শত বছরের বোতল বন্দি চিঠিতে কী লেখা ছিলো?

আপডেট: জুন ২৪, ২০২১, ১:১০ অপরাহ্ণ

সোনার দেশ ডেস্ক


৯৫ বছরের পুরনো বোতলে চিঠি

প্রায় শত বছর আগের এক বোতল বন্দি চিঠি খুঁজে পেলেন যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের এক নারী জেনিফার ডওকার। এই চিঠি পেয়ে রীতিমতো অবাক হন তিনি। কখনও ভাবনেনি যে নদীর তলদেশ থেকে ৯৫ বছরের পুরনো চিঠি পড়বে তার হাতে।
জেনিফার ডওকার, তিনি প্রায় সময় নৌকা নিয়ে বেরিয়ে পড়েন। ‘নটিকাল নর্থ ফ্যামিলি অ্যাডভেঞ্চার’ নামক একটি প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী জেনিফার। প্রতিষ্ঠানটির কাজ হলো, পর্যটক বা স্থানীয়দের জন্য শিপরেক ট্যুর, স্নোর কেলিং, স্কুবা চার্টারস, প্রাইভেট চার্টারস ইত্যাদির ব্যবস্থা করা।
গত শুক্রবার মিশিগানের চেবোয়গান নদীতে স্কুবা ডাইভিং বের হন জরিফার। হঠাৎ তার চোখে পড়ে একটি সবুজ রঙের পুরনো কাঁচের বোতল। বোতলের ভেতরে কিছু দেখতে পাওয়ায় তুলে নেন তিনি।
জেনিফার ডওকার
বোতলের মুখ খুলে একটি কাগজ পান। রোদে শুকানোর পর দেখেন ১৯২৬ সালের নভেম্বর লেখা। আর ভেতরে লেখা রয়েছে, যে ব্যক্তি এই বোতলটি খুঁজে পেয়েছে সে কী এই কাগজটি মিশিগানের জর্জ মরো চেবোয়গানকে ফিরিয়ে দেবে, আর বলবে এটি কোথায় পাওয়া গেছে?
চিঠিতে যা লেখা আছে
এমন চিঠি পেয়ে বেশ চিন্তায় পড়ে যান তিনি। তার শহরে চিঠিতে লেখা নামের অনেকে থাকায় প্রকৃত মালিক অথবা তার পরিবারকে ফিরিয়ে দেওয়ার উপায় খুঁজতে থাকেন। জেনিফার নিজের প্রতিষ্ঠানের ফেসবুক পেজে বোতলটির একটি ছবি পোস্ট করেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই তা ভাইরাল হয়ে যায়। পোস্টে এক লাখের বেশি শেয়ার হয় এবং মন্তব্য পড়ে ছয় হাজারের বেশি। বোতলটি মরোর কাছে ফিরিয়ে দেওয়া গেছে কিনা এনিয়ে কৌতূহল জাগে সাধারণ মানুষের।
বাবা দিবসে জর্জ মরোর মেয়ে মিশেল প্রিমাউয়ের কাছ থেকে খোঁজ আসে জেনিফারের ঠিকানায়। জানতে পারেন এই চিঠি তার বাবার লেখা। মিশেলের জন্মের ২০ বছর আগে লেখা হলেও এটি যে তার বাবার নিশ্চিত। মিশেল বলেন, নভেম্বর তার বাবা জর্জের জন্ম। হয়তো যখন ১৭ কিংবা ১৮ বছরের বয়সী ছিলেন তখন উত্তর মিশিগানের শীতল পানিতে বোতলটি ফেলেছিলেন।
তবে মিশেল তার বাবার বোতলের চিঠিটি নেননি। যিনি খুঁজে পেয়েছেন তার কাছেই রেখে দিতে চান। তার বাবা জর্জ মরো ১৯৯৫ সালে মারা গেছেন।
তথ্যসূত্র: মার্কিন সংবাদমাধ্যম, সিএনএন, বাংলাট্রিবিউন

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ