লোকাল গর্ভমেন্ট কোভিড- ১৯ রেসপন্স ও রিকভারি প্রকল্পের কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে

আপডেট: ডিসেম্বর ৫, ২০২৩, ৭:১৫ অপরাহ্ণ


নিজস্ব প্রতিবেদক:


বিশ্ব ব্যাংকের আর্থিক সহায়তায় এলজিইডির তত্ত্বাবধানে লোকাল গর্ভমেন্ট কোভিড-১৯ রেসপন্স ও রিকভারি (এলজিসিআরআরপি) প্রকল্পের আওতায় লো কার্বন এন্ড ক্লাইমেট রিজিলেন্ট আরবান ডেভেলপমেন্ট ইন বাংলাদেশ সিটি বিষয়ে এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে সরিৎ দত্ত গুপ্ত সভাকক্ষে আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন। কর্মশালায় রাজশাহী সিটি মেয়র বাংলাদেশে বিশ্ব ব্যাংকের সহযোগিতায় কোভিড পরবর্তী সহযোগিতামূলক উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করায় বিশ্ব ব্যাংক সহ সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানান। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি।

কর্মশালায় রাসিক মেয়র বলেন, জলবায়ুর ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় করণীয় বিষয়ে নানা উদ্যোগ গ্রহণে আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশের মত দেশগুলোকে আলোচনা হয়। আমাদের দেশে বিভিন্ন অঞ্চলে নানারকম আবহাওয়া বিরাজমান। দেশের দক্ষিণাঞ্চলে বন্যা, জলচ্ছ্বাস দেখা দেয়। আর উত্তরাঞ্চল তথা রাজশাহী রংপুর অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে তীব্র গরম ও শীতকালে তীব্র শীত। সরকারের আন্তরিকতায় বৃক্ষরোপণের মত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করায় এ অঞ্চলে পূর্বের ধুলাবালিময় নগরীর সেই চিত্র আমরা পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছি। এমন এলাকার জন্য এই ধরনের প্রকল্প অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরো বলেন, তিনি বলেন, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে নগরীর ২২টি জলাশয় সংরক্ষণে প্রকল্প প্রণয়ন করা হয়েছে। ইতোমধ্যে নগরীর সোনাদিঘী, সপুরা মঠপুকুর, লক্ষ্মীপুর টিবি পুকুর, সপুরা গোরস্থান পুকুর, গোলজারবাগ লেক, পদ্মা পারিজাত লেক সহ বেশ কয়েকটি জলাশয় সংরক্ষণ করে সেখানে দৃষ্টিনন্দন অবকাঠামোগণ উন্নয়ন করা হয়।
তিনি আরো বলেন, পরিচ্ছন্ন সবুজ রাজশাহী মহানগরীর রয়েছে নানা অর্জন। রাজশাহীকে দেশের মধ্যে প্রথম স্মার্ট নগরী গড়তে কাজ এগিয়ে চলেছে। স্মার্ট নগরীর রূপরেখা বাস্তবায়নে মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হয়েছে। বৃহৎ শিল্প-কারখানা না থাকায় কর্মসংস্থান সুযোগ সৃষ্টির ক্ষেত্র-গুলো কম থাকায় নগরীতে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের নানাভাবে উৎসাহিত করা যাচ্ছে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন এল.জি.সি.আর.আরপি প্রকল্পের সহকারী প্রকল্প পরিচালক মো. আবু ইউসুফ। প্রকল্প সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন এল.জি.সি.আর.আরপি প্রকল্পের ডিজাস্টার রিক্স রিডাকশন স্পেশালিস্ট মুসফিকা সুলতানা।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন মেলান্দহ পৌরসভার মেয়র শফিক জাহেদি রবিন, অনলাইনে যুক্ত ছিলেন বাসাইল পৌরসভার মেয়র রাহাত হাসান ও ওয়াল্ড ব্যাংকের প্রতিনিধি শান্তনু লাহিরি এবং কার্ল ডিনজেল।

কর্মশালায় রাসিকের সচিব মোঃ মোবারক হোসেন, প্রধান প্রকৌশলী নুর ইসলাম তুষার, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ এএফএম আঞ্জুমান আরা বেগম, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আবু সালেহ মোঃ নুর-ই-সাঈদ, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ মো. মামুন, বাজেট কাম হিসাব-রক্ষণ-কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম খান, নির্বাহী-প্রকৌশলী আহমেদ আল মঈন, নির্বাহী-প্রকৌশলী মাহমুদুর রহমান, নির্বাহী-প্রকৌশলী নিলুফার ইয়াসমিন, নির্বাহী-প্রকৌশলী সুব্রত কুমার সরকার, টাউন প্ল্যানার বনি আহসান, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন-কর্মকর্তা সেলিম রেজা রঞ্জু, পরিবেশ উন্নয়ন-কর্মকর্তা সৈয়দ মাহমুদুল ইসলাম, চীফ কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট অফিসার আজিজুর রহমান, ত্রাণ-কর্মকর্তা জুবায়ের হোসেন মুন, প্রকল্প-কর্মকর্তা ও রাসিকের বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। কর্মশালা সঞ্চালনা করেন রাসিকের জনসংযোগ কর্মকর্তা মোস্তাফিজ মিশু। কর্মশালায় সরকারী বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার কর্মকর্তাবৃন্দ অংশ নেন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ