রুটির আড্ডায় সেতুমন্ত্রীর সকাল

আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০১৭, ১২:১১ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক



নগরীর শ্রী রামপুর এলাকায় শহর রক্ষা বাঁধের ওপর অস্থায়ী দোকানে বসে কালাই রুটি দিয়ে নাশতা করেছেন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। গতকাল শনিবার মন্ত্রীর ফেসবুকের ছবি থেকে নেয়া নগরের শ্রীরামপুর এলাকায় শহর রক্ষা বাঁধের ওপর অস্থায়ী দোকানে বসে কালাই রুটি দিয়ে নাশতা করেন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের (ছবিটি মন্ত্রীর ফেসবুক থেকে নেওয়া হয়েছে)।
গতকার শনিবার সকাল সাড়ে ৬টায় পদ্মার পার শহররক্ষা বাঁধের ওপর দোকান বিছিয়ে সবে কালাই-রুটিতে তা দেওয়া শুরু করেছেন দোকানি। হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎ সেখানে উপস্থিত মন্ত্রী! তিনি দোকানে এসে বসলেন, গরম গরম কালাই রুটি খেলেন। সঙ্গে প্রাণখোলা আড্ডায় মেতে উঠলেন সাধারণ মানুষের সঙ্গে।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের দুই দিনের রাজশাহী সফরের দ্বিতীয় দিন সকালটা ছিল এমনই।
সকালে রাজশাহী সার্কিট হাউস থেকে হাঁটতে বের হন মন্ত্রী। তিনি সাধারণ মানুষের সঙ্গে আড্ডা দেন, শোনেন তাদের বিভিন্ন অভাব-অভিযোগের কথা। পরে কালাই রুটি খাওয়ার ছবি পোস্ট করেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক ও একজন মন্ত্রীর এমন আচরণ মুগ্ধ করেছে রাজশাহী নগরবাসীকে।
কালাই রুটি দিয়ে সকালে নাশতা করছেন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ফেসবুক থেকে নেওয়া ছবিটি নগরীতে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে। এরপর বেলা ১১টায় রাজশাহী সরকারি মাদ্রাসা মাঠে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, ওবায়দুল কাদের। সেখানে তিনি বলেন, এই সিকিউরিটি বলে মানুষের সঙ্গে মিশব না, এটা হতে পারে না। সকালে কালাই রুটি খেতে গিয়েছিলাম। তো এক লোক এসে আমাকে বলল, আপনাকে আমি দেখলাম যে ভোরবেলা উঠে এখানে এসেছেন, হাঁটছেন, আমাদের সঙ্গে কথা বলছেন, কালাই রুটি খাচ্ছেন। আরেকজন পলিটিশিয়ানরে তো সকালবেলা দেখি না। নেতারা তো সকালবেলা ঘুম থেকেই ওঠে না।
নাশতা সেরে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে আড্ডায় মেতে ওঠেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। মন্ত্রীর ফেসবুক থেকে নেওয়া নাশতা সেরে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে আড্ডায় মেতে ওঠেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ওবায়দুল কাদের বলেন, সকালবেলা ফোন করে শেখ হাসিনাকে পাই, নেতাদের পাই না, পাই না, পাই না। সকালবেলা উঠতে হবে। সকালবেলা উঠলে দেখবেন অনেক কাজ করা যায়।
তিনি আরো বলেন, আগে আমি বলতাম আমার মায়াবী শহর চট্টগ্রাম। এখন আমি বলি আমার মায়াবী শহর রাজশাহী। তিনি বলেন, আবার রাজশাহী আসলে, আবার কালাই রুটি খাব। রাজশাহীর প্রেমে পড়ে গেছি, না এসে পারব না।
‘আমার আর দেবার কিছু নেই,
আছে শুধু ভালোবাসা, রেখে দিলাম তাই।
আবার যদি ইচ্ছে করে আবার আসিব ফিরে,
দুঃখ-সুখের ঢেউখেলানো পদ্মানদীর তীরে।’
উপস্থিত নেতা-কর্মীদের এই কবিতা শুনিয়ে বক্তব্য শেষ করেন ওবায়দুল কাদের।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ