রিজার্ভ চুরি: সিআইডির তদন্ত প্রতিবেদনে আরও সময়

আপডেট: ডিসেম্বর ১৯, ২০১৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাংক থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির তদন্ত আট মাসেও শেষ করতে পারেনি সিআইডি।
রোববার আদালতে এই প্রতিবেদন দাখিলের নির্ধারিত দিনে তা দাখিল করতে পারেনি পুলিশের এই বিভাগ। ঢাকার মহানগর হাকিম মাহমুদুল হাসান তাই ১৭ জানুয়ারি প্রতিবেদন দাখিলের নতুন তারিখ রেখেছেন বলে আদালত পুলিশের সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা এসআই জালাল আহমেদ জানিয়েছেন।
তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এই নিয়ে নবম বারের মতো পেছালো প্রতিবেদন জমা দেয়ার তারিখ।” চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক অব নিউ ইয়র্ক থেকে বাংলাদেশের রিজার্ভের আট কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি করে ফিলিপিন্সের রিজল ব্যাংকে পাঠিয়ে তুলে নেয় তস্কররা।
ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর ১৫ মার্চ বাংলাদেশ ব্যাংকের একাউন্ট অ্যান্ড বাজেটিং ডিপার্টমেন্টের উপপরিচালক মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করেন। তা তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয় সিআইডিকে।
রিজার্ভ চুরির তদন্তে গঠিত মোহাম্মদ ফরাসউদ্দিন নেতৃত্বাধীন সরকারি কমিটি বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তাদের অসতর্কতার বিষয়টি তুলে আনার পর সিআইডির কর্মকর্তারাও একই কথা বলেন।
সিআইডির অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক মোহাম্মদ শাহ আলম সম্প্রতি বলেন, “বাংলাদেশ ব্যাংকের কয়েকজন কর্মকর্তা জেনেশুনেই ব্যাংকের কম্পিউটার নেটওয়ার্ক অনিরাপদ করে রেখেছিলেন এবং তাতে হ্যাকাররা নিউ ইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে ৮১ মিলিয়ন ডলার চুরি করতে পারে।” এ ঘটনায় জড়িতদের শিগগিরই গ্রেপ্তার করার আশার দিয়েছেন তিনি। তবে এখনও কাউকে শনাক্ত কিংবা গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি।
এদিকে ফিলিপিন্সে যাওয়া অর্থের এক-পঞ্চমাংশ উদ্ধারের পর ইতোমধ্যে বাংলাদেশ সরকার ফেরত এনেছে। বাকি অংশ ফেরত আনতেও তৎপরতা চালানো হচ্ছে।- বিডিনিউজ