ্ঘল করলে রিটার্নিং অফিসাররা ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

যানবাহনে নিষেধাজ্ঞা
২১ ডিসেম্বর বুধবার মধ্যরাত থেকে ভোটগ্রহণের দিন মধ্যরাত পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় নৌযান/স্থল যানবাহন যেমন- লঞ্চ ও স্পিডবোট, ট্যাক্সিক্যাব, বেবিটেক্সি, অটোরিকশা, মাইক্রোবাস, জিপ, পিকআপ, কার, বাস, ট্রাক ও টেম্পো চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ থাকবে। গত সোমবার মধ্যরাত থেকে মোটরযান চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়েছে।

সাড়ে ৯ হাজার র্ফোস
র‌্যাব ৩২ পেট্রোল প্রতিটিতে ১০জন করে মোট ৩২০ জন, বিজিবি ২২ প্লাটুন প্রতি প্লাটুনে ৩০জন করে ৬৬০জন, পুলিশ ৪২০০  (কেন্দ্রের বাইরে), ব্যাটালিয়ান আনসার ১ প্লাটুন ৩০জন, কোস্টগার্ড ৩ প্লাটুন ৩০জন করে ৯০জন, নৌ-পুলিশ ৩ প্লাটুন ৯০জন এবং আনসার-ভিডিপির সদস্য ১হাজার ৪০০ জনসহ মোট ৬ হাজার ৮০০ জন। এছাড়া কেন্দ্র পাহারায় নিয়োজিত থাকবে পুলিশসহ ২ হাজার ৭০০ র্ফোস।

ম্যাজেস্ট্রেট
নাসিকের ২৭ ওয়ার্ডে প্রতিটির জন্য ১জন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে। এছাড়া ৯ জন ম্যাজিস্ট্রেট স্ট্রাইকিং র্ফোসন হিসেবে র‌্যাব-বিজিবির সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবেন। আর প্রার্থীদের অপরাধ করলে তাৎক্ষণিক সাজা দিতে মাঠে থাকবে ৯ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট। তারা সামারী ট্রায়ালের মাধ্যমে সাজা দেবেন অপরাধীকে।

তিন পদে প্রার্থী ২০১ প্রতিদ্বন্দ্বী
নাসিক সিটিতে তিন পদে (মেয়র, সাধারন কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর) ২০১ জন প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। এর মধ্যে মেয়র পদে ৭জন, সাধারন সদস্য পদে ১৫৬ জন এবং সংরক্ষিত পদে ৩৮জন।
মেয়র পদের প্রার্থীরা হচ্ছেন- অ্যাডভোকেট মাহবুবুল রহমান ইসমাইল- বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি (কোদাল), কামাল প্রধান- এলডিপি (ছাতা), মাও মো. শাছুম বিল্লাহ- ইসলামী আন্দোল বাংলাদেশ (হাতপাখা), মুফতি এজহারুল হক- ইসলামী ঐক্যজোট (মিনার), মো. রাশেদ ফেরদৌস- বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি (হাতঘড়ি), মো. সাখাওয়াত হোসেন খান- বিএনপি (ধানের শীষ) এবং ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী- আওয়ামী লীগ (নৌকা)।

৪৭৪৯৩১ জন ভোটার
নাসিক সিটিতে মোট ভোটার ৪ লাখ ৭৪ হাজার ৯৩১ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ২ লাখ ৩৯ হাজার ৬৬২ জন এবং মহিলা ২ লাখ ৩৫ হাজার ২৬৯ জন।

রিটার্নি অফিসার ও সহকারি রিটানিং অফিসার
নাসিক নির্বাচনে ১ জন রিটার্নি অফিসার এবং ৯ জন সহকারি রিটানিং অফিসার দায়িত্ব পালন করছেন।-প্রতিদিনের সংবাদ