লালপুর স্টেডিয়ামে ফুটবল উৎসব

আপডেট: মে ২৫, ২০২২, ৫:৪৯ অপরাহ্ণ

পুরস্কার বিতরণ করেন সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বকুল

লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি :


নাটোরের লালপুরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ টুর্নামেন্ট বালক (অনূর্ধ্ব-১৭) উপলক্ষে উৎসবের আমেজ দেখা গেছে। দর্শকের উপস্থিতিতে শহীদ মমতাজ উদ্দিন স্টেডিয়াম প্রাণ ফিরে পেয়েছে।

মঙ্গলবার (২৪ মে) বিকেলে ফাইনাল খেলায় লালপুর ইউনিয়ন একাদশ-গোপালপুর পৌরসভা একাদশকে ১-০ গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা সুলতানার সভাপতিত্বে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নাটোর- ১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বকুল। বিশেষ অতিথি ছিলেন লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহা. মোনোয়ারুজ্জামান, গোপালপুর পৌর সভার মেয়র রোকসানা মোর্তুজা লিলি।

লালপুর ইউনিয়ন একাদশের পক্ষে গোল করেন মন্টু। টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন গোপালপুর পৌরসভা একাদশের আশিক।
সরেজমিন দেখা যায়, দুপুর থেকে বিভিন্ন এলাকার মানুষ ফাইনাল খেলা দেখতে আসতে থাকেন। রিক্সা, ভ্যান ছাড়াও বিভিন্ন যানবাহন এমনকি পায়ে হেঁটে দুরদুরান্ত থেকে অনেকে এসেছেন। দীর্ঘ দিন পর এ আয়োজন ক্রীড়া প্রেমিদের মনে উৎসবের আমেজ ফিরিয়ে দিয়েছে।

দর্শক মাহমুদ হাসান রবিন বলেন, এই টুর্নামেন্টের প্রতিটি খেলা তিনি দেখতে এসেছেন। খুব ভালো লেগেছে।
টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় পৌরসভা একাদশের আশিক বলেন, এই টুর্নামেন্ট খেলার স্বপ্ন ছিল অনেক দিনের। সে স্বপ্ন পূরণ হওয়ায় খুশি।
উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আশফাকুল ইসলাম রিমন বলেন, টুর্নামেন্টের আয়োজন স্বার্থক হয়েছে। গত ১৬ মে থেকে শুরু হওয়া খেলায় স্টেডিয়ামে প্রতিদিন প্রচুর দর্শক সমাগম হয়েছে। পরবর্তীতে আরও খেলার আয়োজন করা হবে।

এফসি ব্রাক্ষণবাড়িয়া ক্লাবের অনূর্ধ্ব ১৫/১৭ নারী দলের ফুটবলার নার্গিস খাতুন বলেন, এ খেলা দেশের সব উদীয়মান খেলোয়াড়ের জন্য একটা বড় সুযোগ। দেশে ইউনিয়ন পর্যায়ে এ খেলা আয়োজন ফুটবলের উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।

স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের খেলোয়াড় মুক্তিযোদ্ধা তসলিম উদ্দিন বলেন, করোনার কারণে গত দুই বছর জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজন হয়নি। এই খেলার মাধ্যমে জাতীয় এবং দেশের বাইরে ট্রেনিং নেওয়ার সুযোগ থাকায় টুর্নামেন্টের আকর্ষণ গুরুত্ব পেয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শামীমা সুলতানা বলেন, ক্রীড়াঙ্গনে উপজেলার খেলোয়াড়দের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সুনাম রয়েছে। যা অক্ষুন্ন রাখতে প্রশাসন সর্বাত্মক সহযোগিতা করছে।

সংসদ সদস্য শহিদুল ইসলাম বকুল বলেন, সুস্থ ও সুন্দর মনন গঠনের জন্য খেলাধুলার কোনো বিকল্প নেই। এ খেলার আয়োজনে দেশের ফুটবল এগিয়ে যাবে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের খেলোয়াড়দের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খেলার সুযোগ হবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ