শক্তিশালী সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি ।। রাজশাহী রেকর্ডরুম নিরাপত্তা সঙ্কটে দলিলসহ মূল্যবান নথিপত্র

আপডেট: জুলাই ৩, ২০১৭, ১:০৬ পূর্বাহ্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদক


রাজশাহী জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের আওতাধীন রেকর্ডরুম শক্তিশালী সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে। রেকর্ডরুমে রক্ষিত জনগণের সম্পদ দলিলসহ মূল্যবান নথিপত্র নিরাপত্তা সঙ্কটে রয়েছে। রেকর্ডরুমকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে একটি শক্তিশালী জালিয়াতি সিন্ডিকেট। এ সিন্ডিকেটটি দীর্ঘসময় থেকে রেকর্ডরুমে রক্ষিত মূল্যবান ভলিউমের পাতা ছিঁড়ে, পাতা প্রতিস্থাপন করে এবং ঘষামাজা করে ভূমিদস্যুদের সহযোগী হিসেবে কাজ করছে। এর মাধ্যমে শক্তিশালী সিন্ডিকেটটি মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে, রেকর্ডরুমের সংশ্লিষ্ট কর্মচারীরাও এ সিন্ডিকেটের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছে। তারা সিন্ডিকেটের হয়ে কাজ করছে। এছাড়া সিন্ডিকেটের সদস্যরা আটক হলেও তাদের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে না। ফলে আইনের ফাঁক গলিয়ে তারা আবারো জালিয়াতি কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত হচ্ছে। পাশাপাশি এ সিন্ডিকেটের সঙ্গে সম্পৃক্ত রেকর্ডরুমের কর্মচারীদের দ্বারা অবৈধভাবে নিয়োগকৃতদের রক্ষা করে সিন্ডিকেটের জালিয়াতি কর্মকাণ্ড আড়াল করার চেষ্টা চলছে। এর ফলে প্রতারিত জমির মালিক এবং সেবাগ্রহীতাদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহী জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয়ের আওতাধীন রেকর্ডরুমটি প্রায় দেড়শ বছরের পুরাতন। এ রেকর্ডরুমে বৃহত্তর রাজশাহীর পুরাতন ও নতুন ভলিউম রক্ষিত আছে। প্রতিদিন এ রেকর্ডরুমে বৃহত্তর রাজশাহীর যেসব মানুষের জমির দলিল হারিয়ে গেছে তারা রেকর্ডরুমে রক্ষিত ভলিউম থেকে সেটি উদ্ধার করেন। পাশাপাশি যারা জমি কেনেন তারা একটা নির্দিষ্ট সময়ের পর নতুন দলিল এখান থেকে সংগ্রহ করেন। এজন্য সরকারকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ ফি দিতে হয়। কিন্তু সিন্ডিকেটের জালিয়াতির কারণে বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আসা মানুষ প্রতারণার শিকার হচ্ছেন।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, জালিয়াতি এ সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে রয়েছেন রফিকুল ইসলাম মিলন নামের একজন নকলনবিশ। তিনি দীর্ঘসময় থেকে এ সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে রয়েছেন। তবে মিলন বেশ কয়েকবার আটক হবার কারণে তার জালিয়াতি কর্মকাণ্ড প্রকাশ্যে এলেও এর নেপথ্যে রয়েছেন কয়েকজন রাঘব বোয়াল। মিলনের জালিয়াতি কর্মকাণ্ড প্রথম নজরে আসে ২০১০ সালের ১৮ আগস্ট। এদিন তিনি ৩৭৯৩/১০ নম্বর একটি বণ্টননামা দলিলের দ্বিতীয় পক্ষ আবদুল বারীর নাম ঘষাঘষি করে তুলে ভলিউমে তারিক হোসেনের নাম সংযোজন করেন।
একপর্যায়ে বিষয়টি ধরা পড়লে নকলনবিশ মিলনকে সাময়িকভাবে বহিস্কার করা হয়। এছাড়া এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মনিরুজ্জামান নামের একজন দলিল লেখকের লাইসেন্স স্থগিত করা হয়। এসময় ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে এবং সংশ্লিষ্টদের বিচারের দাবিতে রাজশাহী সদর দলিল লেখক সমিতির সদস্যরা কলমবিরতিসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন। এ কর্মসূচি চলে প্রায় টানা দেড়মাস। অবশেষে তৎকালীন মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামানের লিটনের আহবানে সদর দলিল লেখক সমিতির সদস্যরা তাদের কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেয়।
এদিকে ২০১০ সালে মিলনের এ জালিয়াতি কার্যক্রম শুরু হলেও তা থেমে থাকে নি। অভিযোগ রয়েছে, সদ্য অবসরে যাওয়া রেকর্ডকিপার লুৎফর রহমানের সহযোগিতায় মিলন এ কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখেছেন। আর মিলনকে একাজে সহযোগিতার জন্য রেকর্ডকিপার লুৎফর রহমান সরকারি বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে ব্যক্তিগতভাবে নিয়োগ দেন বিশাল নামের এক ব্যক্তিকে। একজন রেকর্ডকিপার এভাবে বাইরের একজন ব্যক্তিকে সরকারি মূল্যবান সম্পদ যেখানে রক্ষিত থাকে, সেখানে নিয়োগ দিতে পারেন কী না- তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সর্বশেষ মিলন ধরা পড়েন গত ১৪ জুন সকালে।
এদিন রেকর্ডরুমের একটি ভলিউম বই তিনতলা থেকে নিচতলায় নামিয়ে আনছিলেন বিশাল। এই ভলিউমটি এর কিছুক্ষণ আগেই রেকর্ডরুমের পিওন আবদুল লতিফ কাজ শেষে তিনতলায় রেখে আসেন। বিশাল ভলিউমটি আনার সময় সিঁড়িতে তাকে দেখে ফেলেন আবদুল লতিফ। এরপর বিশালকে জিজ্ঞাসা করা হয়, ভলিউম সরানোর ব্যাপারে সে দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি না হবার পরেও- ভলিউমটি নিচে নামিয়ে আনছিল কেন। এরপর দেখা যায়, ভলিউমের তিনটি পাতা ছেঁড়া। এসময় সেখানে হাজির হন রেকর্ডরুমের আরেক পিওন রফিকুল ইসলাম। এরপর পিওন আবদুল লতিফ ও রফিকুল ইসলাম বিশালকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে স্বীকার করে ভলিউমের পাতা ছেঁড়ার জন্য মিলন তাকে বলেছেন।
একপর্যায়ে পিওন লতিফ ও রফিক অন্য কর্মচারীদের সহযোগিতায় রেকর্ডরুমের তিন তলায় অবস্থানরত মিলনকে নিচতলায় ধরে আনেন। এরপর বিশাল ও মিলনকে সদর সাবরেজিস্ট্রার আয়েশা সিদ্দিকার উপস্থিতিতে মুখোমুখি জিঙ্গাসা করা হয়। জিঙ্গাসাবাদে মিলন স্বীকার করেন, ভলিউমের পাতা ছিড়তে তিনি বিশালকে বলেছেন। বিশাল এসময় সকলের সম্মুখে তাকে একাজের জন্য মিলন দশ হাজার টাকা দিয়েছেন বলে জানান। এরপর সাবরেজিস্ট্রার রাজপাড়া থানায় অভিযোগ দেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে ১৪জুন সকাল ১১টায় মিলনকে পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে যান। তবে রেকর্ডকিপার লুৎফর রহমানের লোক বলে পরিচিত বিশালকে বিশেষ নিরাপত্তা দিয়ে জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয় থেকে সুকৌশলে পার্শ্ববর্তী এলাকা বুলনপুরে তার বাড়িতে পৌঁছে দেয়া হয়।
অপরদিকে এ ঘটনায় বাদি হয়ে সাবরেজিস্ট্রার আয়েশা সিদ্দিকা অভিযোগ দিলেও ওইদিন সন্ধ্যায় তা পরিবর্তন করা হয়। পরবর্তীতে এ ঘটনায় ৩৮০/৪৬৮/৪৭১ ধারায় মামলা দায়ের করেন রেকর্ডকিপার লুৎফর রহমান। এ ধারাগুলো চুরি ও প্রতারণার। এক্ষেত্রে মামলার ধারাগুলো আরো শক্ত হওয়া দরকার ছিলো বলে সংশ্লিষ্টদের মতামত। কারণ, জনগণের মূল্যবান সম্পদ সুরক্ষিত স্থান থেকে সরিয়ে দেয়ার অপরাধ অনেক বড়।
এ ব্যাপারে রাজশাহী আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট একরামুল হক বলেন, ধারাগুলো চুরি ও জায়িাতির। তবে রাষ্ট্রীয় সম্পদ তছনছের অভিযোগে যে ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে তার বিরুদ্ধে আরো শক্ত ধারায় মামলা দায়ের করা যেত। তবে পুলিশ যদি মামলাটির তদন্তে অধিকতর গুরুত্ব দেয়, তাহলে এ ঘটনার সঙ্গে আরো কেউ জড়িত থাকলে তা বের হয়ে আসবে।
প্রশ্ন উঠেছে, এ মামলায় মিলনকে আসামি করা হলেও বিশালকে বাঁচাতে মামলার বাদি সাবরেজিস্ট্রার আয়েশা সিদ্দিকার পরিবর্তে বাদি পরিবর্তন করে রেকর্ডকিপার লুৎফর রহমানকে করা হয়েছে। কারণ, বিশালকে জালিয়াত সিন্ডিকেটকে সহযোগিতার জন্য নিয়োগ দিয়েছেন রেকর্ডকিপার লুৎফর রহমান। আর তিনিই মামলার বাদি হয়ে বিশালকে ‘রক্ষা’ করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, ১৪ জুন সকাল ১১টায় মিলনকে রাজপাড়া থানা পুলিশ আটক করে। কিন্তু তাকে সেদিন আদালতে হাজির করে নি পুলিশ। এর পরের দিন ১৫ জুন দুপুরের পর আদালতে হাজির করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, এসময় সিন্ডিকেটের সদস্যরা মিলনকে থানা থেকে ছাড়িয়ে নেয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু বিষয়টি ওইদিন বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়ে পড়লে সিন্ডিকেটের সদস্যরা থানা পুলিশকে ‘ম্যানেজ’ করতে পারেন নি।
এদিকে অনুসন্ধানে রেকর্ডকিপার লুৎফর রহমান ও সিন্ডিকেটের সদস্য রফিকুল ইসলাম সম্পর্কে বেরিয়ে এসেছে ”ঞ্চল্যকর তথ্য। ২০১০ সাল থেকে আবদুল লতিফ ও মিলন জালিয়াতি করে অঢেল সম্পদের মালিক হয়েছেন। মিলনের বাড়ি রাজশাহীর পবা উপজেলার ডাঙেরহাট কুলতলায়। মাত্র সাত বছরের মধ্যে মিলন ডাঙেরহাট এলাকায় প্রায় ৫০ বিঘা জমি কিনেছেন। নগরীর উপকণ্ঠ মোল্লাপাড়ায় রয়েছে বেশ কয়েক বিঘা দামি জামি। এছাড়া লক্ষ্মীপুরে একটি আবাসিক হোটেলের মালিক মিলন।
অপরদিকে রেকর্ডকিপার লুৎফর রহমান রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার বাসিন্দা। তিনি তার এলাকায় রেকর্ডকিপারের চাকরি করে শতাধিক বিঘা জমির মালিক হয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়। এছাড়া তার বিরুদ্ধে অফিসের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। ইতোপূর্বে টাকা আত্মসাতের বিষয়টি ধরা পড়লে তিনি বেশ কয়েকবার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে ক্ষমা চান। এছাড়া ১৪ জুন ভলিউমের পাতা ছেঁড়ার আগে মিলনের সঙ্গে বড় অঙ্কের একটি লেনদেন হয়েছে। রাজশাহী জেলা প্রশ্সাকের কার্যালয়ের পশ্চিমে পুকুরপাড়ে ভূমিদস্যু চক্রের সদস্যরা তাকে ১১লাখ টাকা দেয় বলে একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। আর যে জমিটির পাতা ভলিউম থেকে ছেড়া হয়েছিল, তা নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার একটি মৌজার বলে ওই সূত্রটি জানায়।
সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রের দাবি, জালিয়াত সিন্ডিকেটের মূল কাজ করে বিশাল। বিশাল রেকর্ডকিপার লুৎফর রহমানের অত্যন্ত বিশ্বস্ত ও আস্থাভাজন। ১৪ জুন ভলিউমের পাতা বিশাল ছেঁড়ে। কিন্তু তাকে আসামি করা হয় নি। সংশ্লিষ্টদের মতামত, বিশালকে আসামি করে আইনি প্রক্রিয়ায় রিমান্ডে নিলে বেরিয়ে আসত জালিয়াতি সিন্ডিকেটের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। কিন্তু রেকর্ডকিপার লুৎফর রহমান নিজে বাদি হয়ে তার কাছের লোক বিশালকে আসামি করেন নি। কারণ, বিশালকে আসামি করলে লুৎফর রহমানেরও চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসবে। নিকেকে বাঁচাতেই লুৎফর রহমান এ ধরনের কৌশল নিয়েছেন বলে সংশ্লিষ্টদের দাবি।
লুৎফর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, আমি কোনো জালিয়াতি সিন্ডিকেটের সঙ্গে সম্পৃক্ত না। একটি মহল আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। আর আমি যেসব জমির মালিক তা উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি। বিশালকে আপনি রেকর্ডরুমের মত গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় কীভাবে নিয়োগ দিলেন- এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমার কাজের কিছুটা সুবিধার জন্য তাকে রেখেছিলাম। ভলিউমের পাতা ছেঁড়ার পরেও তাকে আসামি করা হয় নি কেন- এ ধরনের প্রশ্নের জবাবে তিনি কোন সদুত্তর দিতে পারেন নি।
এদিকে জালিয়াতি সিন্ডিকেটের ব্যাপারে কঠোর অবস্থানে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে রাজশাহী সদর দলিল লেখক সমিতি। সমিতির সভাপতি আলহাজ মহিদুল হক বলেন, আমরা দীর্ঘ সময় থেকে জায়িাতি চক্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার রয়েছি। কারণ, জনগণের মূল্যবান সম্পদ কেউ আত্মসাত করবে, তা মেনে নেয়া যায় না। একারণে গত ২৮ ও ২৯ জুন এর প্রতিকার চেয়ে দলিল লেখক সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যরা জেলা রেজিস্ট্রার আবুল কালাম আজাদের সঙ্গে দেখা করেছি। আমরা দাবি জানিয়েছি, অচিরেই জালিয়াত চক্রের সদস্যদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক। এছাড়া গতকাল রোববার দলিল লেখক সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির জরুরি সভা থেকে পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে আগামি পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য বলা হয়েছে। এছাড়া সমিতির পক্ষ থেকে জালিয়াত সিন্ডিকেটের শাস্তির দাবিতে কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
সার্বিক বিষয়ে জেলা রেজিস্ট্রার আবুল কালাম আজাদ বলেন, যেকোনো জালয়াতি সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে আমরা সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। ইতোমধ্যে ভলিউমের পাতা ছেঁড়ার অপরাধে মামলা দায়ের হয়েছে। এছাড়া বিষয়টি তদন্তের জন্য দুই সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। দুইজন কর্মকর্তাকে তদন্তের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। আশা করছি, রেকর্ডরুমে নিরাপত্তা সুরক্ষিত থাকবে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ