লালপুরে জুয়েল হত্যা মামলায় একজনের যাবজ্জীবন কারাদ-

আপডেট: জুন ৩০, ২০২২, ৯:৩৪ অপরাহ্ণ

নাটোর প্রতিনিধি:


দীর্ঘ ৬ বছর পর নাটোরে লালপুরে ভুটভুটি চালক জুয়েল হত্যা মামলায় একজনকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদ- এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন মাসের কারাদ-ে ও দুইজনকে খালাস দিয়েছে আদালত। বৃহস্পতিবার (৩০জুন) দুপুরের জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক শরীফ উদ্দিন এই রায় প্রদান করেন। যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন, রাজশাহী বাঘা এলাকার রয়েজ মুন্সির ছেলে মাসুদ রানা, খালাস প্রাপ্ত আসামি ও তার দুই সহোদর আয়নাল ও মুকুল।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২৫ জুন দুপুরে ভুটভুটি চালক জুয়েলকে বেড়াতে নিয়ে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে মোটর সাইকেলে তুলে নিয়ে যায় তার বন্ধু মাসুদ রানা। পরে রাত ১০ টার দিকে জুয়েল ফিরে না এলে পরিবারের লোকজন মাসুদ ও জুয়েলকে খোঁজ করেন।

এরপর রাতে মাসুদের ভাই জুয়েলের বাড়িতে গিয়ে সংবাদ দেয় লালপুরের মঞ্জিলপুকুর কলেজের পাশে সড়কে ডাকাতের হামলায় জুয়েল মারা গেছে। খবর পেয়ে জুয়েলের বাবা সহ আরো কয়েকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে মঞ্জিলপুকুর কলেজের পাশে ফাঁকা জমিতে জুয়েলের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে। পরে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নাটোর সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেন।

এ ঘটনায় নিহত জুয়েলের বাবা জহুরুল ইসলাম বাদী হয়ে রয়েজ মুন্সির ছেলে মাসুদ রানা ও তার দুই সহোদর আয়নাল ও মুকুলকে অভিযুক্ত করে ঘটনার পরদিন লালপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে কারাগারে প্রেরণ করে। দীর্ঘ ৬ বছর মামলার স্বাক্ষ্যগ্রহণ শেষে মামলার অভিযুক্ত মাসুদ রানাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদন্ড ও ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো তিন মাসের কারাদন্ডে দন্ডিত করেন।
এ সময় অপর দুই অভিযুক্ত আয়নাল ও মুকুলের বিরুদ্ধে কোন স্বাক্ষ্য প্রমান না পাওয়ায় তাদের খালাস প্রদান করা হয়। মামলার রায়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন নিহত জুয়েলের পরিবার।