রাবিতে জলবায়ু ন্যায্যতার দাবিতে ক্যাম্পেইন

আপডেট: নভেম্বর ৩০, ২০১৬, ১২:০৭ পূর্বাহ্ণ

রাবি প্রতিবেদক


শিল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর গ্রীনহাউজ গ্যাস নির্গমন ব্যাপক কমানো, স্বল্পোন্নত ও ঝুঁকিপূর্ণ দেশে জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি কমাতে মেধাস্বত্বসহ প্রযুক্তি ও অর্থায়ন সহায়তাসহ ১১ দফা দাবিতে জলবায়ু ন্যায্যতার জন্য ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রিয় গ্রন্থাগারের পেছনে এ ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়।বেসরকারি সংস্থা পরিবর্তন রাজশাহী’র আয়োজনে এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (রাবিসাস)’র সহযোগীতায় ক্যাম্পেইনে জলবায়ুর ন্যায্যতার দাবি জানানো হয়। এসময় জলবায়ু পরিবর্তন খাতে কোনো অবস্থাতেই ঋণ বা অনুদান নয়, বরং উন্নয়ন সহায়তার অতিরিক্ত ও নতুন ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়।
ক্যাম্পেইনে পরিবর্তন রাজশাহী’র প্রধান নির্বাহী রাশেদ রিপন বলেন, ‘উত্তরাঞ্চলের প্রধান সমস্যা খরা। আর সারা বাংলাদেশের জলবায়ুই এখন হুমকির মুখে। এজন্য দায়ী উন্নত বিশ্বগুলোর অতিরিক্ত কার্বন নির্গমন। তাদের কারণে আমরা ভুগবো এটা হতে পারে না। আমরা আর ঋণ সহায়তা নয় বরং ক্ষতিপূরণ চাই। জলবায়ুর ন্যায্যতা চাই। পৃথিবীর উপর শুধু তাদের নয় আমাদেরও অধিকার আছে।’
ক্যাম্পেইনে রাবিসাসের সভাপতি মাহবুব আলম বলেন, ‘দেশের জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ক্রমেই দেশ হুমকির মুখে পতিত হচ্ছে। এর অন্যতম কারণ উন্নত দেশগুলোর কার্বন ও গ্রীনহাউজ অব্যবস্থাপনা। তাদের কারণে সারা বিশ্বের জলবায়ু হুমকির মুখে পড়েছে।’
রাবিসাসের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলামের সঞ্চালনায় ক্যম্পেইনে ১১ দফা দাবি তুলে ধরেন রাবিসাসের সম্মানিত সদস্য রোকন রাকিব। এসময় উপস্থিত শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে বক্তব্য দেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের রেজাউল করিম শামীম।
অন্যান্য দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, জলবায়ু সহিষ্ণুতায় নারী কৃষকদের অবদানের স্বীকৃতি দিয়ে তাদের সহায়তা করার জন্য বরাদ্দ রাখতে হবে, শিল্পোন্নত দেশসমূহ থেকে সবুজ জলবায়ু তহবিলে প্রতিবছর ১০ হাজার কোটি ডলার প্রদান নিশ্চিত করতে হবে, জাতীয় আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে জলবায়ু অর্থায়ন ব্যবস্থাপনা, বরাদ্দ প্রদান ও ব্যবহারে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জন-অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে, উন্নয়নশীল দেশ নয় বরং সল্পোন্নত ও ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর চাহিদার উপর গুরুত্বারোপ করে বিজ্ঞানভিত্তিক ও সমন্বিত আন্তর্জাতিক অভিযোজন পরিকল্পনা প্রণয়ন, অর্থায়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে।