রাবিতে ১ম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষায় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১, ৯:৫৩ অপরাহ্ণ

পর্যালোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপাচার্য প্রফেসর গোলাম সাব্বির সাত্তার

রাবি প্রতিবেদক:


রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক/স্নাতক (সম্মান) শ্রেণিতে আগামী ৪-৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিতব্য ভর্তি পরীক্ষার আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ মানসম্মত খাদ্য ও পানি সরবরাহ, স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতকরণ, টয়লেট ব্যবস্থা, অতিথিদের বসার জায়গা, ট্রাফিক ব্যবস্থা ইত্যাদি বিষয়ে এক পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।  রোববার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর গোলাম সাব্বির সাত্তার।

সেখানে অন্যদের মধ্যে উপ-উপাচার্য প্রফেসর মো. সুলতান-উল-ইসলাম, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের পুলিশ কমিশনার আবু কালাম সিদ্দিক, এনএসআই-এর অতিরিক্ত পরিচালক মোহাম্মদ মাসুদ হোসেন, রেজিস্ট্রার প্রফেসর মো.আবদুস সালাম, ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর মো. লিয়াকত আলী, ছাত্র উপদেষ্টা এম তারেক নূর, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক ড. মো. আজিজুর রহমানসহ জেলা প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন উইংস-এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সহকারী প্রক্টর ড. মো. সুমন হোসেন।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শহরের দিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয় অভিমুখে আগত সকল গাড়ি কাজলা গেট দিয়ে, কাটাখালী থেকে বিশ্ববিদ্যালয় অভিমুখে আগত সকল গাড়ি বিনোদপুর গেট দিয়ে প্রবেশ করবে এবং মেইন গেট দিয়ে বের হবে। চারুকলা গেট দিয়ে সকল প্রকার যানবাহনের প্রবেশ বন্ধ থাকবে। স্টেশন বাজার গেট দিয়ে গাড়ি প্রবেশ করে চারুকলা গেট দিয়ে বের হয়ে যেতে পারবে। খাবার স্টল, ইনফরমেশন বুথসহ সকল স্বেচ্ছাসেবক স্টল দেয়ার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট দপ্তরে আবেদন সাপেক্ষে নির্ধারিত স্থানে স্টল দিতে হবে এবং সকল স্বেচ্ছাসেবক ও স্টল পরিচালকদের পরিচয়পত্র বহন করতে হবে।

স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করার জন্য প্রত্যেক ভবনের গেটে ডিজিটাল থার্মোমিটার দিয়ে শরীরের তাপমাত্রা মাপা হবে এবং সকলের মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করা হবে।

পরীক্ষার্থীদের অভিভাবকদের বসার জন্য ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে পর্যাপ্ত চেয়ারের ব্যবস্থা থাকবে। জরুরি চিকিৎসা সেবা দেয়ার জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টার এবং রাজশাহী মেডিকেল কলেজের এ্যাম্বুলেন্স সেবা চালু থাকবে। খাদ্যের মান যাতে নিশ্চিত হয় এবং অতিরিক্ত মূল্য যাতে কেউ গ্রহণ করতে না পারে সে ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সজাগ থাকবে।